CRICKET LIVE STREAMING

Showing posts with label icc world cup news. Show all posts
Showing posts with label icc world cup news. Show all posts

Tuesday, April 12, 2011

 বিশ্বকাপ রেকর্ড


সবচেয়ে বেশি ম্যাচে অধিনায়ক
অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং এবার সাতটি ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে ছাড়িয়ে গেছেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন ফ্লেমিংকে (২৭)। বিশ্বকাপে অধিনায়ক পন্টিংয়ের ম্যাচ ২৯টি।

সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি

এবার দুটি সেঞ্চুরি করে শচীন টেন্ডুলকার বিশ্বকাপে সর্বাধিক সেঞ্চুরির রেকর্ডের একক মালিক হয়েছেন। বিশ্বকাপে তাঁর মোট সেঞ্চুরির সংখ্যা ৬।

ইনিংসে সর্বোচ্চ স্ট্রাইক রেট

নিউজিল্যান্ডের জেমস ফ্রাঙ্কলিন কানাডার বিপক্ষে ৮ বলে করেন অপরাজিত ৩১ রান, যার স্ট্রাইক রেট ৩৮৭.৫০। বিশ্বকাপে কমপক্ষে ২৫ রানের ইনিংসগুলোর মধ্যে স্ট্রাইক রেটের দিক দিয়ে এটিই সেরা।

সর্বোচ্চ জুটি

প্রথম উইকেটে শ্রীলঙ্কার থারাঙ্গা ও দিলশান (২৮২) এবং ষষ্ঠ উইকেটে আয়ারল্যান্ডের কেভিন ও’ব্রায়েন ও অ্যালেক্সই কুসাক (১৬২) বিশ্বকাপের নতুন রেকর্ড করেছেন।

ম্যাচে সর্বোচ্চ রান

ভারত ও ইংল্যান্ডের টাই ম্যাচটিতে দুই দল সবশুদ্ধ রান করেছে ৬৭৬। আগের রেকর্ডটি ছিল অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার। ২০০৭ বিশ্বকাপে এই দুই দলের ম্যাচে উঠেছিল ৬৭১ রান

Thursday, March 31, 2011

 রেকর্ড কর্নার বিশ্বকাপের ফাইনাল

বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ফাইনালে সবচেয়ে বেশি ছয়বার খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। সর্বোচ্চ ৪টি ফাইনাল খেলেছেন রিকি পন্টিং ও গ্লেন ম্যাকগ্রা। তবে সর্বোচ্চ ৩ বার অধিনায়ক ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্লাইভ লয়েড। সবচেয়ে বেশি রান করেছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, তিন ফাইনালে ২৬০। সর্বোচ্চ ইনিংসটিও তাঁর ১৪৯ গত বিশ্বকাপে ব্রিজটাউনে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। বোলিংয়ে সবার আগে জোয়েল গার্নার ও গ্লেন ম্যাকগ্রা। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান গার্নার ২ ম্যাচে ও ম্যাকগ্রা ৪ ম্যাচে পেয়েছেন ৬ উইকেট। ১৯৭৯ বিশ্বকাপে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গার্নারের ৩৮ রানে ৫ উইকেট ফাইনালের সেরা বোলিং। সবচেয়ে বড় দলীয় ইনিংসটি ২০০৩ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ৩৫৯। সর্বনিম্ন ইনিংসটি পাকিস্তানের ১৩২, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে। ২০০৩ সালে তৃতীয় উইকেটে ডেমিয়েন মার্টিন ও রিকি পন্টিংয়ের অপরাজিত ২৩৪ রান বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে বড় জুটি।

