CRICKET LIVE STREAMING

Showing posts with label prothom alo it news. Show all posts
Showing posts with label prothom alo it news. Show all posts

Friday, September 23, 2011

ফেসবুকে থাকবে পুরো জীবনের কাহিনি!

আরও সহজে পরিচালনা করা যাবে—এমন প্রতিশ্রুতি নিয়েই নতুন একটা চেহারা হাজির করেছিল সামাজিক নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট ফেসবুক। ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগলের নতুন নেটওয়ার্কিং সাইট গুগল প্লাসের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াতেই ফেসবুকের এই নতুন চেহারা দাঁড় করানো হয়েছে বলে অনুমান করেছিলেন অনেকে। তবে ফেসবুকের এই নতুন চেহারা, আরও বড় একটা পরিকল্পনার অংশ মাত্র। নতুন চেহারার ফেসবুকে এখন প্রতিটি ব্যবহারকারীর পূর্ণাঙ্গ জীবনকাহিনি লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করেছে সাইটটি। গতকাল সান ফ্রান্সিসকোতে ফেসবুকের বার্ষিক কনফারেনসে ‘টাইমলাইন’ নামের এই নতুন ফিচারটি যোগ করার ঘোষণা দিয়েছেন সাইটটির প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ।
ব্যবহারকারীর পূর্ণাঙ্গ দিনলিপি ফেসবুকে সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যেই এই ‘টাইমলাইন’ ফিচারটি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে ফেসবুক ব্যবহারকারীরা তাঁদের সারা জীবনের প্রতিটি ঘটনাই দিন-মাস-বছর ধরে লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। শুধু বর্তমান সময় থেকেই নয়, ব্যবহারকারীরা যুক্ত করতে পারবেন তাঁদের শৈশব, কৈশোরের দিনগুলোর কথাও। বলা ভালো, জন্মের পরমুহূর্ত থেকেই। তাঁরা অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন নির্দিষ্ট বছরে বা সময়ে তাঁদের জীবনের স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি, ভিডিও। পরবর্তী সময়ে কোনো তথ্য মুছে ফেলা বা বাড়তি তথ্য সংযোজনের সুযোগও থাকবে এই ফেসবুক টাইমলাইনে। জুকারবার্গের ভাষায়, ‘একটা ওয়েবপেজের মাধ্যমেই আপনি বলতে পারবেন আপনার পুরো জীবনের কাহিনি।’
— টেলিগ্রাফ

Sunday, September 11, 2011

ব্লগের লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে

ব্লগের লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে
ব্লগের লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে প্রকাশ করা যায়। এজন্য প্রথমে ফেসবুকে ঢুকতে হবে। এরপর নিচের স্ট্যাটাসবার থেকে notes-যান।এখন ডানপাশের Notes Settings/Import a blog-এ ক্লিক করে Import-এ যান। এখন Web URL বক্সে আপনার ব্লগের ঠিকানা লিখুন। এরপর Start Importing/Confirm Import বাটনে ক্লিক করুন। পরবর্তীতে ঐ ব্লগে কোন লেখা প্রকাশ করলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে চলে আসবে।

খালেদ মাহমুদ খান

Sunday, August 28, 2011

 ফেসবুকের খুঁটিনাটি

ফেসবুকের খুঁটিনাটি জানা থাকলে সামাজিক যোগাযোগের এই ওয়েবসাইটে নিশ্চিন্ত ও নিরাপদ থাকা যায় ষ মডে�

ফেসবুকের খুঁটিনাটি জানা থাকলে সামাজিক যোগাযোগের এই ওয়েবসাইটে নিশ্চিন্ত ও নিরাপদ থাকা যায় ষ মডেল: আশা

ছবি: কবির হোসেন

বাংলাদেশে এখন ১৬ লাখের বেশি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন। ফেসবুকের খুঁটিনাটি জানা ব্যবহারকারীর জন্য জরুরি। কারণ, একদিকে আরও বেশি কার্যকরভাবে ফেসবুক ব্যবহার করা যাবে, আবার নিজের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার দিকটাও দেখতে হবে। ফেসবুকের খুঁটিনাটি নিয়েই এ আয়োজন।

নাম পরিবর্তন

ফেসবুকে নাম ও অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন তথ্য পরিবর্তন করা যায়। এ জন্য প্রথমে www.facebook.com ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে হবে।ওপরে ডান পাশে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন Name-এর ডান পাশের Edit-এ ক্লিক করে নতুন নাম লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন।

ব্যবহারকারীর নাম যুক্ত করা

অনেকেই ফেসবুকে আলাদা একটা নাম (ইউজারনেম) ব্যবহার করে থাকেন। ইউজারনেম ব্যবহার করলে ফেসবুকে কাউকে সহজেই খুঁজে পাওয়া যায় এবং নিজের একটি আলাদা ফেসবুক ঠিকানা (লিংক) হয়। ফেসবুকে ঢোকার (লগ-ইন) সময় ই-মেইল ঠিকানার পরিবর্তে এই ইউজারনেম ব্যবহার করা যায়। ইউজারনেম যোগ করার জন্য প্রথমে Account/Account Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে সেখান থেকে Username-এর ডান পাশের Edit-এ ক্লিক করুন। Username বক্সে কোনো নাম লিখুন (কমপক্ষে পাঁচটি বর্ণের)। নামটি ফাঁকা থাকলে Save Changes-এ ক্লিক করুন। আর ফাঁকা না থাকলে অন্য নাম দিয়ে আবার চেষ্টা করুন। ধরুন, আপনি ইউজারনেম নির্বাচন করেছেন ARSUST, তাহলে আপনার ফেসবুকের ঠিকানা হবে http://www.facebook.com/ARSUST.

