অনেক সময় কম্পিউটারের সিস্টেম রিস্টোরে অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল জমে হার্ডডিস্কের মেমোরি দখল করে রাখে। এমনকি অনেক ভাইরাসও সেখানে আসন পেতে বসে, যা আবার অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দিলেও সেই সিস্টেম রিস্টোরের মেমোরির কোনো পরিবর্তন হয় না। কম্পিউটারের সিস্টেম রিস্টোর বন্ধ করে দিতে চাইলে প্রথমে My computeৎ-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Pৎopeৎties-এ যান। এখন System Restoৎe-এ ক্লিক করে Tuৎn off System Restoৎe on all dৎives-এ ঠিক চিহ্ন দিয়ে ok-তে ক্লিক করুন। নতুন একটি উইন্ডো এলে সেটির yes-এ ক্লিক করুন। দেখবেন, কম্পিউটারের সিস্টেম রিস্টোর বন্ধ হয়ে গেছে।
এখন My Computeৎ-এর মেন্যুবারের Tools থেকে Foldeৎ options নির্বাচন করে View-তে ক্লিক করুন। Show hidden files and foldeৎs-এ ঠিক চিহ্ন দিন এবং Hide extensions foৎ known file types ও Hide pৎotected opeৎating system files বক্স থেকে ঠিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। এখন দেখবেন, হার্ডডিস্কের প্রতিটি ড্রাইভে System Volume Infoৎmation নামে একটি লুকায়িত ফোল্ডার দেখা যাচ্ছে এবং সেটির ভেতরে কোনো ডেটা নেই (থাকলেও সেগুলো ডিলিট করে দেন) এবং কম্পিউটারে ফাঁকা অংশের পরিমাণও অনেক বেড়ে গেছে। —মো. আমিনুর রহমান
CRICKET LIVE STREAMING
Showing posts with label software itnews. Show all posts
Showing posts with label software itnews. Show all posts
Sunday, August 7, 2011
Saturday, July 23, 2011
এসেছে গুগল+
তারিখ: ২২-০৭-২০১১
নেটিজেনদের মধ্যে এখন একটাই আলোচনা, ফেসবুকের একক আধিপত্যে ভাগ বসাতে যাচ্ছে গুগল + (প্লাস)। গুগলের সামাজিক যোগাযোগের নতুন এ সেবা কী সুবিধা দিচ্ছে? অনেকে তো রীতিমতো ব্যবহার করাই শুরু করে দিয়েছেন, বিশেষ করে অনেক অফিসেই ফেসবুকের ব্যবহার বন্ধ। সেসব অফিসের কর্মীরা যেন বিকল্প খুঁজে পেলেন গুগল প্লাসে।
৭ জুলাই থেকে গুগল প্লাস সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো এটা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। ফেসবুকের নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই আবির্ভূত হতে চাচ্ছে গুগল ইনকরপোরেটেডের গুগল +। গুগলের আরও দুটি সামাজিক সাইট অরকুট এবং গুগল বাজ হালে তেমন পানি না পেলেও গুগল প্লাস সামাজিক নেটওয়ার্ক হিসেবেই এসেছে। গুগল প্লাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটা জিমেইল থেকে সরাসরি ব্যবহার করা যায়, ফলে নতুন করে নাম, পাসওয়ার্ড দিয়ে এটায় ঢুকতে (লগ-ইন) হয় না।
ফেসবুকের সঙ্গে জনপ্রিয়তায় গুগল প্লাস পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এরই মধ্যে গুগল প্লাসের সদস্য সংখ্যা সারা বিশ্বে ২ কোটির মতো। বাংলাদেশেও অনেকে এটি ব্যবহার করছেন। জেন্ড সনদপ্রাপ্ত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হাসিন হায়দার বলেন, ‘গুগল প্লাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ছবি শেয়ারিং। ছবির মান এবং স্টাইল অনেক দিক দিয়েই ফেসবুকের চেয়ে ব্যতিক্রম। এ ছাড়া তেমন কোনো পার্থক্য চোখে পড়েনি।
টেকনো ভিলা সলিউশনের পরিচালক মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, গুগল প্লাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক আমার দৃষ্টিতে ‘সার্কেল’, যার মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের বন্ধুদের খুব সহজেই আলাদা করা যায়।’ হলিক্রস কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী নিশাত সালসাবিল জানায়, নতুন যেকোনো কিছুই সবার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়। এ ছাড়া গুগল প্লাস আসায় একটা নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। যেটা হয়তো ফেসবুককে আরও এগিয়ে নেবে।
কলেজশিক্ষক কে এম হুসনুজ্জাহিদ বলেন, ফেসবুকের স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার করা হলে বন্ধু, ছাত্র সবাই দেখতে পারে। কিন্তু গুগল প্লাসের সার্কেল এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে। বিডিঅলইনফোর তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সাদ্দাম হোসেন বলেন, গুগল প্লাস অনেক ভারী, খুলতে সময় নেয় অনেক বেশি। বাংলাদেশে জনপ্রিয় হতে হলে একে আরও হালকা করতে হবে।
https://plus.google.com হচ্ছে গুগল প্লাসের ঠিকানা। অনেকটাই ফেসবুকের আদলে তৈরি এ গুগল প্লাস। এখানে ফেসবুকের মতো নিজেদের মধ্যে নানা রকম চক্র (সার্কেল) তৈরি করা যাবে। ছবি ও ভিডিও রাখা যাবে। এতে রয়েছে ফটো ট্যাব, ভিডিও ট্যাব, +১ ট্যাব, বাজ ট্যাব। যাঁদের গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট নেই, তাঁরাও অন্যের গুগল প্লাস প্রোফাইল দেখতে পারবেন, যেটা ফেসবুকে সম্ভব নয়। আর এ সবই গুগল সার্চে দেখাবে কি না, তাও নির্ধারণ করা যাবে প্রোফাইলে।
কেমন এই গুগল+
গুগল প্লাস এখন মজিলা ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম এবং সাফারি দিয়ে খোলা যায়। এতে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো যায়। বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানাতে গুগল প্লাসের ডানের প্যানেলে (সদ্য যুক্ত হওয়া) Send invite -এর Invite people to join Google+-এ ক্লিক করতে হয়। যে উইন্ডো আসবে সেখানে +Add people to invite অংশে যাঁকে আমন্ত্রণ জানাতে চান, তাঁর ই-মেইল ঠিকানা লিখে Invite বাটনে ক্লিক করলে তাহলেই আপনার বন্ধুর ই-মেইলে গুগল+ ইনভাইটেশন চলে যাবে।
গুগল প্রোফাইল: এখন থেকে গুগল প্রোফাইল বলে আলাদা কোনো পেজ আর থাকছে না। গুগল প্রোফাইল গুগল প্লাসের প্রোফাইল হিসেবে ব্যবহূত হবে এবং গুগল প্রোফাইল লিংকে (যেমন, https://profiles.google.com/kmarsus) ঢুকলে তা চলে যাবে (ফরওয়ার্ড) গুগল প্লাসের প্রোফাইলে।
লেখা দেখানো: কোনো লেখা বা পোস্ট অন্যদের দেখাতে চান কি না, তা বলে দেওয়া যাবে এতে। এটা সবার জন্য (পাবলিক) নয়, নির্দিষ্ট সার্কেলের জন্য তা-ও ঠিক করে দেওয়া যাবে। এ জন্য Share বাটনের ওপর Add more people-এ ক্লিক করতে হবে।
গুগল +১: বেশ কিছুদিন আগে গুগল +১ বাটন এনেছে গুগল। এটা অনেকটা ফেসবুক লাইক বাটনের মতো। গুগল প্রোফাইলে +১ বাটন থাকলে তাতে Show this tab on my profile-এ ক্লিক করে +১ বাটন সক্রিয় করুন। আর যদি +১ বাটন না থাকে, তাহলে গুগলে সার্চ করুন এবং দেখুন ফলাফলের ডানে +১ বাটনে রয়েছে। এই ১ বাটনে ক্লিক করুন এবং নতুন উইন্ডো থেকে Confirm and +1 বাটনে ক্লিক করুন।
সার্কেল তৈরি এবং বন্ধুদের যুক্ত করা: সার্কেলকে বিভাগ বা ফেসবুকের তালিকার মতো বলা যায়। সার্কেল তৈরি করতে Circles-এ ক্লিক করে দেখা যাবে নিচে কতগুলো সার্কেল রয়েছে। এখানে বাঁয়ে Drop here to create a new circle-এ ক্লিক করে সার্কেল তৈরি করা যাবে। এখন বন্ধুদের সার্কেলের ওপর টেনে আনলেই হবে। এ ছাড়া কোনো বন্ধু বা প্রোফাইল সার্কেলে যুক্ত করা না থাকলে Add to circles-এ ক্লিক করে পছন্দের সার্কেলে যুক্ত করা যাবে।
জিমেইল থেকে: জিমেইল থেকে গুগল প্লাসে পোস্ট করতে চাইলে জিমেইলের ওপর ডানে Share-এ ক্লিক করে লিখে Share বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