 শোয়েব ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন

১৯৯৬: বাজে আচরণের কারণে সাহারা কাপের দল থেকে বাদ। এক বছরের জন্য পিছিয়ে গেল আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক।
১৯৯৭: নভেম্বরে নিজ শহর রাওয়ালপিন্ডিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক।
১৯৯৮: ফেব্রুয়ারি—মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট জয়ে অবদান রাখলেন প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়ে।
১৯৯৯: কলকাতায় শচীন টেন্ডুলকারকে করা সেই বিখ্যাত দুটি বল। এরপর বিশ্বকাপেও কেটেছে দারুণ। বছরের শেষে তাঁর বোলিং অ্যাকশনের জন্য নো বল ডাকেন আম্পায়াররা।
২০০০: বোলিং অ্যাকশন বৈধ ঘোষিত হলেও বিভিন্ন ইনজুরিতে প্রায় সারা বছরই মাঠের বাইরে ছিলেন।
২০০১: বোলিং অ্যাকশনের জন্য আবারও নো বল। তবে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা কোনো ক্রুটি খুঁজে পাননি তাঁর অ্যাকশনে।
২০০২: প্রথমবারের মতো স্পিডগানে ১০০ মাইল ওঠে শোয়েবের কল্যাণে। জিম্বাবুয়েতে দর্শককে বোতল ছুড়ে এক ম্যাচে নিষিদ্ধ। অভিযোগ ওঠে বল টেম্পারিংয়েরও।
২০০৩: বিশ্বকাপে খারাপ করায় দল থেকে বাদ। মে মাসে বল টেম্পারিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ। পল অ্যাডামসকে গালি দিয়ে আবারও নিষিদ্ধ। ১১ উইকেট নিয়ে নিউজিল্যান্ডকে গুঁড়িয়ে দেন ওয়েলিংটন টেস্টে।
২০০৪: অধিনায়ক ইনজামাম ইনজুরির ভান করার অভিযোগ করলেন আখতারের বিরুদ্ধে। পরে মেডিকেল বোর্ড নিশ্চিত করে ইনজুরিটা ভান ছিল না।
২০০৬: চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ হয়ে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ। অবশ্য পরে তুলে নেওয়া হয় নিষেধাজ্ঞা।
২০০৭: বিশ্বকাপের আগে কোচ বব উলমারের সঙ্গে বিরোধ। সুযোগ পেলেন না বিশ্বকাপে। আসিফের সঙ্গে মারামারি করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হতে দেশে ফেরত। ১৩ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ।
২০০৮: কেন্দ্রীয় চুক্তি নিয়ে বোর্ডের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ।
২০১০: প্রায় এক বছর পর দলে ফিরে আসেন শ্রীলঙ্কা সফরে।
২০১১: বিশ্বকাপে বাজে বোলিং, অবসরের ঘোষণা।

Sunday, February 27, 2011

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ টাই : ভারত : ৩৩৮/১০, ইংল্যান্ড : ৩৩৮/৮