ই-মেইল ঠিকানা বদলানো

ফেসবুকে ই-মেইল ঠিকানা বদলের জন্য Account Settings-এ যেতে হবে।এখন Email-এর ডান পাশের Edit-এ ক্লিক করুন। এখন Add another email-এ ক্লিক করুন। New Email : বক্সে নতুন ই-মেইল ঠিকানা লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন। তখন ফেসবুক পাসওয়ার্ড চাইলে পাসওয়ার্ড লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন আপনার নতুন ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে। ওই মেইলে ক্লিক করলেই ফেসবুকে নতুন ই-মেইল ঠিকানাটা যোগ হবে। এখন আপনি দুটি ই-মেইল ঠিকানার যেকোনো একটি দিয়েই ফেসবুকে ঢুকতে পারবেন।

পাসওয়ার্ড পরিবর্তন

ফেসবুকে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন Password-এর ডান পাশের Edit-এ ক্লিক করে আগের পাসওয়ার্ড এবং দুবার নতুন পাসওয়ার্ড লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন। পাসওয়ার্ড লেখার সময় বর্ণ ও সংখ্যার মিশ্রণ থাকলে ভালো হয়।

নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়া

ফেসবুকে অনেকের নামের পাশে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম দেখা যায়, আবার অনেকের দেখা যায় না। এগুলো হচ্ছে একেকটা নেটওয়ার্ক। কেউ যদি তাঁর নামের পাশে কোনো নেটওয়ার্ক যুক্ত করতে চান, তাহলে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে সেখান থেকে Networks-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করুন। এখন Join another Network-এ ক্লিক করে Network name বক্সে কোনো নাম লিখে Save Changes-এ ক্লিক করুন। এভাবে আপনি একাধিক নেটওয়ার্কের সঙ্গেও যুক্ত হতে পারবেন।

ফেসবুকে অন্য অ্যাকাউন্ট

ফেসবুকে আপনার প্রোফাইলে ইয়াহু, জিমেইল, মাইস্পেস ইত্যাদির ঠিকানা যোগ করতে পারেন। এ জন্য লিংকড অ্যাকাউন্টসের ডান পাশের Edit-এ ক্লিক করে অন্য অ্যাকাউন্টগুলোর ঠিকানা লিখে দিলেই চলবে।

ফেসবুক বাংলায়

ফেসবুকের সব লেখা ইংরেজিতে। তবে আশার কথা, চাইলে ফেসবুকের সব লেখা বাংলায় পরিবর্তন করতে পারেন। এ জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে নিচে থেকে Language-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করুন। এখন Choose Primary-তে English (US)-এর পরিবর্তে বাংলা সিলেক্ট করে Save Changes-এ ক্লিক করুন। দেখবেন সব ফেসবুক বাংলা হয়ে গেছে। আবার ইংরেজি করতে চাইলে একই পদ্ধতিতে বাংলার পরিবর্তে English (US) সিলেক্ট করে Save Changes-এ ক্লিক করুন।

রেখে দিন দরকারি জিনিস

অজকাল প্রায়ই ই-মেইল ঠিকানা, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চুরি (হ্যাকড) হওয়ার কথা শোনা যায়। আপনি হয়তো অনেক দিন ধরে ফেসবুক ব্যবহার করেন। ফেসবুকে আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছবি, তথ্য ও আপনার অনেক বন্ধু আছে। কিন্তু আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট যদি চুরি হয়ে যায় বা কোনো কারণে নিষ্ক্রিয় (ডিজেবল) হয়ে যায়, তখন সবকিছুই হারিয়ে যাবে। ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকিং বা ডিজেবল হলেও যাতে কোনো তথ্য হারাতে না হয়, এ জন্য ফেসবুকের ব্যাকআপ রাখতে পারেন। ফেসবুকের ব্যাকআপ রাখার জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন সবার নিচে Download a copy-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Start My Archive-এ ক্লিক করুন। এখন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের একটি ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হতে থাকবে। ব্যাকআপ প্রোফাইল তৈরি হয়ে গেলে আপনার ই-মেইল ঠিকানায় একটি মেইল যাবে। তারপর আবার Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করে Download a copy-এ ক্লিক করে আপনার ফেসবুকের ব্যাকআপ প্রোফাইলটি ডাউনলোড করতে পারবেন।
ডাউনলোড হওয়ার পর জিপ ফাইলটি আনজিপ করুন। এখন index ফাইলটি ওপেন করলে আপনি আপনার ফেসবুকের পুরো প্রোফাইল (ছবি, ওয়াল, মেসেজ, ফ্রেন্ড) দেখতে পারবেন।

অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা

আপনি যদি আর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে না চান, তাহলে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। এখন সবার নিচে Deactivate your Account-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে দেখবেন, সেখানে লেখা আছে, আপনি কেন আপনার অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় (deactivate) করতে চান। অনেকগুলো অপশন থেকে যেকোনো একটি নির্বাচন করে Confirm-এ ক্লিক করুন। পাসওয়ার্ড চাইলে পাসওয়ার্ড এবং নিরাপত্তা সংকেত (সিকিউরিটি কোড) চাইলে সেই কোড দিয়ে ok করুন। পুনরায় চালু (Activate) করতে চাইলে শুধু login করলেই আবার অ্যাকাউন্টটি activate হয়ে যাবে।
একেবারে স্থায়ীভাবে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে চাইলে https://www.facebook.com/help/contact.php?show_form=delete_account ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে বন্ধ করে দিতে পারবেন।