জিমেইল নোটিফিকেশন: গুগল প্লাসে কোনো হালনাগাদ (আপডেট) এলে তা জিমেইলের ওপর ডানে Notifications-এ সংখ্যা দেখা যাবে। এখানে ক্লিক করে নোটিফিকেশনগুলো পাওয়া যাবে এবং নোটিফিকেশনটিতে ক্লিক করলে গুগল প্লাস পেজ খুলবে। এ ছাড়া ওপরে বাঁ পাশে গুগল প্লাসের একটি ট্যাবও থাকবে। এখানে ক্লিক করে গুগল প্লাসে যাওয়া যাবে।
জিমেইলে গুগল প্লাসের মেইল: গুগল প্লাসে কোনো হালনাগাদ এলে বা মন্তব্য করলে তা জিমেইলে ই-মেইল হিসেবে আসবে, যেমনটা গুগল বাজের ক্ষেত্রে আসে। তবে চাইলে গুগল প্লাসের সেটিংস থেকে এই মেইল আসা বন্ধ করা যাবে।
গুগল পিকাসা: গুগল পিকাসাতে থাকা ‘পাবলিক’ ছবির অ্যালবামগুলো গুগল প্লাসের ফটো ট্যাবে দেখা যাবে। আর গুগল প্লাস থেকে কোনো ছবি যুক্ত করলে তা গুগল পিকাসার স্ক্র্যাপবুক ফটোস অ্যালবামে যুক্ত হবে।
গুগল প্লাস থেকে মেইল করা: গুগল প্লাস থেকে কোনো বন্ধুকে সরাসরি মেইল করা যাবে, যা তার জিমেইলে পৌঁছে যাবে। এ জন্য বন্ধুর প্রোফাইলে বাঁ পাশে থাকা ছবির নিচে Send an Mail বাটনে ক্লিক করে মেইলের বিষয় এবং মেইল লিখে Send Mail বাটনে ক্লিক করলেই হবে। কোনো বন্ধুকে মেইল পাঠালে তা জিমেইলের ইনবক্সে এবং সেন্টে চলে আসবে।
মুঠোফোনে গুগল প্লাস: মুঠোফোনে গুগল প্লাস ব্যবহার করা যাবে m.google.com/plus ঠিকানার সাইট থেকে।
চ্যাট করা: গুগল প্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইন চ্যাট করা যাবে বাঁ পাশের Chat-এ ক্লিক করে।
হ্যাংআউটস: হ্যাংআউটস হচ্ছে বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও এবং ভয়েস চ্যাট করার ব্যবস্থা। ডানের প্যানেলে Start a Hangout-এ ক্লিক করলে নতুন একটি উইন্ডোতে হ্যাংআউটস চালু হবে। এ জন্য অবশ্য গুগল ভয়েস প্লাগইন ইনস্টল থাকতে হবে।
স্পার্কস: স্পার্কস হচ্ছে কোনো ওয়েবসাইটে ফিড থেকে তথ্য দেখার ব্যবস্থা। বাঁ পাশের Sparks-এ ক্লিক করলে কিছু ডিফল্ট স্পার্কস আসবে, এখানে কোনোটির ওপর ক্লিক করলে বা সার্চ বক্সে কোনো বিষয় বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে সার্চ করলে ফলাফল আসবে। স্পার্কটিকে সেভ করে রাখতে চাইলে অফ interest বাটনে ক্লিক করলে বাঁ পাশের প্যানেলে তা যুক্ত হবে।
সাজেশন: ফেসবুকের মতো Suggestions দেখা যাবে ডানের প্যানেলে।
গুগল প্লাস সেটিংস: গুগল প্লাস সেটিংস থেকে দরকারি কিছু পরিবর্তন করা যাবে, এ জন্য ওপরের ডানে Options বাটনে ক্লিক করে Google+ Settings-এ ক্লিক করে বিভিন্ন সেটিং পরিবর্তন করা যাবে। যেমন, মেইল হিসেবে আসা নোটিফিকেশন বন্ধ করা, প্রাইভেসি পরিবর্তন করা, ভাষা সেট করা, ডাটা ডাউনলোড করা, অন্য অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা এবং গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা ইত্যাদি।
ফেসবুক বনাম গুগল+
ফেসবুক এবং গুগল প্লাসের মধ্যে মিল অনেক। তবে কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে দুই সাইটেই।
গুগল+ এবং ফেসবুকের সাদৃশ্য
গুগল+ এ রয়েছে Stream, যা ফেসবুকে Status. যাতে লেখার পাশাপাশি ছবি, ভিডিও, ওয়েব ঠিকানা ভাগাভাগি করা যায়।
ছবিতে ট্যাগ এবং মন্তব্য করা যায় দুটিতেই।
নোটিফিকেশন ব্যবস্থা।
চ্যাট করার ব্যবস্থা।
দুটি সাইটেই বন্ধু খোঁজার ব্যবস্থা রয়েছে
ফেসবুকে লাইক আর গুগল প্লাসে +১
গুগল প্লাসে সার্কেল আর ফেসবুকে লিস্ট
গুগল প্লাসের বাড়তি সুবিধা
গুগল+ এ লোকেশন শেয়ার করা যায়।
গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং (হ্যাংআউটস) করা যায়।
গোপনীয়তার বিষয়টি যেভাবে গুগল প্লাসে দেখা হয়েছে, ততটা হয়নি ফেসবুকে।
গুগল প্লাস এখনো ফেসবুকের মতো অসংখ্য প্রোগ্রাম থেকে মুক্ত।
গুগল প্লাসে যা নেই
ফেসবুকে গ্রুপ, নোট, প্রচুর প্রোগ্রাম রয়েছে, যা গুগল+ এ নেই।
নেটিজেনদের মধ্যে এখন একটাই আলোচনা, ফেসবুকের একক আধিপত্যে ভাগ বসাতে যাচ্ছে গুগল + (প্লাস)। গুগলের সামাজিক যোগাযোগের নতুন এ সেবা কী সুবিধা দিচ্ছে? অনেকে তো রীতিমতো ব্যবহার করাই শুরু করে দিয়েছেন, বিশেষ করে অনেক অফিসেই ফেসবুকের ব্যবহার বন্ধ। সেসব অফিসের কর্মীরা যেন বিকল্প খুঁজে পেলেন গুগল প্লাসে।
৭ জুলাই থেকে গুগল প্লাস সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো এটা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। ফেসবুকের নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই আবির্ভূত হতে চাচ্ছে গুগল ইনকরপোরেটেডের গুগল +। গুগলের আরও দুটি সামাজিক সাইট অরকুট এবং গুগল বাজ হালে তেমন পানি না পেলেও গুগল প্লাস সামাজিক নেটওয়ার্ক হিসেবেই এসেছে। গুগল প্লাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটা জিমেইল থেকে সরাসরি ব্যবহার করা যায়, ফলে নতুন করে নাম, পাসওয়ার্ড দিয়ে এটায় ঢুকতে (লগ-ইন) হয় না।
ফেসবুকের সঙ্গে জনপ্রিয়তায় গুগল প্লাস পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এরই মধ্যে গুগল প্লাসের সদস্য সংখ্যা সারা বিশ্বে ২ কোটির মতো। বাংলাদেশেও অনেকে এটি ব্যবহার করছেন। জেন্ড সনদপ্রাপ্ত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হাসিন হায়দার বলেন, ‘গুগল প্লাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ছবি শেয়ারিং। ছবির মান এবং স্টাইল অনেক দিক দিয়েই ফেসবুকের চেয়ে ব্যতিক্রম। এ ছাড়া তেমন কোনো পার্থক্য চোখে পড়েনি।
টেকনো ভিলা সলিউশনের পরিচালক মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, গুগল প্লাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক আমার দৃষ্টিতে ‘সার্কেল’, যার মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের বন্ধুদের খুব সহজেই আলাদা করা যায়।’ হলিক্রস কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী নিশাত সালসাবিল জানায়, নতুন যেকোনো কিছুই সবার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়। এ ছাড়া গুগল প্লাস আসায় একটা নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। যেটা হয়তো ফেসবুককে আরও এগিয়ে নেবে।
কলেজশিক্ষক কে এম হুসনুজ্জাহিদ বলেন, ফেসবুকের স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার করা হলে বন্ধু, ছাত্র সবাই দেখতে পারে। কিন্তু গুগল প্লাসের সার্কেল এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে। বিডিঅলইনফোর তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সাদ্দাম হোসেন বলেন, গুগল প্লাস অনেক ভারী, খুলতে সময় নেয় অনেক বেশি। বাংলাদেশে জনপ্রিয় হতে হলে একে আরও হালকা করতে হবে।
https://plus.google.com হচ্ছে গুগল প্লাসের ঠিকানা। অনেকটাই ফেসবুকের আদলে তৈরি এ গুগল প্লাস। এখানে ফেসবুকের মতো নিজেদের মধ্যে নানা রকম চক্র (সার্কেল) তৈরি করা যাবে। ছবি ও ভিডিও রাখা যাবে। এতে রয়েছে ফটো ট্যাব, ভিডিও ট্যাব, +১ ট্যাব, বাজ ট্যাব। যাঁদের গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট নেই, তাঁরাও অন্যের গুগল প্লাস প্রোফাইল দেখতে পারবেন, যেটা ফেসবুকে সম্ভব নয়। আর এ সবই গুগল সার্চে দেখাবে কি না, তাও নির্ধারণ করা যাবে প্রোফাইলে।
কেমন এই গুগল+
গুগল প্লাস এখন মজিলা ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম এবং সাফারি দিয়ে খোলা যায়। এতে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো যায়। বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানাতে গুগল প্লাসের ডানের প্যানেলে (সদ্য যুক্ত হওয়া) Send invite -এর Invite people to join Google+-এ ক্লিক করতে হয়। যে উইন্ডো আসবে সেখানে +Add people to invite অংশে যাঁকে আমন্ত্রণ জানাতে চান, তাঁর ই-মেইল ঠিকানা লিখে Invite বাটনে ক্লিক করলে তাহলেই আপনার বন্ধুর ই-মেইলে গুগল+ ইনভাইটেশন চলে যাবে।