বিশ্বকাপের চলতি আসরে সবচেয়ে হট ফেবারিট দল হিসেবে স্বাগতিক ভারতকেই মেনে নিয়েছিল সবাই। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে ৮৭ রানের বড় জয় তুলে নিয়ে ক্রিকেটবোদ্ধাদের সেই ধারণা আরও উজ্জ্বল করেছিল ধোনির দল। তাই গতকালও ব্যাঙ্গালোরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে স্বাগতিকদেরই ফেবারিট ধরে নিয়েছিল সবাই। কিন্তু ইংলিশদের বিরুদ্ধে ফেবারিট হয়েও জয়ের দেখা পায়নি মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। তবে হারতেও হয়নি তাদের। ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাদের। ফুটবলে অহরহ ‘ড্র’র ঘটনা ঘটে। কিন্তু ক্রিকেটে এমন ঘটনা সত্যিই অনেক কম। ক্রিকেটে ‘ড্র’ মানেই শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ। গতকাল চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হয়েছেও তাই। দু’দলের এই লড়াইটা সত্যিই উপভোগ্য হয়ে ওঠে। দারুণ জমজমাট এক লড়াই হয়েছে। শচীনের সেঞ্চুরির পর এন্ড্রু স্ট্রসের সেঞ্চুরি দু’দলের এই লড়াইটা জমিয়ে তোলে। দুই ম্যাচ শেষে ভারতের ঝুলিতে এখন তিন পয়েন্ট। সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলা ইংল্যান্ডও ৩ পয়েন্ট নিয়ে স্বাগতিকদের সঙ্গেই আছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ভারত সব উইকেট হারিয়ে শচীন টেন্ডুলকারের সেঞ্চুরি (১২০), যুবরাজ (৫৮) ও গাম্ভিরের (৫১) হাফ সেঞ্চুরিতে ৩৩৮ রানের বিগ স্কোর গড়ে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। কিন্তু রানের এই বিশাল পাহাড় গড়েও ম্যাচে জয় তুলে নিতে পারেনি শচীন-শেবাগরা। শচীনের সেঞ্চুরি ম্লান করে দিয়ে ইংলিশ অধিনায়ক এন্ডু্র স্ট্রস ১৫৮ রান তুলে নিয়ে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন। তিনি ছাড়াও টপ অর্ডারের আরেক ব্যাটসম্যান ইয়ান বেলের করা হাফ সেঞ্চুরির ওপর ভর করে ইংলিশরা ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৩৮ রান তুলে নিয়ে ভারতের সঙ্গে পয়েন্টে ভাগ বসায়।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ক্যাপ্টেনের সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না সেটা খুব দ্রুতই বুঝে গেল ভারতীয় সমর্থকরা। কারণ, ক্রিজে দাঁড়িয়ে ওপেনার শেবাগ যেভাবে ব্যাট চালালেন তাতে আত্মতুষ্টিতেই ভুগেছে ভারতীয় শিবির। লিটল মাস্টার খ্যাত শচীনকে সঙ্গে নিয়ে ইংলিশ বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালাল এই বিগ হিটার। দু’দিন অনুশীলনের সময় বাঁ পায়ের মাসলে হাল্কা আঘাত পেলেও তার কোনো প্রভাবই দেখা যায়নি ম্যাচে। বরং স্বভাবসুলভ খেলাই খেলেছেন শেবাগ। দুই পেসার এন্ডারসন ও শেহজাদাকে নিয়ে মেতে ওঠেন ছেলেখেলায়। ইন সুইং কিংবা আউট সুইং কোনো বলেই থামানো যাচ্ছিল না তাকে। অবশ্য শেবাগের ঠিক বিপরীত চরিত্র রূপায়ণ করেছেন শচীন। তিনি খেলেছেন একেবারেই ঠাণ্ডামাথায়। শচীনের স্কোর লাইনটা দেখলেই বিষয়টা পরিষ্কার হয়ে যাবে। শেবাগ যখন ব্রেসনানের বলে উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো ম্যাচ প্রিয়রের তালুবন্দি হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন তখন শচীনের রান মাত্র ১০। এই রান তুলতে তিনি খরচ করেছেন ২১ বল। বীরেন্দ্র শেবাগ মাত্র ২৬ বলে অর্ধডজন চার দিয়ে নিজের ইনিংস সাজান। শেবাগের বিদায়ের পর গৌতম গাম্ভিরকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা সচল করেন শচীন। তবে এবার তিনি স্ব-মূর্তিতে ফেরেন। প্রতিপক্ষের বোলারদের নির্মমভাবে শাসন করতে শুরু করেন। ঠাণ্ডমাথার সেই শচীনকে এবার অগ্নিমূর্তিতে দেখেন ইংলিশ বোলাররা। সুপারসনিক গতিতে রান এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন এই ওপেনার। শচীনের সঙ্গে জুটি গড়ে গাম্ভির দলের স্কোরে ১৩৪ রান জমা করে ব্যক্তিগত ৫১ রান তুলে নিয়ে সাজঘরে ফিরে যান। তিনি ৬১ বলে পাঁচ বাউন্ডারি দিয়ে নিজের ইনিংস সাজান। গাম্ভির ফিরে গেলেও শচীনকে আটকাতে পারেনি ইংলিশ বোলাররা। এরপর শচীন টেন্ডুলকার যুবরাজকে সঙ্গে নিয়ে নিজের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যান। তুলে