ই-মেইলে খবর আসা বন্ধ করা

ফেসবুকের সব খবর ই-মেইলেচলে আসে। আপনার কাছে Add Request, message বা আপনার wall-এ কিছু লেখে বা আপনার কোনো লেখা বা ছবিতে Comments করে, তাহলে তা আবার ই-মেইলের মাধ্যমে আপনাকে জানানো হয়। এতে দেখা যায়, প্রতিদিন ফেসবুক থেকে অসংখ্য ই-মেইল আসে, যা অনেক সময় বিরক্তিকর।
এটি থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। নতুন যে পেজটি আসবে, সেটির বাঁ পাশ থেকে Notifications-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে ওই পেজের মধ্যে All Notifications-এর ডান পাশে দেখুন বেশ কয়েকটি Edit লেখা অপশন আছে। একটি একটি করে সেখানকার সব কটি Edit-এ ক্লিক করে সব কটি বক্স থেকে সব কটি টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে Save Changes-এ ক্লিক করুন।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা

কেউ যদি ফেসবুকে আপনাকে বিরক্ত করে, যেমন—বারবার বার্তা পাঠায়, বারবার Add Request পাঠায়, তাহলে আপনি তাকে ব্লক করে দিতে পারেন। ব্লক করে দিলে সে আর আপনাকে খুঁজে পাবে না। কাউকে ব্লক করতে হলে প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Privacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন একেবারে নিচে Block Lists-এর নিচে Edit your list-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Name অথবা Email বক্সে কারও নাম বা ই-মেইল আইডি লিখে Block-এ ক্লিক করে তাকে ব্লক করে দিতে পারেন। অথবা কারও প্রোফাইলের নিচের দিকে বাঁ পাশে Block-এ ক্লিক করেও কাউকে ব্লক করে দিতে পারেন।

প্রোগ্রাম গোছানো

আপনি কী কী প্রোগ্রাম ইনস্টলকরেছেন, সেসব দেখতে চাইলে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Privacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন একেবারে নিচে Apps and Websites-এর নিচে Edit your Settings-এ ক্লিক করুন।
নতুন পেজ এলে দেখতে পাবেন আপনি কী কী প্রোগ্রাম ব্যবহার করছেন। কোনোটি বাদ দিতে চাইলে পাশের কাটা চিহ্নে ক্লিক করে বাদ দিতে পারেন।

কতটা দৃশ্যমান হবেন

আপনাকে আপনার বন্ধুরা ছাড়া অন্য কেউ খুঁজে (সার্চ) পাবে না। এমনকি আপনার ই-মেইল ঠিকানা দিয়ে খুঁজলেও না।এমন ব্যবস্থা করতে চাইলে Account থেকে Privacy Settings-এ ক্লিক করুন। এখন ওপরে View settings-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Search for you on Facebook-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে Only Friends নির্বাচন করে দিন। তাহলে আপনাকে আপনার বন্ধুরা ব্যতীত অন্য কেউ খুঁজে পাবে না। এখন Send you friend requests-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, তখন যে কেউ আপনাকে friend requests পাঠাতে পারবে।
Send you messages-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, যে কেউ আপনাকে মেসেজ পাঠাতে পারবে।
See your friendlist-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে নির্বাচন করে দিন, তাহলে সবাই আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট দেখতে পারবে। এভাবে বাকি সেটিংসগুলোও নিজের মতো করে তৈরি করে নিতে পারেন।

নিজের ইচ্ছামতো

আপনি আপনার ওয়ালে কোনো কিছু লিখলে বা পোস্ট করলে সেটা কে কে বা কারা দেখবে, সেটা ঠিক করে দিতে পারেন।Privacy Settings-এ গিয়ে নিচে থেকে Customize settings-এ ক্লিক করুন। এখন Posts by me-এর ডান পাশের Everyone বাটনে ক্লিক করে ঠিক করে দিন। কাস্টমাইজও নির্বাচন করতে পারেন।
কাস্টমাইজ নির্বাচন করলে নতুন একটি উইন্ডো আসবে। এখন Make this visible to বক্সে ক্লিক করে Specific People নির্বাচন করলে যাঁরা আপনার ওয়ালের পোস্ট দেখতে পারবেন, তাঁদের নাম লিখে Save Satting-এ ক্লিক করুন (Only Me নির্বাচন করলে শুধু আপনি দেখবেন, আর কেউ দেখতে পারবে না)। যদি কিছু নির্দিষ্ট বন্ধু ছাড়া বাকি সবাই দেখতে পারবে, এমন সেটিংস করতে চান, তাহলে Hide this from বক্সে তাঁদের নাম লিখে Save Satting-এ ক্লিক করুন। এভাবে নিচের বাকি সব কটি ঠিক করতে পারবেন। প্রোফাইল ফটো বা ছবির অ্যালবাম কে কে বা কারা দেখবে, সেটা ঠিক করার জন্য Customize settings-এ যান।এখন আপনার ছবির অ্যালবামের সেটিংস কাস্টমাইজ করার জন্য ওই পেজের মধ্যখানে Edit album privacy-তে ক্লিক করুন। এখন যে অ্যালবামটির কাস্টমাইজ সেটিংস তৈরি করতে চান, সেই অ্যালবামটির নামের নিচের বাটনে ক্লিক করে কাস্টমাইজ নির্বাচন করুন। এখন Make this visible to বক্সে ক্লিক করে Specific People নির্বাচন করে যাঁদের সঙ্গে অ্যালবামটি শেয়ার করতে চান, তাঁদের নাম লিখে Save Satting-এ ক্লিক করুন।
যদি কিছু নির্দিষ্ট বন্ধু ছাড়া বাকি সবার সঙ্গে শেয়ার করতে চান, তাহলে Hide this from বক্সে তাঁদের নাম লিখে Save Satting-এ ক্লিক করুন। আপনাকে ট্যাগ করা ছবি বা ভিডিওটি আপনি ছাড়া আর কেউ দেখবে না। এমন ব্যবস্থা করতে হলে Customize settings পেজের মাঝখানে Photos and videos you’re tagged in-এর ডান পাশে Edit settings-এ ক্লিক করে Who can see photos and videos I’m tagged in-এর ডান পাশে ক্লিক করে Customize নির্বাচন করে Make this visible to বক্সে ক্লিক করে Only Me নির্বাচন করে Save Satting-এ ক্লিক করুন। যাঁরা আপনার বন্ধু নয়, তাঁদের কাছে আপনার ফেসবুক প্রোফাইলটি দেখতে কেমন দেখায়, সেটি দেখতে চাইলে সবার ওপরে ডান পাশে Preview My Profile-এ ক্লিক করুন।