গুগল প্রোফাইল: এখন থেকে গুগল প্রোফাইল বলে আলাদা কোনো পেজ আর থাকছে না। গুগল প্রোফাইল গুগল প্লাসের প্রোফাইল হিসেবে ব্যবহূত হবে এবং গুগল প্রোফাইল লিংকে (যেমন, https://profiles.google.com/kmarsus) ঢুকলে তা চলে যাবে (ফরওয়ার্ড) গুগল প্লাসের প্রোফাইলে।
লেখা দেখানো: কোনো লেখা বা পোস্ট অন্যদের দেখাতে চান কি না, তা বলে দেওয়া যাবে এতে। এটা সবার জন্য (পাবলিক) নয়, নির্দিষ্ট সার্কেলের জন্য তা-ও ঠিক করে দেওয়া যাবে। এ জন্য Share বাটনের ওপর Add more people-এ ক্লিক করতে হবে।
গুগল +১: বেশ কিছুদিন আগে গুগল +১ বাটন এনেছে গুগল। এটা অনেকটা ফেসবুক লাইক বাটনের মতো। গুগল প্রোফাইলে +১ বাটন থাকলে তাতে Show this tab on my profile-এ ক্লিক করে +১ বাটন সক্রিয় করুন। আর যদি +১ বাটন না থাকে, তাহলে গুগলে সার্চ করুন এবং দেখুন ফলাফলের ডানে +১ বাটনে রয়েছে। এই ১ বাটনে ক্লিক করুন এবং নতুন উইন্ডো থেকে Confirm and +1 বাটনে ক্লিক করুন।
সার্কেল তৈরি এবং বন্ধুদের যুক্ত করা: সার্কেলকে বিভাগ বা ফেসবুকের তালিকার মতো বলা যায়। সার্কেল তৈরি করতে Circles-এ ক্লিক করে দেখা যাবে নিচে কতগুলো সার্কেল রয়েছে। এখানে বাঁয়ে Drop here to create a new circle-এ ক্লিক করে সার্কেল তৈরি করা যাবে। এখন বন্ধুদের সার্কেলের ওপর টেনে আনলেই হবে। এ ছাড়া কোনো বন্ধু বা প্রোফাইল সার্কেলে যুক্ত করা না থাকলে Add to circles-এ ক্লিক করে পছন্দের সার্কেলে যুক্ত করা যাবে।
জিমেইল থেকে: জিমেইল থেকে গুগল প্লাসে পোস্ট করতে চাইলে জিমেইলের ওপর ডানে Share-এ ক্লিক করে লিখে Share বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
জিমেইল নোটিফিকেশন: গুগল প্লাসে কোনো হালনাগাদ (আপডেট) এলে তা জিমেইলের ওপর ডানে Notifications-এ সংখ্যা দেখা যাবে। এখানে ক্লিক করে নোটিফিকেশনগুলো পাওয়া যাবে এবং নোটিফিকেশনটিতে ক্লিক করলে গুগল প্লাস পেজ খুলবে। এ ছাড়া ওপরে বাঁ পাশে গুগল প্লাসের একটি ট্যাবও থাকবে। এখানে ক্লিক করে গুগল প্লাসে যাওয়া যাবে।
জিমেইলে গুগল প্লাসের মেইল: গুগল প্লাসে কোনো হালনাগাদ এলে বা মন্তব্য করলে তা জিমেইলে ই-মেইল হিসেবে আসবে, যেমনটা গুগল বাজের ক্ষেত্রে আসে। তবে চাইলে গুগল প্লাসের সেটিংস থেকে এই মেইল আসা বন্ধ করা যাবে।
গুগল পিকাসা: গুগল পিকাসাতে থাকা ‘পাবলিক’ ছবির অ্যালবামগুলো গুগল প্লাসের ফটো ট্যাবে দেখা যাবে। আর গুগল প্লাস থেকে কোনো ছবি যুক্ত করলে তা গুগল পিকাসার স্ক্র্যাপবুক ফটোস অ্যালবামে যুক্ত হবে।
গুগল প্লাস থেকে মেইল করা: গুগল প্লাস থেকে কোনো বন্ধুকে সরাসরি মেইল করা যাবে, যা তার জিমেইলে পৌঁছে যাবে। এ জন্য বন্ধুর প্রোফাইলে বাঁ পাশে থাকা ছবির নিচে Send an Mail বাটনে ক্লিক করে মেইলের বিষয় এবং মেইল লিখে Send Mail বাটনে ক্লিক করলেই হবে। কোনো বন্ধুকে মেইল পাঠালে তা জিমেইলের ইনবক্সে এবং সেন্টে চলে আসবে।
মুঠোফোনে গুগল প্লাস: মুঠোফোনে গুগল প্লাস ব্যবহার করা যাবে m.google.com/plus ঠিকানার সাইট থেকে।
চ্যাট করা: গুগল প্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইন চ্যাট করা যাবে বাঁ পাশের Chat-এ ক্লিক করে।
হ্যাংআউটস: হ্যাংআউটস হচ্ছে বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও এবং ভয়েস চ্যাট করার ব্যবস্থা। ডানের প্যানেলে Start a Hangout-এ ক্লিক করলে নতুন একটি উইন্ডোতে হ্যাংআউটস চালু হবে। এ জন্য অবশ্য গুগল ভয়েস প্লাগইন ইনস্টল থাকতে হবে।
স্পার্কস: স্পার্কস হচ্ছে কোনো ওয়েবসাইটে ফিড থেকে তথ্য দেখার ব্যবস্থা। বাঁ পাশের Sparks-এ ক্লিক করলে কিছু ডিফল্ট স্পার্কস আসবে, এখানে কোনোটির ওপর ক্লিক করলে বা সার্চ বক্সে কোনো বিষয় বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে সার্চ করলে ফলাফল আসবে। স্পার্কটিকে সেভ করে রাখতে চাইলে অফ interest বাটনে ক্লিক করলে বাঁ পাশের প্যানেলে তা যুক্ত হবে।
সাজেশন: ফেসবুকের মতো Suggestions দেখা যাবে ডানের প্যানেলে।
গুগল প্লাস সেটিংস: গুগল প্লাস সেটিংস থেকে দরকারি কিছু পরিবর্তন করা যাবে, এ জন্য ওপরের ডানে Options বাটনে ক্লিক করে Google+ Settings-এ ক্লিক করে বিভিন্ন সেটিং পরিবর্তন করা যাবে। যেমন, মেইল হিসেবে আসা নোটিফিকেশন বন্ধ করা, প্রাইভেসি পরিবর্তন করা, ভাষা সেট করা, ডাটা ডাউনলোড করা, অন্য অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা এবং গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা ইত্যাদি।
ফেসবুক বনাম গুগল+
ফেসবুক এবং গুগল প্লাসের মধ্যে মিল অনেক। তবে কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে দুই সাইটেই।
গুগল+ এবং ফেসবুকের সাদৃশ্য
গুগল+ এ রয়েছে Stream, যা ফেসবুকে Status. যাতে লেখার পাশাপাশি ছবি, ভিডিও, ওয়েব ঠিকানা ভাগাভাগি করা যায়।
ছবিতে ট্যাগ এবং মন্তব্য করা যায় দুটিতেই।
নোটিফিকেশন ব্যবস্থা।
চ্যাট করার ব্যবস্থা।
দুটি সাইটেই বন্ধু খোঁজার ব্যবস্থা রয়েছে
ফেসবুকে লাইক আর গুগল প্লাসে +১
গুগল প্লাসে সার্কেল আর ফেসবুকে লিস্ট
গুগল প্লাসের বাড়তি সুবিধা
গুগল+ এ লোকেশন শেয়ার করা যায়।
গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং (হ্যাংআউটস) করা যায়।
গোপনীয়তার বিষয়টি যেভাবে গুগল প্লাসে দেখা হয়েছে, ততটা হয়নি ফেসবুকে।
গুগল প্লাস এখনো ফেসবুকের মতো অসংখ্য প্রোগ্রাম থেকে মুক্ত।
গুগল প্লাসে যা নেই
ফেসবুকে গ্রুপ, নোট, প্রচুর প্রোগ্রাম রয়েছে, যা গুগল+ এ নেই।
Friday, July 8, 2011
কপি-পেস্ট করুন আরও সহজে |
যখন কোনো ফাইল বা ফোল্ডার কম্পিউটার থেকে কপি করে পেনড্রাইভ বা অন্য কিছুতে নিতে ওই ফাইল বা ফোল্ডারটির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Send To Pendrive-এ ক্লিক করলেই হয়। কিন্তু যখন পেনড্রাইভ থেকে কোনো কিছু কপি করে কম্পিউটারে রাখতে চান বা হার্ডডিস্কের এক ড্রাইভ থেকে অন্য ড্রাইভে নিতে চান, তখন ওই ড্রাইভে গিয়ে পেস্ট করতে হয়। এভাবে কপি-পেস্ট করলে অনেক সময় লাগে এবং কোনো ড্রাইভে ভাইরাস থাকলে তা অন্যান্য ড্রাইভেও ছড়িয়ে পড়ে। অথচ এই কপি-পেস্টের কাজগুলো আমরা ইচ্ছা করলে অন্যান্য ড্রাইভে না গিয়েও খুব সহজেই করতে পারি।
এর জন্য প্রথমে Start থেকে Run-এ ক্লিক করে regedit লিখে OK করুন। এখন HKEY_CLASSES_ ROOT\AllFileSystemObjects\shellex ঠিকানায় গিয়ে ContextMenuHandlers-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে দুটি নতুন key তৈরি করুন। নাম দিন Copy To এবং Move To। এখন Copy To নির্বাচন করে ডান পাশ থেকে default-এ ডবল ক্লিক করে Value Data-তে {C2FBB630-2971-11d1-A18C-00C04FD75D13} লিখে OK করুন; এবং Move To নির্বাচন করে ডান পাশ থেকে default-এ ডবল ক্লিক করে Value Data-তে {C2FBB631-2971-11d1-A18C-00C04FD75D13} লিখে OK করে বেরিয়ে আসুন।
এখন যে ফাইল বা ফোল্ডারটি কপি-পেস্ট বা কাট-পেস্ট করতে চান, সেটির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Copy To Folder (কপি করার জন্য) বা Move To Folder (কাট করার জন্য)-এ ক্লিক করে কোথায় পেস্ট করতে চান, তা নির্বাচন করে দিয়ে Copy বা Move-এ ক্লিক করুন। —মো. আমিনুর রহমান