নেন ক্যারিয়ারের ৪৭তম সেঞ্চুরি। তিনি ১০৩ বলের খরচায় ৮ বাউন্ডারি এবং চারটি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে নিজের শতরান পূর্ণ করেন। সেঞ্চুরির সঙ্গে আরও ২০ রান জমা করে এই লিটল মাস্টার এন্ডারসনের বলে ইয়ার্ডের ক্যাচে পরিণত হয়ে সাজঘরে ফিরে যান। দশটি চার ও পাঁচটি ছয় দিয়ে ১১৫ বলে নিজের ইনিংসের ফুলঝুরি সাজান শচীন টেন্ডুলকার। চেন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে শচীন ও গাম্ভিরের পর জ্বলে ওঠে যুবরাজের ব্যাটও। মিডল অর্ডারের এই ব্যাটসম্যান খেলেছেন ৫৮ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। তবে ভারতের মিডল অর্ডারের আর কোনো ব্যাটসম্যান তেমন সফল না হওয়ায় ভারতের ইনিংস থামে ৩৩৮ রানে। সব উইকেট হারিয়ে ৪৯.৫ বলে এই রান সংগ্রহ করে তারা। এদিন ভারতের বিপক্ষে বল হাতে সফলতা পেয়েছেন ইংলিশ অল রাউন্ডার টিম ব্রেসনান। তিনি পুরো দশ ওভার বল করে ৪৮ রানের বিপরীতে পেয়েছেন ৫ উইকেট।
জয়ের জন্য ৩৩৯ রানের লক্ষ্যে মাঠে নেমে ইংল্যান্ডও আক্রমণাত্মক হয়ে খেলতে থাকে। দুই ওপেনার অধিনায়ক এন্ড্রু স্ট্রস ও কেভিন পিটারসেন জহির খান-মুনাফ প্যাটেলদের বল নির্দয়ভাবে খেলতে শুরু করেন। তাদের ব্যাটিং তাণ্ডবে লাইন হারিয়ে ফেলে বিশ্বসেরা এই পেসারদের বল। তবে ৬৮ রানে পিটারসেনকে মুনাফ প্যাটেল নিজের বলে নিজেই তালুবন্দি করে ভারতীয় শিবিরে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনেন। ৪৩ রান পর স্পিনার পিযূষ চাওলা ওয়ান ডাউনে মাঠে নামা ট্রটকে প্যাভিলিয়নের পথ ধরালেও স্ট্রস এবং ইয়ান বেল হতাশ করেন ভারতীয়দের। এই জুটি আবারও স্বাগতিক বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলতে শুরু করেন। এই জুটি ক্ষিপ্রতার সঙ্গে খেলে সব সময়ই দলের রান রেট ৬-এর ওপরে রাখেন। ইংলিশ দলনায়ক স্ট্রস ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরির দেখা পান মাত্র ৯৯ বলে। ১৩টি চারের মারে নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এই ওপেনার। আর ইয়ান বেল নিজের হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ৪৫ বলের খরচায়। এই জুটি ১৭০ রান করার পর পেসার জহির খান ভয়ঙ্কররূপ ধারণ করে ফিরে আসেন ইংলিশদের সামনে। যেখানে প্রথম স্পেলে ৭ ওভার বল করে জহির খান ৫৩ রান দিয়ে এক উইকেটের দেখাও পাননি। সেখানে নিজের অষ্টম ওভার করতে এসে অধিনায়কের আস্থার জবাব দেন এই পেসার। ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে তুলে নেন ইয়ান বেল (৬৯) ও ওপেনার এন্ডু্র স্ট্রসের (১৫৮) উইকেট। নবম ওভারে আবাও জ্বলে ওঠেন জহির খান। এবার তার শিকার পল কলিং উড। পর পর দুই ওভারে তিন মারকুটে ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নে ফিরিয়ে দিয়ে নিশ্চিত হারের মুখ থেকে দলকে ফিরিয়ে আনেন জহির খান। কিন্তু ম্যাচ জমে ওঠে ইনিংসের ৪৯তম ওভারে। শেষ দুই ওভারে ইংলিশদের প্রয়োজন ছিল ৩০ রান। বল হাতে আসনে স্পিনার পিযূষ চাওলা। তার প্রথম বলে কোনো রান নিতে না পারলেও পরের বলেই ওভার বাউন্ডারি হাঁকান। তৃতীয় বলে নেন এক রান। চতুর্থ বলে ব্রেসনান দুই রান জমা করেন স্কোরে। পঞ্চম বলে ব্রেসনান আরও একটি ছক্কা হাঁকালে ম্যাচ আবারও মোড় নেয় ইংল্যান্ডের দিকে। তবে পিযূষ নিজের শেষ বলে ব্রেসনানকে ফিরিয়ে দিলে হতাশা দেখা দেয় ইংলিশ শিবিরে। শেষ ওভারে এন্ড্রু স্ট্রস বাহিনীর জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৪ রান। এবার মহেন্দ্র সিং ধোনি বল তুলে দেন মুনাফ প্যাটেলের হাতে। প্রথম দুই বলে সন ৩ রান তুলে নিলেও তৃতীয় বলে শাহজাদ প্যাটেলের বল পাঠিয়ে দেন গ্যালারিতে। ওভারের শেষ ৩ বলে ইংল্যান্ডের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান। শ্বাসরুদ্ধকর এমন ম্যাচে শেষ ওভারে গ্যালারিতে নেমে আসে পিনপতন নীরবতা। ব্যাটসম্যান সন ও শেহজাদ দলকে জয় এনে দিতে না পারলেও ভারতের সমান রান তুলে ভারতের জয়ের পথ রুদ্ধ করে দিয়ে পয়েন্ট ভাগ করে মাঠ ছাড়েন। এমন ম্যাচ বহু দিন দেখেনি ক্রিকেট বিশ্ব। তবে ভারতের কাছে এমন হতাশাজনক পারফরমেন্সও আশা করেননি ক্রিকেটবোদ্ধারা।