হেল্প সেন্টার

ফেসবুক কিছুদিন পর পর তার সেটিংস পরিবর্তন করে। তা ছাড়া ফেসবুক কিছুদিন পর পরই নতুন নতুন অপশনও যোগ করে। কোনো একটা অপশন কোথায় আছে, তা ভুলে গেলে বা জানা না থাকলে ফেসবুক হেল্প সেন্টারের সাহায্য নেওয়া যায়। যেমন—আপনি যদি ভুল করে কোনো বন্ধুকে হাইট করে ফেলেন, তাহলে তাঁকে আবার আন-হাইট করবেন কীভাবে বা কোনো বন্ধুকে হাইট করবেন কীভাবে? এর উত্তর যদি জানা না থাকে, তাহলে এ জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশে Account থেকে Help Center-এ ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে How i unhide a friend? লিখে সার্চ করুন। রেজাল্ট এলে Expand All-এ ক্লিক করুন। আপনার সমাধান পেয়ে যাবেন।

অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা

আপনার ফেসবুকের ই-মেইল ঠিকানা, পাসওয়ার্ড যদি সবাই জেনে যায়, তাহলেও কেউ আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না। এ জন্য প্রথমে ফেসবুকে লগইন করে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন। এখন বাঁ পাশ থেকে security-তে ক্লিক করুন। নতুন পেজ এলে Login Notifications-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করুন। Email-এর পাশের বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন Login Approvals-এর ডান পাশে Edit-এ ক্লিক করে Require me to enter a security code sent to my phone বক্সে টিক চিহ্ন দেওয়ার সময় নতুন বার্তা এলে Set Up Now-এ ক্লিক করুন। এখন Phone number : বক্সে আপনার মোবাইল নম্বর লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে। কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করুন। তারপর Save Changes-এ ক্লিক করুন। এখন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লগআউট করে পুনরায় ফেসবুকে লগইন করুন। দেখবেন, Name New Computer নামের একটি পেজ এসেছে। সেখানে Computer name বক্সে কোনো নাম লিখে Add to your list of recognized devices বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে Continue-তে ক্লিক করুন।
এখন থেকে প্রতিবার আপনার কম্পিউটার ব্যতীত অন্য কারও কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চাইলে আপনার মোবাইলে একটি কোড নম্বর আসবে এবং সেই কোড নম্বরটি কোড বক্সে লিখে Continue-তে ক্লিক করলেই কেবল আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে। কাজেই আপনার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড সবাই জানলেও কেউ আপনার ফেসবুকে লগইন করতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার মোবাইলে আসা কোড নম্বরটি কোড বক্সে প্রবেশ করানো হবে। আপনার ই-মেইলে একটি মেইল যাবে, যেটাতে লেখা থাকবে কে, কখন, কী নাম দিয়ে, কোন আইপি ঠিকানা থেকে আপনার ফেসবুকে প্রবেশ করেছিল।

মোবাইল নম্বর যোগ করা

ফেসবুকে মোবাইল ফোন নম্বর যোগ করলে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট যদি কখনো চুরি হয়ে যায়, তাহলে মোবাইল নম্বর দিয়ে তা উদ্ধার করতে পারবেন। আবার আপনি ইচ্ছা করলে ফেসবুকের খবর বা নোটিফিকেশনসগুলোও মোবাইল ফোনে পেতে পারেন বিনা মূল্যে। এ জন্য প্রথমে ওপরে ডান পাশের Account থেকে Account Settings-এ গিয়ে বাঁ পাশ থেকে Mobile-এ ক্লিক করুন। এখন Add a Phone লিংকে ক্লিক করুন। নতুন উইন্ডো এলে Mobile Carrier : এ বাংলালিংক, সিটিসেল, গ্রামীণফোন, এয়ারটেল বা রবি নির্বাচন করে Next-এ ক্লিক করুন। আপনার মোবাইল নম্বরটি আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে যোগ করতে না চাইলে Add this phone number to my profile বক্স থেকে টিক চিহ্নটি তুলে দিন। আপনার মোবাইল থেকে F লিখে 32665-এ মেসেজ দিন। ফিরতি মেসেজে আপনার কাছে একটি কোড নম্বর আসবে, সেটি কোড বক্সে লিখে Next-এ ক্লিক করুন।