এর জন্য প্রথমে Start থেকে Run-এ ক্লিক করে regedit লিখে OK করুন। এখন HKEY_CLASSES_ ROOT\AllFileSystemObjects\shellex ঠিকানায় গিয়ে ContextMenuHandlers-এর ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে দুটি নতুন key তৈরি করুন। নাম দিন Copy To এবং Move To। এখন Copy To নির্বাচন করে ডান পাশ থেকে default-এ ডবল ক্লিক করে Value Data-তে {C2FBB630-2971-11d1-A18C-00C04FD75D13} লিখে OK করুন; এবং Move To নির্বাচন করে ডান পাশ থেকে default-এ ডবল ক্লিক করে Value Data-তে {C2FBB631-2971-11d1-A18C-00C04FD75D13} লিখে OK করে বেরিয়ে আসুন।
এখন যে ফাইল বা ফোল্ডারটি কপি-পেস্ট বা কাট-পেস্ট করতে চান, সেটির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Copy To Folder (কপি করার জন্য) বা Move To Folder (কাট করার জন্য)-এ ক্লিক করে কোথায় পেস্ট করতে চান, তা নির্বাচন করে দিয়ে Copy বা Move-এ ক্লিক করুন। —মো. আমিনুর রহমান
Wednesday, June 22, 2011
সক্রিয় করুন উইন্ডোজের নিষ্ক্রিয় প্রোগ্রাম
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় ভাইরাসের কারণে ফোল্ডার অপশন, টাস্ক ম্যানেজার, কন্ট্রোল প্যানেল, সিস্টেম রিস্টোর, রান মেনু, কনটেক্সট মেনু, মাই কম্পিউটার, সার্চ অপশন, কমান্ড কনসোল, রেজিস্ট্রি এডিটর, এমএস কনফিগার ইত্যাদি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম নিষ্ক্রিয় হয়ে থাকে।‘রি-এনাবল’ নামের একটি সফটওয়্যার দিয়ে আপনি সহজেই এসব ইউটিলিটি সক্রিয় করতে পারবেন। মাত্র ৭৭৩ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি http://mediafire.com/ ?sl7aoa2ed9zl7zh ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নিন। এরপর জিপ ফাইলটি খুলুন।সফটওয়্যারটি বহনযোগ্য (পোর্টেবল) বলে ইনস্টলের ঝামেলা নেই। সফটওয়্যারটি খুলে যে ইউটিলিটি নিষ্ক্রিয় রয়েছে, সেটির নাম নির্বাচন করে Re-enable বাটনে ক্লিক করলেই ওই ইউটিলিটি সক্রিয় হয়ে যাবে। এ ছাড়া এই সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি আরও অনেক কাজ করতে পারবেন। যেমন: autorun.inf ভাইরাস শনাক্ত করা, ডেস্কটপ রিপেয়ার করা, ফোল্ডারের এট্রিবিউট পরিবর্তন করা ইত্যাদি। —খালেদ মাহমুদ খান
Saturday, June 4, 2011
উইন্ডোজ আটের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করেছে মাইক্রোসফট
শীর্ষ সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট করপোরেশন তাদের পরবর্তী অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ আটের কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে। এতে উইন্ডোজের আগের সংস্করণের চেয়ে অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন অপারেটিং সিস্টেমে স্পর্শ-ভিত্তিক (টাচস্ক্রিনের জন্য) ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
উইন্ডোজের নতুন সংস্করণের নকশায় স্টার্ট মেনুর পরিবর্তে থাকবে রঙিন স্টার্ট স্ক্রিন। এই স্ক্রিনে প্রোগ্রামের স্থির আইকন ও উইজেট (লাইভ টাইলস) থাকবে, যা ক্রমাগত হালনাগাদের তথ্য জানাবে।
উইন্ডোজ আটে গুগলের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের মতো সহজেই এক প্রোগ্রাম থেকে আরেক প্রোগ্রামে যাওয়া যাবে। অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে আবহাওয়া, পুঁজিবাজার, খবর ইত্যাদির আলাদা আলাদা প্রোগ্রাম। আসন্ন ওয়েব ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ১০-এর সঙ্গেও এটি ব্যবহার করা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। —ডিজিটাল ট্রেন্ডস অবলম্বনে আবুল হোসেন
উইন্ডোজের নতুন সংস্করণের নকশায় স্টার্ট মেনুর পরিবর্তে থাকবে রঙিন স্টার্ট স্ক্রিন। এই স্ক্রিনে প্রোগ্রামের স্থির আইকন ও উইজেট (লাইভ টাইলস) থাকবে, যা ক্রমাগত হালনাগাদের তথ্য জানাবে।
উইন্ডোজ আটে গুগলের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের মতো সহজেই এক প্রোগ্রাম থেকে আরেক প্রোগ্রামে যাওয়া যাবে। অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে রয়েছে আবহাওয়া, পুঁজিবাজার, খবর ইত্যাদির আলাদা আলাদা প্রোগ্রাম। আসন্ন ওয়েব ব্রাউজার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ১০-এর সঙ্গেও এটি ব্যবহার করা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। —ডিজিটাল ট্রেন্ডস অবলম্বনে আবুল হোসেন
Sunday, May 22, 2011
মোবাইল ফোনে তথ্য রাখুন কম্পিউটারে
আজকাল অনেকেই পরিচিত সবার নাম, মোবাইল ফোন নম্বর, ঠিকানা ইত্যাদি নিজের মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করেন।যেকোনো সময় মোবাইল ফোনটি চুরি-ছিনতাই হতে পারে, হারিয়ে যেতে পারে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তখন
গুরুত্বপূর্ণ নম্বর, তথ্যও হারিয়ে যাবে। আবার অনেক সময় বিভিন্ন কারণে মোবাইল ফোনের মেমোরি ফ্ল্যাশ করতে হয়। তখনো সব তথ্যই মুছে যায়। এর একটি সমাধান—মোবাইল ফোনের সব তথ্য কম্পিউটারে রেখে দেওয়া (ব্যাক-আপ)।
কম্পিউটারে মোবাইল ফোনের তথ্য রাখার জন্য নকিয়া ফোনসেটের জন্য নকিয়া পিসি স্য্যুইট ইনস্টলকরতে হবে।এটি পাওয়া যাবে http://www.nokia-asia.com/support/ download-software/nokia-pc-suites/compatibility-and-download#download ঠিকানার ওয়েবসাইটে।তারপর ফোনটি ডেটা ক্যাবলের সাহায্যে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এখন Nokia PC Suite খুলে Backup আইকনে ক্লিক করুন (File\Backup)। আবার Backup-এ ক্লিক করলে আপনি কী কী ব্যাকআপ রাখতে চান, সেগুলোর একটি তালিকা আসবে। সেখান থেকে পছন্দমতো কয়েকটি বা সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Next-এ ক্লিক করুন। ব্যাকআপ ফাইলটি কোথায় সেভ হবে, তার একটি লিংক আসবে। এখন আবার Next-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন, দেখবেন কম্পিউটারে আপনার মোবাইল ফোনের ব্যাকআপ তৈরি হয়ে গেছে।
মোবাইল ফোনের ব্যাকআপ কম্পিউটার থেকে আবার মোবাইলে আনার জন্য (রিস্টোর) একইভাবে পিসি স্যুইট খুলেBackup-এ ক্লিক করুন। তারপর Restore-এ ক্লিক করে পরপর দুবার Next-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন, দেখবেন মোবাইল ফোনে সব তথ্য জমা হয়ে গেছে।
—মো. আমিনুর রহমান
গুরুত্বপূর্ণ নম্বর, তথ্যও হারিয়ে যাবে। আবার অনেক সময় বিভিন্ন কারণে মোবাইল ফোনের মেমোরি ফ্ল্যাশ করতে হয়। তখনো সব তথ্যই মুছে যায়। এর একটি সমাধান—মোবাইল ফোনের সব তথ্য কম্পিউটারে রেখে দেওয়া (ব্যাক-আপ)।
কম্পিউটারে মোবাইল ফোনের তথ্য রাখার জন্য নকিয়া ফোনসেটের জন্য নকিয়া পিসি স্য্যুইট ইনস্টলকরতে হবে।এটি পাওয়া যাবে http://www.nokia-asia.com/support/ download-software/nokia-pc-suites/compatibility-and-download#download ঠিকানার ওয়েবসাইটে।তারপর ফোনটি ডেটা ক্যাবলের সাহায্যে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করুন। এখন Nokia PC Suite খুলে Backup আইকনে ক্লিক করুন (File\Backup)। আবার Backup-এ ক্লিক করলে আপনি কী কী ব্যাকআপ রাখতে চান, সেগুলোর একটি তালিকা আসবে। সেখান থেকে পছন্দমতো কয়েকটি বা সবগুলো বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Next-এ ক্লিক করুন। ব্যাকআপ ফাইলটি কোথায় সেভ হবে, তার একটি লিংক আসবে। এখন আবার Next-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন, দেখবেন কম্পিউটারে আপনার মোবাইল ফোনের ব্যাকআপ তৈরি হয়ে গেছে।