Saturday, February 19, 2011

আইসিসি ব্যবসাটা ভালোই বোঝে


জিয়াউদ্দিন সাইমুম
বিংশ শতকের শুরুতেই দক্ষিণ আমেরিকার একজন প্রখ্যাত ক্রীড়া সাংবাদিক লিখেছিলেন, ফুটবলের জন্ম ‘সুন্দরের বন্দরে’। কিন্তু ওটা এখন ‘শুল্ক বন্দরে’ নোঙর গেড়েছে। ফুটবলের বাণিজ্যিকায়নের বিপদ তিনি তখনই টের পেয়েছিলেন। কিন্তু ক্রীড়ার পথচলা ঠিকই এগিয়ে গেছে। তবে এটা রীতিমত পণ্যে পরিণত হয়েছে। ফিফা যেমন করে ব্যবসা বুঝে ফেলেছে, আইসিসিও পেছনে থাকতে রাজি হচ্ছে না। তারা তাদের মাল্টি-বিলিয়ন ডলারের ব্যবসাকে যে কোনো নিরাপদ রাখতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। ছোট দলগুলো খেললে আয় কম হবে। তাই ছোট দলগুলোকে ছেঁটে ফেলতে তারা মরিয়া।
ভারতের কথাই ভাবুন। কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করতে পারলেই ক্রিকেটের এ পরাশক্তিকে আর কোনো ম্যাচই বিদেশের মাটিতে খেলতে হবে না। এ সুযোগ কিন্তু বিশ্বকাপের বাকি দুটো দেশের জন্য নিশ্চিত করা হয়নি। ভারতের মাটিতে ভারতকে খেলার সুযোগ দিলে বিজ্ঞাপন বাবত যে পরিমাণ ডলার আইসিসির অ্যাকাউন্টে জমা হবে, সেই পরিমাণ ডলারের নিশ্চয়তা বাংলাদেশ আর শ্রীলঙ্কার পক্ষে দেয়া মোটেও সম্ভব নয়। বিশেষ করে আইপিএল বিশ্ব ক্রিকেটের নগদপ্রাপ্তি সব হিসাব-নিকাশকে একেবারে পাল্টে দিয়েছে। জাগতিক জ্ঞানটা বেশ টনটনে বলেই আইসিসি সুযোগটা ছাড়বে কেন?
গত শুক্রবার সব ধরনের জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মিরপুরে আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হারুন লোগাত সাংবাদিকদের স্পষ্ট ভাষায় বলে দিয়েছেন, কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে পারলেই ভারতকে আর বিদেশের মাটিতে খেলতে হবে না। নিজেদের মাটিতে তারা বাকি সব ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। অর্থাত্ শিডিউলে পরিবর্তন আসবে।
হারুন লোগাত বিষয়টির বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে এটাও বলেন, কোয়ার্টার ফাইনালে স্বাগতিক দুটি দেশকে একে অন্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়, তাহলে ম্যাচটি হবে বিশ্বকাপের আগে যে দেশটি বাছাই বা র্যাংকিংয়ে এগিয়ে ছিল, সেই দেশের হোম গ্রাউন্ডে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। আপাতদৃষ্টিতে এটা আইসিসির নির্দোষ সিদ্ধান্ত হলেও মোটেও পক্ষপাতশূন্য সিদ্ধান্ত নয়। কারণ আইসিসি র্যাংকিংয়ে শ্রীলঙ্কা আর বাংলাদেশের চেয়ে ভারতই এগিয়ে রয়েছে। আইসিসির এই সিদ্ধান্তের সহজ-সরল তরজমা হচ্ছে, প্রাথমিক পর্বের বাধা ডিঙাতে পারলে নকআউট পর্বের ম্যাচ খেলতে ভারতকে আর বিদেশের মাটিতে মোটেও ছুটতে হবে না।
আগের শিডিউল অনুসারে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচগুলো হওয়ার কথা ছিল এভাবে : ‘এ’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বনাম ‘বি’ গ্রুপের চার নম্বর দল (মিরপুর), ‘এ’ গ্রুপের রানার্স আপ বনাম ‘বি’ গ্রুপের তিন নম্বর দল (আহমেদাবাদ), ‘এ’ গ্রুপের তিন নম্বর দল বনাম ‘বি’ গ্রুপের রানার্স-আপ দল (মিরপুর) এবং ‘এ’ গ্রুপের চার নম্বর দল বনাম ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দল (কলম্বো)।
কিন্তু আইসিসির বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তের পর ‘বি’ গ্রুপের যেখানেই থাকুক না কেন, ভারত তার কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ খেলবে আহমেদাবাদে। এক্ষেত্রে আগামী ২৪ মার্চের কোয়ার্টার ফাইনালে ‘বি’ গ্রুপের তৃতীয় স্থান দখলকারী দলটি খেলবে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ দলটির বিপক্ষে।
ভারত যদি ‘বি’ গ্রুপে রানার্সআপ হয়, তাহলে তারা খেলবে ‘এ’ গ্রুপের তিন নম্বর দলের বিপক্ষে। ভারত যদি প্রাথমিক পর্বের ম্যাচে তৃতীয় স্থান দখল করতে না পারে, তাহলেও তারা আহমেদাবাদেই খেলবে। ভারত তাদের সৌভাগ্যের কথাটি বিশ্বকাপে তাদের প্রথম ম্যাচ শুরুর আগেই জেনে গেছে। কিন্তু তাদের প্রতিপক্ষকে এটা জানতে আগামী ২০ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
অন্যদিকে ভারতের মুখোমুখি না হতে হলেই কেবল শ্রীলঙ্কা আগামী ২৬ মার্চ নিজেদের মাটিতে শেষ-আটের ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে ভারত টুর্নামেন্ট শুরুর আগে তাদের র্যাংকিংকে কাজে লাগিয়ে আহমেদাবাদে খেলার সুযোগ পাবে। একইভাবে স্বাগতিক বাংলাদেশও আগামী ২৩ অথবা ২৪ মার্চ বাংলাদেশের মাটিতে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। কিন্তু এই পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ যদি ভারত অথবা শ্রীলঙ্কা হয়ে যায়, তাহলে বাংলাদেশ নিজের মাটিতে ম্যাচটি খেলার সুযোগ পাবে না। আইসিসির ব্যবসায়িক নীতিতে দুর্বল দলের কোনো জায়গা নেই। কারণ বাণিজ্যই যেখানে বড় কথা, সেখানে দুর্বল পৃষ্ঠপোষকতা পাবে কী করে?
হারুন লোগাত এখানেই থামেননি। তিনি সাফ বলে দিয়েছেন, ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্বল দলগুলো অংশ নেয়ার সুযোগ পাবে না। আগামী বিশ্বকাপে ১৪ দলের পরিবর্তে ১০টি দল খেলবে। তবে টি-২০ বিশ্বকাপে ১২ দলের পরিবর্তে ১৬টি দল খেলবে।