প্রোফাইল সেটিংস

আপনার Profile-এ ক্লিক করে ওপরে আপনার নামের নিচে Edit Profile-এ ক্লিক করে বাঁ পাশ থেকে Basic Information, Profile picture, Friends and Family, Education and work, Contact Information ইত্যাদিতে ক্লিক করে মনের মতো করে তথ্য যোগ করতে পারেন।

লেখক: কম্পিউটার প্রকৌশলী

 ওয়েবে ঈদের শুভেচ্ছা

ঈদ চলেই এল। চলছে শেষ মুহূর্তের আয়োজন। আনন্দের এই উৎসবে দূরের বা কাছের প্রিয়জন, বন্ধুবান্ধবদের কাছে শুভেচ্ছা পৌঁছে দিতে না পারলে ঈদের আনন্দটাই অপূর্ণথেকে যায়। তাই অপেক্ষা এখন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের। এই তো কিছুদিন আগেও ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে ঈদ কার্ডের বেশ জনপ্রিয়তা ছিল। এখন ঈদ কার্ডের জায়গা দখল করতে বসেছে মুঠোফোনের এসএমএস, ভার্চুয়াল শুভেচ্ছা কার্ড, ভার্চুয়াল উপহার ইত্যাদি। আপনজন যেখানেই থাকুক, ইন্টারনেটের মাধ্যমে সহজেই এখন সেই শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়া যায়। তাই শুভেচ্ছা জানানোর এসব ভার্চুয়াল উপকরণের দিকেই ঝুঁকছে নতুন প্রজন্ম। ঈদ উপলক্ষে এসব ভার্চুয়াল আয়োজন নিয়ে যেমন রয়েছে বেশ কিছু ওয়েবসাইট, তেমনই সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতেও ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে পাওয়া যায় বিভিন্ন মজার প্রোগ্রাম।
যেকোনো বিশেষ দিনে বা উৎসবে শুভেচ্ছা বিনিময়ের উপকরণ হিসেবে প্রথমেই চলে আসে কার্ডের নাম। ওয়েবে সেই কার্ডকে বলা হয় ই-কার্ড। ই-কার্ডের খুব ভালো সংগ্রহ নিয়ে জনপ্রিয় হয়েছে www.123greetings.com। বিশেষ দিন এবং বিভিন্ন উৎসবের সুন্দর সুন্দর শুভেচ্ছাবার্তাযুক্ত ই-কার্ড পাওয়া যায় সাইটটিতে। এখানকার প্রায় সব ই-কার্ড ফ্ল্যাশ অ্যানিমেশনে তৈরি। চাইলে কার্ডের রং পরিবর্তন করে আপনার পছন্দের রংটিও দিয়েদিতে পারবেন।সাইটটির মাধ্যমে আপনার পছন্দের ঈদ কার্ড নির্বাচন করে যাকে পাঠাবেন, তার নাম ও ই-মেইল ঠিকানা লিখে সেন্ড বাটনে ক্লিক করলে কার্ডটি প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। যদি বিভিন্ন ব্যস্ততায় ঠিক সময়ে শুভেচ্ছা পাঠাতে ভুলে যাওয়ার ভয় থাকে, তবে নির্দিষ্ট দিনটি নির্বাচন করে শুভেচ্ছা পাঠানোর কাজটি আগেভাগেই সেরে রাখতে পারবেন সাইটটির মাধ্যমে।
ই-কার্ডের সংগ্রহ নিয়ে চমৎকার একটি বাংলাদেশি ওয়েবসাইট হলো www.bdgreetingscard.com। এখানে আপনার পছন্দের ই-কার্ডটি কারও ই-মেইলে পাঠানোর পাশাপাশি ফেসবুকের বন্ধুদেরও পাঠাতে পারবেন।
ঈদের বিভিন্ন ধরনের ফ্লাস কার্ড নিয়ে সাজানো ঈদ শুভেচ্ছা পাঠানোর আরেকটি ওয়েবসাইট www.eidwishes.com। এখানে ঈদ কার্ডের সঙ্গে শুভেচ্ছাবার্তা লিখে দেওয়ার সুবিধাও পাওয়া যাবে। এ ধরনের আরেকটি ওয়েবসাইট www.eidmubarak.com,যেখানে শুভেচ্ছাবার্তার সঙ্গে স্মাইলি যুক্ত করার সুবিধাও রয়েছে। এক্ষেত্রেও কার্ডটি পাঠাতে হবে অবশ্যই কোনো ই-মেইল ঠিকানায়।
অন্যদিকে, www.islamicgreetings.com সাইটটিতে রয়েছে ই-কার্ডের সঙ্গে যেকোনো ফাইল যুক্ত করার সুবিধা।
ই-কার্ড পাঠানোর কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানা
www.eid-mubarak.net
www.dgreetings.com
www.higreetings.com
www.eid-greetings.com
www.10greetings.com
www.deepestfeelings.com
www.eid-card.net
www.freeonlinegreetings.net
ফেসবুক ব্যবহারকারীরা ফেসবুক স্ট্যাটাস, মেসেজ কিংবা বন্ধুরফেসবুক ওয়ালেলেখার মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন। তবেফেসবুকে ঈদের শুভেচ্ছা কার্ড কিংবা ভার্চুয়াল উপহার পাঠানোর কিছু মজার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে শুভেচ্ছা বিনিময়ে বৈচিত্র্য আনতে পারেন। ফেসবুক বন্ধুদের ঈদ কার্ড পাঠানোরতেমনই একটি অ্যাপ্লিকেশন পাবেন http://apps.facebook.com/eid-card-bfgffj/
ঠিকানায়।
মুঠোফোনে এসএমএসের মাধ্যমে একে অন্যকে শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়ে থাকেন। মজার মজার ঈদ এসএমএস সংগ্রহ করতে পারেন ইন্টারনেটথেকে। তেমনই কিছু ওয়েব ঠিকানা হলো
www.allbestmessages.com
www.lovelysms.com
www.sms44.com
www.sms4smile.com
www.smsglitz.com
www.sendmassage.com