মোবাইল ফোনের ব্যাকআপ কম্পিউটার থেকে আবার মোবাইলে আনার জন্য (রিস্টোর) একইভাবে পিসি স্যুইট খুলেBackup-এ ক্লিক করুন। তারপর Restore-এ ক্লিক করে পরপর দুবার Next-এ ক্লিক করে কিছু সময় অপেক্ষা করুন, দেখবেন মোবাইল ফোনে সব তথ্য জমা হয়ে গেছে।
—মো. আমিনুর রহমান
Wednesday, May 4, 2011
বাড়তি সফটওয়্যার ছাড়াই পেনড্রাইভের অটোরান বন্ধ
ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহার করা হয় পেনড্রাইভ। কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়ানোর জন্যও দায়ী পেনড্রাইভ। ডেটা স্থানান্তরের জন্য যখন কম্পিউটারে পেনড্রাইভ যুক্ত করা হয়, তখন অনেক সময় পেনড্রাইভ স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটোরান) খুলে যায় এবং পেনড্রাইভে ভাইরাস থাকলে তা কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।
পেনড্রাইভের অটোপ্লে বা অটোরান বন্ধ করার জন্য প্রথমে Start মেনু থেকে Run-এ ক্লিক করে gpedit.msc লিখে Ok-তে ক্লিক করুন। যে উইন্ডোটি আসবে সেটিতে User configuration-এর বাঁ পাশের (+)-এ ক্লিক করে Administrative Templates-এর বাঁ পাশের (+)-এ ক্লিক করুন। তারপর System-এ ক্লিক করলে দেখবেন ডান পাশের উইন্ডোতে Turn off Autoplay নামে একটি লেখা এসেছে। সেটিতে দুই ক্লিক করে Enable নির্বাচন করুন।Turn off Autoplay on অংশে All drives নির্বাচন করে Ok করে বেরিয়ে আসুন।
পেনড্রাইভ কখনো দুই ক্লিক করে খুলবেন না। প্রয়োজনে অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে ফোল্ডার অপশনের সাহায্যে বা মাই কম্পিউটারের অ্যাড্রেসবারের মেনুতে ক্লিক করে পেনড্রাইভ নির্বাচন করে খুলুন। —মো. আমিনুর রহমান
পেনড্রাইভের অটোপ্লে বা অটোরান বন্ধ করার জন্য প্রথমে Start মেনু থেকে Run-এ ক্লিক করে gpedit.msc লিখে Ok-তে ক্লিক করুন। যে উইন্ডোটি আসবে সেটিতে User configuration-এর বাঁ পাশের (+)-এ ক্লিক করে Administrative Templates-এর বাঁ পাশের (+)-এ ক্লিক করুন। তারপর System-এ ক্লিক করলে দেখবেন ডান পাশের উইন্ডোতে Turn off Autoplay নামে একটি লেখা এসেছে। সেটিতে দুই ক্লিক করে Enable নির্বাচন করুন।Turn off Autoplay on অংশে All drives নির্বাচন করে Ok করে বেরিয়ে আসুন।
পেনড্রাইভ কখনো দুই ক্লিক করে খুলবেন না। প্রয়োজনে অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে ফোল্ডার অপশনের সাহায্যে বা মাই কম্পিউটারের অ্যাড্রেসবারের মেনুতে ক্লিক করে পেনড্রাইভ নির্বাচন করে খুলুন। —মো. আমিনুর রহমান
Friday, April 29, 2011
ফেসবুকে নিরাপদ থাকবেন যেভাবে
নানা কারণে অনেক সময় ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকড হয়ে যায়। তবে নিরাপত্তাব্যবস্থা সবল করে হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা দূর করা যায়। আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তাব্যবস্থা সবল না দুর্বল, তা আপনি যাচাই করে নিতে পারেন। এ জন্য ফেসবুকে ঢুকে www.facebook.com/update_security_info.php?wizard=1&src=netego ঠিকানায় যান। যদি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তাব্যবস্থা সবল হয়, তাহলে Strong (সবুজ রং চিহ্নিত) লেখা থাকবে। যদি নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল হয়, তাহলে low (লাল রং চিহ্নিত) লেখা থাকবে। এ রকম নিরাপত্তাব্যবস্থা সবল করার জন্য আপনাকে তিনটি অপশন দেওয়া হবে। প্রথম অপশন থেকে আপনি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একাধিক মেইল যোগ করবেন। দ্বিতীয় অপশনে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আপনার মুঠোফোন নম্বর যোগ করতে হবে। তৃতীয় অপশনে নিরাপত্তা প্রশ্ন যোগ করুন।
মনে রাখবেন, হ্যাকাররা সাধারণত প্রথমে ই-মেইল আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করে। ওপরের ধাপগুলো পূরণ করলে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হলেও তা পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা থাকবে। এ ছাড়া ওপরে ডানে Account/Account Settings/ Account Security অপশনে গিয়ে ডান পাশের change অপশনের চেকবক্সগুলোতে টিকচিহ্ন দিয়ে সেভ করুন। এর পর থেকে ফেসবুকে লগইন করলে Name New Computer নামের একটি পেজ আসবে। এখানে কম্পিউটারের যেকোনো একটি নাম দিয়ে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন থেকে আপনার ফেসবুক আইডি লগইন করলে আপনার ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরে (যদি মোবাইল অপারেটর ফেসবুক এসএমএস সাপোর্ট করে) একটি বার্তা আসবে। ওই বার্তায় লেখা থাকবে সর্বশেষ কখন কোন নাম দিয়ে আপনার ফেসবুক আইডিটি লগইন করা হয়েছে। যদি আপনি ওই নাম দিয়ে ফেসবুকে লগইন করে না থাকেন, তাহলে দ্রুত ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন। নিরাপত্তার জন্য আপনি আরও কিছু বিষয় খেয়াল করতে পারেন। যেমন ফেসবুকে কেউ আপনাকে সন্দেহজনক কোনো লিংকে ক্লিক করতে বললে সে লিংকে ক্লিক করবেন না। ফেসবুক প্রোফাইলে অপ্রয়োজনীয় অথবা সন্দেহজনক কোনো Application যোগ করবেন না। ফেসবুক Application কিছু কিছু স্প্যাম ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখে। আপনার প্রোফাইলে যোগ করা এর তালিকা account/privacy settings/edit your settings (application and website) অপশনে গিয়ে দেখতে পারবেন। এখান app you use ট্যাবের Remove অপশনে ক্লিক করুন এবং সন্দেহজনক Application তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিন।
—খালেদ মাহমুদ খান
মনে রাখবেন, হ্যাকাররা সাধারণত প্রথমে ই-মেইল আইডি হ্যাক করার চেষ্টা করে। ওপরের ধাপগুলো পূরণ করলে আপনার ফেসবুক আইডি হ্যাক হলেও তা পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা থাকবে। এ ছাড়া ওপরে ডানে Account/Account Settings/ Account Security অপশনে গিয়ে ডান পাশের change অপশনের চেকবক্সগুলোতে টিকচিহ্ন দিয়ে সেভ করুন। এর পর থেকে ফেসবুকে লগইন করলে Name New Computer নামের একটি পেজ আসবে। এখানে কম্পিউটারের যেকোনো একটি নাম দিয়ে Continue বাটনে ক্লিক করুন। এখন থেকে আপনার ফেসবুক আইডি লগইন করলে আপনার ই-মেইল এবং মোবাইল নম্বরে (যদি মোবাইল অপারেটর ফেসবুক এসএমএস সাপোর্ট করে) একটি বার্তা আসবে। ওই বার্তায় লেখা থাকবে সর্বশেষ কখন কোন নাম দিয়ে আপনার ফেসবুক আইডিটি লগইন করা হয়েছে। যদি আপনি ওই নাম দিয়ে ফেসবুকে লগইন করে না থাকেন, তাহলে দ্রুত ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন। নিরাপত্তার জন্য আপনি আরও কিছু বিষয় খেয়াল করতে পারেন। যেমন ফেসবুকে কেউ আপনাকে সন্দেহজনক কোনো লিংকে ক্লিক করতে বললে সে লিংকে ক্লিক করবেন না। ফেসবুক প্রোফাইলে অপ্রয়োজনীয় অথবা সন্দেহজনক কোনো Application যোগ করবেন না। ফেসবুক Application কিছু কিছু স্প্যাম ছড়িয়ে দিতে ভূমিকা রাখে। আপনার প্রোফাইলে যোগ করা এর তালিকা account/privacy settings/edit your settings (application and website) অপশনে গিয়ে দেখতে পারবেন। এখান app you use ট্যাবের Remove অপশনে ক্লিক করুন এবং সন্দেহজনক Application তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিন।
—খালেদ মাহমুদ খান
জোলির পারিশ্রমিক
অ্যাঞ্জেলিনা জোলি
ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে আপনার ছবি!