আরও উচ্চতায় শচীন

আর্কাইভ: --

আরও উচ্চতায় শচীন

স্পোর্টস ডেস্ক
ভারতীয় মাস্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের জন্য খুব বেশি রেকর্ড মনে হয় অধরা নেই। একমাত্র ডন ব্রাডম্যানের সে অলঙ্ঘ্য রেকর্ডটি ছাড়া টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটের প্রায় সবগুলোই তিনি ছুঁয়েছেন। গতকাল তার রেকর্ডের পালকে গাঁথা হলো আরেকটি পালক।
সবচেয়ে বেশিবার একদিনের খেলায় মাঠে নামার রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন ভারতের শচীন টেন্ডুলকার। গতকাল শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দশম বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে মাঠে নেমে এ রেকর্ড গড়েন শচীন।
১৯৮৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর গুজরানওয়ালায় পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম একদিনের ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। সেই থেকে এ পর্যন্ত ৪৪৫টি একদিনের ম্যাচে অংশ নেন তিনি। শ্রীলঙ্কার সনাথ জয়াসুরিয়া ১৯৮৯-২০০৯ পর্যন্ত ২০ বছরের ক্যারিয়ারে খেলেন ৪৪৪টি একদিনের ম্যাচ।
পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ইনজামাম-উল-হক ১৯৯১-২০০৭ পর্যন্ত ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে ৩৭৮টি একদিনের ম্যাচে অংশ নেন।
পাকিস্তানের আরেক সাবেক অধিনায়ক ওয়াসিম আকরাম ১৯৮৪-২০০৩ পর্যন্ত ১৯ বছরের ক্যারিয়ারে ৩৫৬টি ম্যাচে অংশ নেন। তিনিই সবচেয়ে বেশি একদিনের ম্যাচ খেলা বোলার।
অস্ট্র্রেলিয়ার অধিনায়ক রিকি পন্টিং ১৯৯৫ সালে অভিষেকের পর এ পর্যন্ত খেলেছেন ৩৫২টি একদিনের ম্যাচ।
একদিনের ম্যাচ খেলার তালিকায় আপাতত তার নাম ৫ নম্বরে থাকলেও বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটি তার। খেলেছেন ৩৯টি ম্যাচ। রেকর্ডটিতে ভাগ রয়েছে গ্লেন ম্যাকগ্রারও। তিনিও খেলেছেন ৩৯টি ম্যাচ। ৩৮টি করে ম্যাচ খেলেন জয়াসুরিয়া ও ওয়াসিম আকরাম।
গতকালের খেলাটি শচীনের ৩৭তম বিশ্বকাপ ম্যাচ। ৩৫টি করে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন অরবিন্দ ডি সিলভা ও ইনজামাম। ৩৪টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন ব্রায়ান লারা।
চলতি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে শচীন দাঁড়ালেন জাভেদ মিয়াঁদাদের পাশে। সর্বাধিক ৬ বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার রেকর্ডটি এতদিন বড়েমিয়ার দখলে ছিল। এবার ওই রেকর্ডে ভাগ বসালেন শচীন। এটি তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ।
১৯৭৫ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলা মিয়াঁদাদ শেষবার অংশ নেন ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপে। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে প্রথম অংশ নেয়া শচীনের জন্য এটি ৬ষ্ঠ বিশ্বকাপ আসর।
চলতি বিশ্বকাপে শচীন খেলছেন বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শুরু থেকে মনের ভেতর পুষে রাখা সে স্বপ্নটা নিয়ে। ’৮৩-র ভারত আর বিশ্বকাপ ট্রফির মুখ দেখেনি। ২০০৩ সালে সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বে ছুঁতে ছুঁতেও ছোঁয়া হয়ে ওঠেনি। তবে এবার বিশ্বকাপ জিতে অপূর্ণ সাধটাকে চরিতার্থ করার ইচ্ছে ভারতের এই জীবন্ত কিংবদন্তির।

মাশরাফি যদি থাকতেন!