Saturday, August 20, 2011

 সফটওয়্যার বলেদেবে আপনি কেমন


মানুষের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আগাম বলার জন্য তারকাদের মুখচ্ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। নম্বরের ভিত্তি

মানুষের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আগাম বলার জন্য তারকাদের মুখচ্ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। নম্বরের ভিত্তিতে বাঁথেকে ডানদিকে ছবির অবস্থান। উপরের সারিতে কর্তৃত্ব পরায়ণ ব্যক্তিদের রাখা হয়েছে। মাঝের সারিতে তাঁরাই আছেন যাঁদেরকে হুমকির কারণ বলে মনে হয়েছে। আর নিচের সারিতে আছেন আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারীরা।

আপনি সুন্দর না কুৎসিত, আকর্ষণীয় না অনাকার্ষণীয় তা বলে দেবে সফটওয়্যার। আপনার দাঁত, ত্বক, চুলের অবস্থা পরীক্ষা করে এ সিদ্ধান্ত দেবে সফটওয়্যার। শুধু তাই নয়, ব্যক্তি হিসেবে আপনি কেমন অর্থাৎ আপনি বিশ্বাসযোগ্য কি না, অন্তর্মুখী না বহির্মুখী, আপনার মন উদার কি না, আপনার প্রতিযোগিতা করার মনোভাব আছে কি না, আপনি আধিপত্য বিস্তার করতে পারেন কি না তাও পরীক্ষা করে বলে দেবে সফটওয়্যার। মুখমণ্ডল শনাক্তকরণের একটি নতুন সফটওয়্যার এসব কাজ করবে। নতুন এই সফটওয়্যারটির নাম অটোমেটিক প্রেডিকশন অফ ফেসিয়াল ট্রেইট জাজমেন্টস।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক এই সফটওয়্যার তৈরি করেছেন। তাঁরা দাবি করেছেন, মানুষের মুখমণ্ডল পরীক্ষা করে তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বলে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই সফটওয়্যারের সফলতা ৯১ থেকে ৯৬ শতাংশ। গবেষকেরা জানান, তাঁরা বেশ কয়েকজন তারকা ব্যক্তিত্বের মুখমণ্ডলের ওপর এ পরীক্ষা চালিয়েছেন। তাতে দেখা হচ্ছে, তাঁদের সম্পর্কে জনগণের ধারণার সঙ্গে সফটওয়্যারের ফলাফল মিলে গেছে। স্পেনের বার্সেলোনার অটোনোমাস ইউনিভার্সিটির একজন গবেষক মারিও রোজাস এই সফটওয়্যার তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন। তিনি বলেন, অপরাধী ধরার ক্ষেত্রে, যেকোনো নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন করার ক্ষেত্রে বা বিয়ের পাত্রপাত্রী নির্বাচনে এ সফটওয়্যার খুব কাজে আসবে।

—সিনেট অবলম্বনে রোকেয়া রহমান

Sunday, August 7, 2011

সিমকার্ড নম্বর জানুন

নতুন সিম কিনলে অনেক সময় মনে থাকে না, সিমকার্ডের নম্বর কত? অথবা যাঁদের একাধিক সিমকার্ড, তাঁরাও অনেক সময় মনে রাখতে পারেন না কোন সিমকার্ডের নম্বর কত? নিচের পদ্ধতি অনুসারে সহজেই জানতে পারবেন, কোন সিমের নম্বর কত? গ্রামীণফোন—*১১১*৮*২# রবি—*১৪০*২*৪# এয়ারটেল—*১২১*৬*৩#

সিস্টেম রিস্টোর বন্ধ করে দিন

অনেক সময় কম্পিউটারের সিস্টেম রিস্টোরে অনেক অপ্রয়োজনীয় ফাইল জমে হার্ডডিস্কের মেমোরি দখল করে রাখে। এমনকি অনেক ভাইরাসও সেখানে আসন পেতে বসে, যা আবার অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দিলেও সেই সিস্টেম রিস্টোরের মেমোরির কোনো পরিবর্তন হয় না। কম্পিউটারের সিস্টেম রিস্টোর বন্ধ করে দিতে চাইলে প্রথমে My computeৎ-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Pৎopeৎties-এ যান। এখন System Restoৎe-এ ক্লিক করে Tuৎn off System Restoৎe on all dৎives-এ ঠিক চিহ্ন দিয়ে ok-তে ক্লিক করুন। নতুন একটি উইন্ডো এলে সেটির yes-এ ক্লিক করুন। দেখবেন, কম্পিউটারের সিস্টেম রিস্টোর বন্ধ হয়ে গেছে।
এখন My Computeৎ-এর মেন্যুবারের Tools থেকে Foldeৎ options নির্বাচন করে View-তে ক্লিক করুন। Show hidden files and foldeৎs-এ ঠিক চিহ্ন দিন এবং Hide extensions foৎ known file types ও Hide pৎotected opeৎating system files বক্স থেকে ঠিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। এখন দেখবেন, হার্ডডিস্কের প্রতিটি ড্রাইভে System Volume Infoৎmation নামে একটি লুকায়িত ফোল্ডার দেখা যাচ্ছে এবং সেটির ভেতরে কোনো ডেটা নেই (থাকলেও সেগুলো ডিলিট করে দেন) এবং কম্পিউটারে ফাঁকা অংশের পরিমাণও অনেক বেড়ে গেছে।
—মো. আমিনুর রহমান