কম্পিউটারে অনেক সময় আমরা সফটওয়ারের সাহায্যে ছবি সম্পাদনা করে থাকি। আপনি ইচ্ছা করলে ছবি সম্পাদনা করে বিশ্বখ্যাত পত্রিকার প্রচ্ছদে আপনার ছবি যুক্ত করতে পারেন। এ রকম কিছু মজার সাইট রয়েছে, যেখানে নিজের ছবি দিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জনপ্রিয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজের ছবি যুক্ত করা যায়। এ রকম কিছু সাইটের ঠিকানা দেওয়া হলো:
www.mycoverpics.com
www.mypictureonmagazine.com
www.yourcover.com
www.paparazzied.com
www.covervision.com
www.magofun.com
www.oncoverpage.com
www.fakemagazines.com
www.magmypic.com
— খালেদ মাহমুদ খান
www.mycoverpics.com
www.mypictureonmagazine.com
www.yourcover.com
www.paparazzied.com
www.covervision.com
www.magofun.com
www.oncoverpage.com
www.fakemagazines.com
www.magmypic.com
— খালেদ মাহমুদ খান
Wednesday, April 27, 2011
সহজেই ভিডিও নামানো
ইউটিউব, ফেসবুক অথবা অন্য ওয়েবসাইটে ভিডিও সহজে দেখা গেলেও ভিডিও নামানোর সহজ কোনো উপায় থাকে না। ভিডিও ডাউনলোডার সফটওয়ার ব্যবহার করে তখন ভিডিওটি নামাতে হয়। এমনি একটি সফটওয়ার ফ্রিমেক ভিডিও ডাউনলোডার। ইউটিউব, ফেসবুক, মেটাক্যাফেসহ অর্ধশতাধিক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট থেকে এর মাধ্যমে ভিডিও নামানো যায়। এতে ভিডিওকে AVI, MKV, MP3 ইত্যাদি ফরম্যাটে রূপান্তর করার সুবিধাও রয়েছে। সফটওয়ারটি http://www.freemake.com/free^video^downloader ঠিকানা থেকে নামানো যাবে।
সাজিদুল হক
সাজিদুল হক
Wednesday, April 13, 2011
ইউটিউবে ভিডিওর নিচে ডাউনলোড অপশন
ভিডিও দেখার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইউটিউবের ভিডিও নামানোর জন্য (ডাউনলোড) সরাসরি কোনো লিংক না থাকায় তা সংগ্রহে অনেক সমস্যা হয়। ওয়েবসাইট দেখার সফটওয়্যার মজিলা ফায়ারফক্সের সঙ্গে কয়েক কিলোবাইটের ছোট একটি সফটওয়্যার যোগ করে খুব সহজেই ইউটিউবের ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।
https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/ downloads/latest/10137 ঠিকানার ওয়েবসাইটে গেলে নতুন একটি উইন্ডো আসবে। সেখান থেকে Install Now-এ ক্লিক করলে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল হবে। এরপর Restart Firefox বাটনে ক্লিক করলে মজিলা ফায়ারফক্স বন্ধ হয়ে আবার খুলবে। এখন ইউটিউবের যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান, মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার দিয়ে সেটি খুললে দেখা যাবে ভিডিওটির নিচে Download As নামের একটি বাটন। সেখানে ক্লিক করলে FLV, 3GP, MP4, HD, Full-HD, MP3 প্রভৃতি লেখা দেখা যাবে। এগুলো ভিডিওর ফরম্যাট। যে লেখায় ক্লিক করবেন, ইউটিউবের ভিডিওটি সেই ফরম্যাটে ডাউনলোড হবে। —মো. আমিনুর রহমান
https://addons.mozilla.org/en-US/firefox/ downloads/latest/10137 ঠিকানার ওয়েবসাইটে গেলে নতুন একটি উইন্ডো আসবে। সেখান থেকে Install Now-এ ক্লিক করলে একটি সফটওয়্যার ইনস্টল হবে। এরপর Restart Firefox বাটনে ক্লিক করলে মজিলা ফায়ারফক্স বন্ধ হয়ে আবার খুলবে। এখন ইউটিউবের যে ভিডিওটি ডাউনলোড করতে চান, মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজার দিয়ে সেটি খুললে দেখা যাবে ভিডিওটির নিচে Download As নামের একটি বাটন। সেখানে ক্লিক করলে FLV, 3GP, MP4, HD, Full-HD, MP3 প্রভৃতি লেখা দেখা যাবে। এগুলো ভিডিওর ফরম্যাট। যে লেখায় ক্লিক করবেন, ইউটিউবের ভিডিওটি সেই ফরম্যাটে ডাউনলোড হবে। —মো. আমিনুর রহমান
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার ই-বই
ওয়েবে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার বাংলা ই-বই বাংলায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নামে একটি ই-বই প্রকাশিত হয়েছে।
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি, কিভাবে করা যায়, কিভাবে এসইঅ শিখে আয় করা যায় ইত্যাদি নিয়ে ই-বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে। ই-বইটি লিখেছেন জাকারিয়া চৌধুরী ও পার্থ সারথি কর।http://banglay-seo.blogspot.com ঠিকানার সাইট থেকে ই-বইটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। —বিজ্ঞপ্তি
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি, কিভাবে করা যায়, কিভাবে এসইঅ শিখে আয় করা যায় ইত্যাদি নিয়ে ই-বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে। ই-বইটি লিখেছেন জাকারিয়া চৌধুরী ও পার্থ সারথি কর।http://banglay-seo.blogspot.com ঠিকানার সাইট থেকে ই-বইটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। —বিজ্ঞপ্তি
Monday, April 11, 2011
নিজেই তৈরি করুন ক্রিকেট চ্যানেল
বিশ্বকাপের উত্তেজনা শেষ হতে না হতেই শুরু হয়ে গেল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ আইপিএল। অনলাইনে অর্থাৎ ওয়েবে ক্রিকেট খেলা দেখার জন্য নিজেই তৈরি করতে পারেন একটি ক্রিকেট চ্যানেল। আর এ চ্যানেল তৈরি করার কাজটি বিনা মূল্যে করার সুযোগ দিচ্ছে mips tv। ক্রিকেট চ্যানেল তৈরি করার জন্য প্রথমে http://www.mips.tv ঠিকানায় গিয়ে ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড, দেশের নাম, ই-মেইল আইডি দিয়ে বিনা মূল্যে রেজিস্ট্রেশন (Sign up) করুন। এখন Name your Channel-এ কোনো নাম দিন। Channel Category-তে Cricket নির্বাচন করুন। Describe your Channel-এ কোনো কিছু লিখুন। Channel Logo-তে কোনো কিছু না দিলেও চলবে। তারপর Create Channel-এ ক্লিক করুন। নতুন পেইজ এলে ৫ মেগাবাইটের Download Flash Media Live Encoder 3.0 সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন (ইনস্টল করার পর Read Me ফাইল থেকে দেখে নিন আপনার কম্পিউটারের কনফিগারেশন ঠিক আছে কি না)। ইনস্টল করা হয়ে গেলে সফ্টওয়্যারটি ওপেন করে In FMS URL field-এ rtmp://mipscdn.tv/live লিখুন এবং In the Stream field-এ যে লিংকটি দেওয়া আছে সেটি লিখে Start-এ ক্লিক করুন।
তারপরও বুঝতে কোনো সমস্যা হলে mips টিভি সাইটের নিচে Help থেকে How to broadcast-এ গিয়ে দেখে নিন কীভাবে কনফিগার করার কথা বলা হয়েছে। এবং ক্রিকেট চ্যানেল তৈরি করার আগে mips টিভি সাইটের Help থেকে FAQs এ গিয়ে নিয়মকানুনগুলো দেখে নেবেন। এভাবে যেকোনো খেলার চ্যানেল বা অন্য কোনো চ্যানেলও তৈরি করতে পারবেন। mips tv থেকে broadcast করা সরাসরি (live) ক্রিকেট খেলা দেখার জন্য http://arcomputertips.blogspot.com ঠিকানায় গিয়ে ডান পাশের Live Cricket Match-এ ক্লিক করুন বা সরাসরি http://arcomputertips.blogspot.com/2011/01/live-cricket-match.html ঠিকানায় যান। —মো. আমিনুর রহমান
তারপরও বুঝতে কোনো সমস্যা হলে mips টিভি সাইটের নিচে Help থেকে How to broadcast-এ গিয়ে দেখে নিন কীভাবে কনফিগার করার কথা বলা হয়েছে। এবং ক্রিকেট চ্যানেল তৈরি করার আগে mips টিভি সাইটের Help থেকে FAQs এ গিয়ে নিয়মকানুনগুলো দেখে নেবেন। এভাবে যেকোনো খেলার চ্যানেল বা অন্য কোনো চ্যানেলও তৈরি করতে পারবেন। mips tv থেকে broadcast করা সরাসরি (live) ক্রিকেট খেলা দেখার জন্য http://arcomputertips.blogspot.com ঠিকানায় গিয়ে ডান পাশের Live Cricket Match-এ ক্লিক করুন বা সরাসরি http://arcomputertips.blogspot.com/2011/01/live-cricket-match.html ঠিকানায় যান। —মো. আমিনুর রহমান
পেনড্রাইভ ফরম্যাট হচ্ছে না?
কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণ করলে অনেক সময় সেই কম্পিউটার থেকে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করা যায় না। তখন পেনড্রাইভ ফরম্যাট করতে চাইলে Start থেকে Control Panel-এ গিয়ে Administrative tools-এ দুটি ক্লিক করুন।
তারপর Computer Management-এ দুটি ক্লিক। এখন বাঁ পাশ থেকে Disk Management-এ ক্লিক করলে ডান পাশে পেনড্রাইভসহ সবগুলো ড্রাইভের তালিকা আসবে।
এবার পেনড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান ক্লিক করে ফরম্যাট করলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হবে।
তারপর Computer Management-এ দুটি ক্লিক। এখন বাঁ পাশ থেকে Disk Management-এ ক্লিক করলে ডান পাশে পেনড্রাইভসহ সবগুলো ড্রাইভের তালিকা আসবে।
এবার পেনড্রাইভের ওপর মাউস রেখে ডান ক্লিক করে ফরম্যাট করলে পেনড্রাইভ ফরম্যাট হবে।
Friday, April 8, 2011
পেনড্রাইভের ফাইল কপি করতে পারছেন না?
অনেক সময় পেনড্রাইভ থেকে ফাইল কপি করতে সমস্যা হয়। কপি করতে গেলে ইত্যাদি cannot copy cd keys:The disk is Write-protected remove the write-protection or use another disk / লেখা বার্তা আসে। এ রকম সমস্যা হলে Start/Run-এ গিয়ে regedit লিখে এন্টার চাপুন। এখন HKEY_LOCAL_MACHINE\SYSTEM\CurrentControlSet\Control\StorageDevicePolicie অপশনে যান। ডান পাশের WriteProtect অপশনে দুই ক্লিক দিন এবং Value Data বক্সে 0 লিখে সেভ করুন। এরপর পেনড্রাইভের কোনো ফাইল কম্পিউটারে কপি করতে সমস্যা হবে না। —খালেদ মাহমুদ খান
Friday, February 18, 2011
আপনার ই-মেইলে অন্যকেউ?
আপনার মেইল ঠিকানাটি হয়তো হ্যাক্ড হয়ে গিয়েছিল। আবার যেকোনোভাবে হয়তো সেটি পুনরুদ্ধার (রিকভার) করতে পেরেছেন। আপনার মেইলের পাসওয়ার্ড কেউ হয়তো জেনে গেছে এবং সে মাঝেমধ্যে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করে। এখন কীভাবে জানবেন যে কে হ্যাক করেছিল বা কে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করেছিল অর্থাৎ কোন আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) ঠিকানা থেকে আপনার মেইল ঠিকানায় প্রবেশ করেছিল? এটি জানার জন্য জিমেইল ঠিকানায় ঢুকুন। সবার নিচে Last account activity-র ডান পাশে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন একটি পৃষ্ঠা আসবে। সেখানে আপনার কম্পিউটারের বর্তমান আইপি ঠিকানা এবং গত দশবার কখন, কত তারিখ, কোন আইপি ঠিকানা (দেশের নামসহ) থেকে আপনার জিমেইলে প্রবেশ করা হয়েছে—সবগুলোর তালিকা আসবে। আপনি যদি সব সময় একই কম্পিউটার থেকে লগ-ইন করে থাকেন এবং একই প্রতিষ্ঠানের ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আইপি ঠিকানার চারটি অংশের মধ্যে প্রথম দুটি অংশের ঠিকানা একই থাকবে। তখন যদি দেখেন যে ভিন্ন কোনো আইপি থেকে বা ভিন্ন কোনো সময়ে আপনার মেইলে প্রবেশ করা হয়েছিল এবং ওই আইপি ঠিকানা সম্পর্কে যদি বিস্তারিত জানতে চান, তাহলে আইপি ঠিকানাটি কপি করে www.ip-adress.com/whois ঠিকানায় গিয়ে টেক্সটবক্সে পেস্ট করে IP Whois-এ ক্লিক করুন। তাহলে জানতে পারবেন ওই আইপি ঠিকানাটি কোন সংযোগদাতার, তাদের ঠিকানা, মেইল ঠিকানা, ফোন নম্বর ইত্যাদি। এমনকি একটি মানচিত্রের সাহায্যেও দেখানো হবে কোন জায়গা থেকে ওই আইপি ঠিকানার সেবা দেওয়া হচ্ছে। —মো. আমিনুর রহমান
Thursday, January 27, 2011
উইন্ডোজ এক্সপিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে অনেক সময় Control panel-এর Add or Remove Programs থেকে কোনো সফ্টওয়্যার Uninstall করার সময় বা ভুলবশত সি ড্রাইভ থেকে যদি অপারেটিং সিস্টেমের দরকারি কোনো ফাইল ডিলিট হয়ে যায়, তাহলে কম্পিউটার ঠিকভাবে কাজ করে না বা অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল মিসিং দেখায় এবং অনেক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কম্পিউটারকে কিছুদিন আগের অবস্থায় নিয়ে যান। অর্থাৎ আনুমানিক যে তারিখে আপনার কম্পিউটার ভালো ছিল, সেই তারিখে নিয়ে যান।
আর এটি করতে হলে প্রথমে C:\WINDOWS\System32\ Restore-এ গিয়ে rstrui.exe-তে ডবল ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটাতে Restore my computer to an earlier time নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। দেখবেন একটি কেলেন্ডার এসেছে। এখন যে তারিখে আপনার কম্পিউটার ভালো ছিল, সেই তারিখ নির্বাচন করে (শুধু বোল্ড তারিখগুলো নির্বাচন করতে পারবেন) Next-এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো আসলে আবার Next-এ ক্লিক করুন। দেখবেন, কম্পিউটার অটো রিস্টার্ট নিয়ে কাজ শেষ করার পর সফলতার বার্তা এসেছে। এখন দেখবেন, আপনার কম্পিউটারের সমস্যা ঠিক হয়ে গেছে। আর যদি তাতে ঠিক না হয়, তাহলে আবার পুনরায় অন্য কোনো তারিখ নির্বাচন করেও Restore করতে পারেন। এখন করা Restoreটি আবার আপনি Undo-ও করতে পারবেন।
—মো. আমিনুর রহমান
আর এটি করতে হলে প্রথমে C:\WINDOWS\System32\ Restore-এ গিয়ে rstrui.exe-তে ডবল ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটাতে Restore my computer to an earlier time নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। দেখবেন একটি কেলেন্ডার এসেছে। এখন যে তারিখে আপনার কম্পিউটার ভালো ছিল, সেই তারিখ নির্বাচন করে (শুধু বোল্ড তারিখগুলো নির্বাচন করতে পারবেন) Next-এ ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো আসলে আবার Next-এ ক্লিক করুন। দেখবেন, কম্পিউটার অটো রিস্টার্ট নিয়ে কাজ শেষ করার পর সফলতার বার্তা এসেছে। এখন দেখবেন, আপনার কম্পিউটারের সমস্যা ঠিক হয়ে গেছে। আর যদি তাতে ঠিক না হয়, তাহলে আবার পুনরায় অন্য কোনো তারিখ নির্বাচন করেও Restore করতে পারেন। এখন করা Restoreটি আবার আপনি Undo-ও করতে পারবেন।
—মো. আমিনুর রহমান
অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছুন সহজেই
নানা কারণে কম্পিউটারে অপ্রয়োজনীয় ফাইল জমা হয়। আমরা সাধারণত রান কমান্ড থেকে এসব ফাইল মুছে থাকি। সিস্টেম পিউরিফিকেশন টুল নামের একটি সফটওয়্যারের সাহায্যে আপনি এক ক্লিকেই সকল অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছতে পারবেন। মাত্র ৭৪ কিলোবাইটের ছোট্ট এই সফটওয়্যারটি পোর্টেবল (বহনযোগ্য) বলে ইনস্টলের ঝামেলা নেই। সফটওয়্যারটি http://mediafire.com/?74zpgcbpmj4w4it ঠিকানা থেকে নামিয়ে নিন। এরপর জিপ ফাইলটি ওপেন করুন। এখন সফটওয়্যারটি ওপেন করে next দিয়ে check all বক্সে টিকচিহ্ন দিন। এরপর Clean বাটনে ক্লিক করলেই সব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে যাবে এবং কত পরিমাণ অপ্রয়োজনীয় ফাইল মোছা হয়েছে, তার তালিকা দেখা যাবে।