মাশরাফি যদি থাকতেন!

ইলিয়াস খান
পাকিস্তানি ফাস্ট মিডিয়াম বোলার আকিব জাভেদ এক সময় দুঃখ করে বলেছিলেন, ‘আমার জন্ম হয়েছে ভুল সময়ে’। তার এই খেদোক্তির কারণ ছিল ‘টু ডাব্লিউ’। অর্থাত্ ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনুস। এই জুটি থাকায় পুরো ক্যারিয়ারে দলে মোটামুটি আসা-যাওয়ার মধ্যে ছিলেন আকিব জাভেদ। এই ম্যাচে আছেন তো পরের ম্যাচে নেই। কিন্তু বিশ্বের অনেক দলেই তখন জাভেদের মানের বোলার ছিল না। এ কারণেই তিনি ঐ খেদোক্তি করেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের মাশরাফি বিন মর্তুজার জন্ম হয়েছিল সঠিক সময়েই। বাংলাদেশ দলে তার অপরিহার্যতাও প্রমাণ করেছেন বার বার। কিন্তু ‘কার পাপে’ কে জানে, ‘নড়াইল এক্সপ্রেসে’র খেলা হলো না এবারের বিশ্বকাপে। কোচ ডেমি সিডন্স বলেছেন, ‘ফিটনেস নেই, তাই মাশরাফিকে দলে রাখা গেল না।’ কিন্তু মাশরাফি বলেছেন, তিনি পুরোপুরি ফিট। এ নিয়ে দু’জনার তর্কযুদ্ধের ছবিও ছাপা হয়েছে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। বিষয়টি অনেকটা ডাক্তার-রোগীর তর্কযুদ্ধের মতো। রোগী বলছেন, আমার পেটে কোনো ব্যথা নেই। ডাক্তার বলছেন, অবশ্যই আছে এবং কুইনাইন খেতে হবে। দল থেকে মাশরাফির বাদ পড়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চায়ের কাপে কম ঝড় ওঠেনি। তার জন্মস্থান নড়াইলে হরতাল পর্যন্ত হয়েছে। ‘এই বুঝি দলে ঢুকলেন মাশরাফি’—এমন একটি আশাও ধিকধিক করে জ্বলছিল বেশ কিছুদিন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হলো না।
মাশরাফির জন্য আস্ফাালন থাকলেও অন্তত গত দু’দিন উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আর বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার কারণে ক্রিকেটপাগল মানুষ বিষয়টি একপ্রকার ভুলেই গিয়েছিল। কিন্তু আবার তা চাঙ্গা হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ দেখে। পেসারদের দৈন্যতা দেখে মনে হয়েছে, ইস, মাশরাফি যদি থাকতেন?
আর মনে পড়বেই বা না কেন? ২০০৭ সালের ১৭ এপ্রিল ক্রিকেটের বরপুত্র ব্রায়ান লারার দেশ ত্রিনিদাদে ভারতের ব্যাটিং লাইন চূর্ণ বিচূর্ণ করে দিয়েছিলেন এই মাশরাফি, বাংলাদেশে এ যাবতকালের সেরা পেসার।
২০০৭ সালে নিজেদের প্রথম ম্যাচে একই দলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছিল টাইগাররা। চার বছর আগের সেই ম্যাচটি বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মনে এখনও অম্লান। কারণ শক্তিশালী ভারতের বিরুদ্ধে সে দিন ৫ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছিল টাইগাররা। দেশসেরা পেসার মাশরাফি ভারতের বিপক্ষে পাওয়া সেই জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি একাই তুলে নিয়েছিলেন শেবাগ-শচীনদের চারটি উইকেট।
তিনি ৯.৩ ওভার বল করে দু’টি মেডেনসহ ৩৮ রানের বিপরীতে পেয়েছিলেন চার উইকেট। তার ক্ষুরধার বোলিংয়ের সামনে সেদিন পোর্ট অব স্পেনে অসহায় ছিল ভারতের বিশ্বসেরা ব্যাটিং লাইন। তিনি তুলে নিয়েছিলেন হার্ড হিটার শেবাগ, রবীন উত্থাপ্পা, আগারকার ও মুনাফ প্যাটেলের মতো ব্যাটসম্যানদের। ভারত পুরো ৫০ ওভার খেলতেও পারেনি। তিন বল বাকি থাকতেই অলআউট হয়ে যায়। ৪৯.৩ ওভারে করেছিল ১৯১ রান। জবাবে ৯ বল বাকি থাকতেই ১৯২ রান নিয়ে জয় তুলে নিয়েছিল টাইগাররা। এই স্মৃতি রোমন্থন করে গতকাল অনেকেই হা-হুতাশ করেছেন। যে শেবাগকে মাশরাফি মাত্র দু’রানে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সাজঘরে, গতকাল সেই শেবাগই করলেন ১৭৫ রান। পিটিয়ে ছাতু বানিয়ে ছেড়েছেন বোলারদের। ঐ ম্যাচে রবিন উত্থাপাকে ৯, আগারকারকে ০ এবং মুনাফ প্যাটেলকে ১৫ রানে আউট করেছিলেন মাশরাফি।
গতকাল বাংলাদেশ-ভারত দ্বৈরথে নতুন
বল নিয়ে আক্রমণ শানান শফিউল ইসলাম। কিন্তু এই আক্রমণ ধারালো হয়নি। তিনি সাত ওভারে রান দিয়েছেন ৬৯। উইকেট পেয়েছেন মাত্র একটি। প্রচণ্ড মার খাওয়ায় শেষ পর্যন্ত সাকিব আর বলই তুলে দেননি শফিউলের হাতে।
ইনজুরির কারণে দলে মাশরাফির ঠাঁই হয়নি বলা হলেও মাশরাফি নিজেকে শতভাগ ফিট মনে করেন। কিন্তু কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে আনফিট বলে বাদ দিয়েছেন মূল স্কোয়াড থেকে। এই বাদ দেয়া কতটা যুক্তিযুক্ত ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে সেই প্রশ্ন থাকবে দীর্ঘদিন। যেমন মনে থাকবে মাশরাফিহীন টাইগারদের ওপর বিরেন্দর শেবাগ আর বিরাট কোহলির তাণ্ডব।