Saturday, July 30, 2011

আইপি ঠিকানা থেকে দূরত্ব নির্ণয়


পরিচিত বা অপরিচিত কেউ ই-মেইল করেছে। আপনি ই-মেইল থেকে তার আইপি (ইন্টারনেট প্রটোকল) ঠিকানা জানতে পেরেছেন। এখন চাইলে সে কোথায় আছে, মানে তার অবস্থান এবং আপনার কাছ থেকে তার দূরত্ব আইপি দিয়ে বের করতে পারবেন। আপনার আইপি ঠিকানা ও প্রেরকের আইপি ঠিকানার অবস্থান কোথায় এবং একটি থেকে অন্যটির দূরত্ব কত, এ দূরত্ব অতিক্রম করতে পায়ে হেঁটে, গাড়িতে বা বিমানে কত সময় লাগবে সবকিছু বের করতে পারবেন।
দুটি আইপি ঠিকানার দূরত্ব বের করতে www.ip-adress.com/ipaddressdistance ঠিকানার ওয়েবসাইটে যেতে হবে। নিচে বাঁ পাশে IP Address or Host No.1: -এ দেখবেন আপনার আইপি ঠিকানা দেওয়া আছে। IP Address or Host No.2: -এ অন্য আইপি ঠিকানা দিয়ে Show Distance বাটনে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার আইপি ঠিকানা থেকে অন্য আইপি ঠিকানাটি কত মাইল দূরত্বে অবস্থিত, তার কাছে পায়ে হেঁটে যেতে কত সময় লাগবে, গাড়িতে যেতে কত সময় লাগবে, বিমানে যেতে কত সময় লাগবে ইত্যাদি দেখাচ্ছে। এবং ডান পাশে একটি মানচিত্রের সাহায্যে দেখতে পাবেন দুটি আইপির অবস্থান এবং দূরত্ব কত? আপনার আইপি ছাড়া অন্য দুটি আইপি ঠিকানার দূরত্ব এবং অবস্থান জানতে হলে IP Address or Host No.1: -এর নিচের বোতামে টিক চিহ্ন দিয়ে ডান পাশের বক্সে একটি আইপি ঠিকানা লিখুন এবং অন্যটি IP Address or Host No.2: -এ লিখে Show Distance বাটনে ক্লিক করুন। মনে রাখবেন আইপি ঠিকানার অবস্থান বলতে কোন সার্ভিস প্রোভাইডার থেকে আইপি ঠিকানাটির সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে, সেই সার্ভিস প্রোভাইডারের অবস্থানকে নির্দেশ করে।
—মো. আমিনুর রহমান


Wednesday, July 27, 2011

ফেসবুকে ফেলে আসা দিনগুলো

যাঁরা ফেসবুক ব্যবহার করেন তাঁরা অনেকেই হয়তো ভুলে গেছেন, প্রথম ফেসবুক স্ট্যাটাস কী ছিল অথবা কোনো দিন থেকে আপনি ফেসবুক ব্যবহার শুরু করেছেন। অনেকেই চান প্রথম দিকের সেই স্ট্যাটাসগুলো আবার দেখতে বা পড়তে। আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এসব পাওয়া না গেলেও একটি ওয়েবসাইট আপনার সব স্ট্যাটাস তাদের আর্কাইভে সংগ্রহ করে রেখেছে আপনার জন্যই। তেমনি একটি ওয়েবসাইট আর্কাইভবুক (archivedbook)। আর্কাইভবুকে আপনি আপনার ফেসবুকের শুরুর দিন থেকে আজ পর্যন্ত শেয়ার করা সব স্ট্যাটাস তারিখানুসারে পেয়ে যাবেন। সেই সঙ্গে আপনার ফেসবুকবন্ধুদেরও সব স্ট্যাটাস ও শেষ ৩০ দিনে আপনার স্ট্যাটাসে কতগুলো কমেন্ট ও লাইক পড়েছে তাও জানতে পারবেন। এখনই আপনার ফেসবুক আর্কাইভ পেতে http://archivedbook.com এই ঠিকানায় প্রবেশ করুন।—সাজিদুল হক