খালেদ মাহমুদ খান
খালেদ মাহমুদ খান
Tuesday, December 28, 2010
আপনার সবেমাত্র তৈরি ব্লগটির ঠিকানা সাবমিট করুন সার্চ ইঞ্জিনসমূহে
অনেকেই নতুন ব্লগ তৈরি করার পর তা সার্চ ইঞ্জিনের অন্তর্ভূক্ত করার জন্য কী করবেন তা ভেবে পান না। আসলে আপনার ব্লগে অন্যান্য ব্লগ থেকে ব্যাংকলিংক থাকলে গুগলসহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন ক্রল করে একসময় ঠিকই আপনার ব্লগ খুঁজে বের করবে এবং তা ইনডেক্স করবে। তারপরও যদি আপনি নিজে সার্চ ইঞ্জিনসমূহকে আপনার ব্লগ সম্বন্ধে অবগত করাতে চান, তাহলে তা আপনি সংশ্লিষ্ট সার্চ ইঞ্জিনের নির্দিষ্ট পৃষ্ঠা থেকে করতে পারেন। আসুন জেনে নেয়া যাক কীভাবে আপনি আপনার ব্লগের ঠিকানা সার্চ ইঞ্জিনসমূহে সাবমিট করবেন।
গুগল
সার্চ জায়ান্ট গুগলকে হাত করতে পারলেই আসল কাজ মূলত শেষ। অনেকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে থাকেন শুধু গুগলের জন্য। গুগল নিজে নিজেই আপনার সাইট খুঁজে বের করতে পারে। তবে ম্যানুয়ালি নোটিফাই করতে এই লিংকে গিয়ে আপনার ব্লগের ঠিকানা এবং সংক্ষেপে ব্লগের বিষয়বস্তু লিখে দিন। দু’একদিনের মধ্যেই গুগল-প্রেরিত দূত (Search Bot/ Crawler) আপনার ব্লগে এসে ঘুরে যাবে।
আপনার ব্লগকে আরো গুগল ফ্রেন্ডলি করে তুলতে গুগল ওয়েবমাস্টার টুলসের সাহায্য নিতে পারেন।
ইয়াহু
গুগলকে হাত করলেই মূলত কাজ শেষ। অন্যরা গুগলের কাছ থেকেই আপনার ব্লগ সম্পর্কিত তথ্য জেনে নিবে। তবুও যদি আপনি ইয়াহুকে আপনার ব্লগ সম্বন্ধে জানাতে চান, তাহলে এই লিংকে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিন। তবে ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিনে তথ্য অন্তর্ভূক্তির জন্য ইয়াহু মেইলে আপনার অবশ্যই অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
বিং
মাইক্রোসফট সম্প্রতি আলোচনায় উঠে এসেছে তাদের নতুন সম্ভাবনাময় সার্চ ইঞ্জিন বিং-য়ের নাম ধরে। যদিও আমার মতো গুগল ফ্যানরা বিং-টিংকে দাম দেবেন না, তবুও ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাঁটি করে অসংখ্য ব্লগ পোস্ট পড়ে জানতে পারলাম বিংয়ের জনপ্রিয়তা ঈর্ষণীয়। অনেকেই বিংকে গুগলের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী বলে আখ্যায়িত করছেন যদিও আমি বিশ্বাস করি গুগল সার্চ ইঞ্জিনকে হার মানানো প্রায় অসম্ভব। বিং ব্যবহারকারী প্রায় প্রত্যেকের কাছ থেকেই যে একটি কথা শোনা গেছে সেটা হচ্ছে বিং এর ফলাফল অনেক বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ বা relevant । সুতরাং, আপনার ব্লগ সম্পর্কে বিংকে আগেভাগেই তথ্য জানিয়ে রাখতে পারেন। এ জন্য এই লিংকে ক্লিক করে ব্লগের ঠিকানা প্রদান করুন।
সার্চ ইঞ্জিন জগতে আরো অসংখ্য ছোট-বড় সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে তবে আমার মতে শুধু গুগলের জন্য ব্লগ অপটিমাইজ করলেই যথেষ্ট। তবুও গুগল, ইয়াহু এবং বিং — এই তিনটি মেজর সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ব্লগ সাবমিট করার পর অন্যদের নিয়ে ভাবার কোনো প্রয়োজনই নেই। এরপর আপনার কাজ হচ্ছে গুগলের দিকে নজর দেয়া এবং গুগল সার্চে আপনার ব্লগকে প্রথম পৃষ্ঠায় আনতে চেষ্টা তথা এসইও এর কাজ অব্যাহত রাখা।
আবারো বলছি, এ কাজের জন্য গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস দারুণ কার্যকর। আশা করছি শীঘ্রই গুগল ওয়েবমাস্টার টুলসের কার্যকারিতা ও ব্যবহার নিয়ে একটি পোস্ট লিখবো।
আশা করছি নতুন ব্লগারদের জন্য পোস্টটি উপকারী হবে।
গুগল
সার্চ জায়ান্ট গুগলকে হাত করতে পারলেই আসল কাজ মূলত শেষ। অনেকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন করে থাকেন শুধু গুগলের জন্য। গুগল নিজে নিজেই আপনার সাইট খুঁজে বের করতে পারে। তবে ম্যানুয়ালি নোটিফাই করতে এই লিংকে গিয়ে আপনার ব্লগের ঠিকানা এবং সংক্ষেপে ব্লগের বিষয়বস্তু লিখে দিন। দু’একদিনের মধ্যেই গুগল-প্রেরিত দূত (Search Bot/ Crawler) আপনার ব্লগে এসে ঘুরে যাবে।
আপনার ব্লগকে আরো গুগল ফ্রেন্ডলি করে তুলতে গুগল ওয়েবমাস্টার টুলসের সাহায্য নিতে পারেন।
ইয়াহু
গুগলকে হাত করলেই মূলত কাজ শেষ। অন্যরা গুগলের কাছ থেকেই আপনার ব্লগ সম্পর্কিত তথ্য জেনে নিবে। তবুও যদি আপনি ইয়াহুকে আপনার ব্লগ সম্বন্ধে জানাতে চান, তাহলে এই লিংকে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিন। তবে ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিনে তথ্য অন্তর্ভূক্তির জন্য ইয়াহু মেইলে আপনার অবশ্যই অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।
বিং
মাইক্রোসফট সম্প্রতি আলোচনায় উঠে এসেছে তাদের নতুন সম্ভাবনাময় সার্চ ইঞ্জিন বিং-য়ের নাম ধরে। যদিও আমার মতো গুগল ফ্যানরা বিং-টিংকে দাম দেবেন না, তবুও ইন্টারনেটে ঘাঁটাঘাঁটি করে অসংখ্য ব্লগ পোস্ট পড়ে জানতে পারলাম বিংয়ের জনপ্রিয়তা ঈর্ষণীয়। অনেকেই বিংকে গুগলের শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী বলে আখ্যায়িত করছেন যদিও আমি বিশ্বাস করি গুগল সার্চ ইঞ্জিনকে হার মানানো প্রায় অসম্ভব। বিং ব্যবহারকারী প্রায় প্রত্যেকের কাছ থেকেই যে একটি কথা শোনা গেছে সেটা হচ্ছে বিং এর ফলাফল অনেক বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ বা relevant । সুতরাং, আপনার ব্লগ সম্পর্কে বিংকে আগেভাগেই তথ্য জানিয়ে রাখতে পারেন। এ জন্য এই লিংকে ক্লিক করে ব্লগের ঠিকানা প্রদান করুন।
সার্চ ইঞ্জিন জগতে আরো অসংখ্য ছোট-বড় সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে তবে আমার মতে শুধু গুগলের জন্য ব্লগ অপটিমাইজ করলেই যথেষ্ট। তবুও গুগল, ইয়াহু এবং বিং — এই তিনটি মেজর সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ব্লগ সাবমিট করার পর অন্যদের নিয়ে ভাবার কোনো প্রয়োজনই নেই। এরপর আপনার কাজ হচ্ছে গুগলের দিকে নজর দেয়া এবং গুগল সার্চে আপনার ব্লগকে প্রথম পৃষ্ঠায় আনতে চেষ্টা তথা এসইও এর কাজ অব্যাহত রাখা।
আবারো বলছি, এ কাজের জন্য গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস দারুণ কার্যকর। আশা করছি শীঘ্রই গুগল ওয়েবমাস্টার টুলসের কার্যকারিতা ও ব্যবহার নিয়ে একটি পোস্ট লিখবো।
আশা করছি নতুন ব্লগারদের জন্য পোস্টটি উপকারী হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)