 বিশ্বকাপে দলীয় সর্বোচ্চ রান

৪১৩/৫ ভারত-বারমুডা পোর্ট অব স্পেন ২০০৭
৩৯৮/৫ শ্রীলঙ্কা-কেনিয়া ক্যান্ডি ১৯৯৬
৩৭৭/৬ অস্ট্রেলিয়া-দ. আফ্রিকা সেন্ট কিটস ২০০৭
৩৭৩/৬ ভারত- শ্রীলঙ্কা টন্টন ১৯৯৯
৩৭০/৪ ভারত-বাংলাদেশ মিরপুর ২০১১

সেরা ৫ ইনিংস

১৮৮* গ্যারি কারস্টেন দ. আফ্রিকা-আ. আমিরাত রাওয়ালপিন্ডি ১৯৯৬
১৮৩ সৌরভ গাঙ্গুলী ভারত-শ্রীলঙ্কা টন্টন ১৯৯৯
১৮১ ভিভ রিচার্ডস ওয়েস্ট ইন্ডিজ-শ্রীলঙ্কা করাচি ১৯৮৭
১৭৫* কপিল দেব ভারত-জিম্বাবুয়ে টানব্রিজ ওয়েলস ১৯৮৩
১৭৫ বীরেন্দর শেবাগ ভারত-বাংলাদেশ মিরপুর ২০১১

Friday, July 16, 2010

2011 Cricket World Cup

The World Cup is a one-day international tournament that dates back to 1975, when eight teams competed in England. West Indies dominated the first three events, winning the first two and losing surprisingly to India in the final of the third in 1983.
Since those early years the format has expanded and in the last World Cup in 2007, 16 countries played a total of 52 games over 46 days.
Australia have enjoyed a prolific run in recent times, lifting the last three Cups and winning all 22 matches of their 2003 and 2007 campaigns.
The next World Cup will be hosted jointly by Bangladesh, India and Sri Lanka in 2011 and will feature 14 nations. The event opens with Bangladesh playing India on February 19 and the final will contested in Mumbai on April 2.

Wednesday, July 14, 2010

Bangladesh World Cup Preparations


Morgan Praises Bangladesh World Cup Preparations
ICC President David Morgan.
©REUTERS / Action Images

ICC President David Morgan has taken the opportunity of a meeting with President of Bangladesh Shaikh Hasina in Dhaka to praise the work done by the local organisers of the 2011 World Cup.

The event gets underway in Dhaka on 19th February next year and he was accompanied by Bangladesh Cricket Board (BCB) President Mostafa Kamal, Chief Executive Nizamuddin Choudhury, Marylebone Cricket Club (MCC) President John Barclay and England & Wales Cricket Board (ECB) Chief Executive David Collier.

“We are grateful for your Government’s commitment to the ICC Cricket World Cup 2011 and to you and your family for their life-long commitment to our great sport," Morgan said in a statement.

“We know that a lot of time and effort is going into ensuring that Bangladesh stages a memorable tournament, along with co-hosts India and Sri Lanka. The ICC Cricket World Cup is our flagship event, the third biggest sporting event in the world and the biggest ever to be staged in Bangladesh.

“We recognise that it presents Bangladesh and its people with the chance to showcase their country on the global stage and we fully expect it to be a great occasion.”

Bangladesh meet India in the opening match of the 14-team competition, which is to be co-hosted by India and Sri Lanka.

© Cricket World 2010

kazi-music