Saturday, July 23, 2011

 এসেছে গুগল+

 তারিখ: ২২-০৭-২০১১

নেটিজেনদের মধ্যে এখন একটাই আলোচনা, ফেসবুকের একক আধিপত্যে ভাগ বসাতে যাচ্ছে গুগল + (প্লাস)। গুগলের সামাজিক যোগাযোগের নতুন এ সেবা কী সুবিধা দিচ্ছে? অনেকে তো রীতিমতো ব্যবহার করাই শুরু করে দিয়েছেন, বিশেষ করে অনেক অফিসেই ফেসবুকের ব্যবহার বন্ধ। সেসব অফিসের কর্মীরা যেন বিকল্প খুঁজে পেলেন গুগল প্লাসে।
৭ জুলাই থেকে গুগল প্লাস সবার জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো এটা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। ফেসবুকের নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবেই আবির্ভূত হতে চাচ্ছে গুগল ইনকরপোরেটেডের গুগল +। গুগলের আরও দুটি সামাজিক সাইট অরকুট এবং গুগল বাজ হালে তেমন পানি না পেলেও গুগল প্লাস সামাজিক নেটওয়ার্ক হিসেবেই এসেছে। গুগল প্লাসের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটা জিমেইল থেকে সরাসরি ব্যবহার করা যায়, ফলে নতুন করে নাম, পাসওয়ার্ড দিয়ে এটায় ঢুকতে (লগ-ইন) হয় না।
ফেসবুকের সঙ্গে জনপ্রিয়তায় গুগল প্লাস পারবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে। তবে এরই মধ্যে গুগল প্লাসের সদস্য সংখ্যা সারা বিশ্বে ২ কোটির মতো। বাংলাদেশেও অনেকে এটি ব্যবহার করছেন। জেন্ড সনদপ্রাপ্ত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হাসিন হায়দার বলেন, ‘গুগল প্লাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ছবি শেয়ারিং। ছবির মান এবং স্টাইল অনেক দিক দিয়েই ফেসবুকের চেয়ে ব্যতিক্রম। এ ছাড়া তেমন কোনো পার্থক্য চোখে পড়েনি।
টেকনো ভিলা সলিউশনের পরিচালক মো. রাকিবুল ইসলাম জানান, গুগল প্লাসের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক আমার দৃষ্টিতে ‘সার্কেল’, যার মাধ্যমে বিভিন্ন স্তরের বন্ধুদের খুব সহজেই আলাদা করা যায়।’ হলিক্রস কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী নিশাত সালসাবিল জানায়, নতুন যেকোনো কিছুই সবার কাছে আকর্ষণীয় মনে হয়। এ ছাড়া গুগল প্লাস আসায় একটা নতুন প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। যেটা হয়তো ফেসবুককে আরও এগিয়ে নেবে।
কলেজশিক্ষক কে এম হুসনুজ্জাহিদ বলেন, ফেসবুকের স্ট্যাটাসগুলো শেয়ার করা হলে বন্ধু, ছাত্র সবাই দেখতে পারে। কিন্তু গুগল প্লাসের সার্কেল এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে। বিডিঅলইনফোর তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সাদ্দাম হোসেন বলেন, গুগল প্লাস অনেক ভারী, খুলতে সময় নেয় অনেক বেশি। বাংলাদেশে জনপ্রিয় হতে হলে একে আরও হালকা করতে হবে।
https://plus.google.com হচ্ছে গুগল প্লাসের ঠিকানা। অনেকটাই ফেসবুকের আদলে তৈরি এ গুগল প্লাস। এখানে ফেসবুকের মতো নিজেদের মধ্যে নানা রকম চক্র (সার্কেল) তৈরি করা যাবে। ছবি ও ভিডিও রাখা যাবে। এতে রয়েছে ফটো ট্যাব, ভিডিও ট্যাব, +১ ট্যাব, বাজ ট্যাব। যাঁদের গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট নেই, তাঁরাও অন্যের গুগল প্লাস প্রোফাইল দেখতে পারবেন, যেটা ফেসবুকে সম্ভব নয়। আর এ সবই গুগল সার্চে দেখাবে কি না, তাও নির্ধারণ করা যাবে প্রোফাইলে।

কেমন এই গুগল+
গুগল প্লাস এখন মজিলা ফায়ারফক্স, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম এবং সাফারি দিয়ে খোলা যায়। এতে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানানো যায়। বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানাতে গুগল প্লাসের ডানের প্যানেলে (সদ্য যুক্ত হওয়া) Send invite -এর Invite people to join Google+-এ ক্লিক করতে হয়। যে উইন্ডো আসবে সেখানে +Add people to invite অংশে যাঁকে আমন্ত্রণ জানাতে চান, তাঁর ই-মেইল ঠিকানা লিখে Invite বাটনে ক্লিক করলে তাহলেই আপনার বন্ধুর ই-মেইলে গুগল+ ইনভাইটেশন চলে যাবে।
গুগল প্রোফাইল: এখন থেকে গুগল প্রোফাইল বলে আলাদা কোনো পেজ আর থাকছে না। গুগল প্রোফাইল গুগল প্লাসের প্রোফাইল হিসেবে ব্যবহূত হবে এবং গুগল প্রোফাইল লিংকে (যেমন, https://profiles.google.com/kmarsus) ঢুকলে তা চলে যাবে (ফরওয়ার্ড) গুগল প্লাসের প্রোফাইলে।
লেখা দেখানো: কোনো লেখা বা পোস্ট অন্যদের দেখাতে চান কি না, তা বলে দেওয়া যাবে এতে। এটা সবার জন্য (পাবলিক) নয়, নির্দিষ্ট সার্কেলের জন্য তা-ও ঠিক করে দেওয়া যাবে। এ জন্য Share বাটনের ওপর Add more people-এ ক্লিক করতে হবে।
গুগল +১: বেশ কিছুদিন আগে গুগল +১ বাটন এনেছে গুগল। এটা অনেকটা ফেসবুক লাইক বাটনের মতো। গুগল প্রোফাইলে +১ বাটন থাকলে তাতে Show this tab on my profile-এ ক্লিক করে +১ বাটন সক্রিয় করুন। আর যদি +১ বাটন না থাকে, তাহলে গুগলে সার্চ করুন এবং দেখুন ফলাফলের ডানে +১ বাটনে রয়েছে। এই ১ বাটনে ক্লিক করুন এবং নতুন উইন্ডো থেকে Confirm and +1 বাটনে ক্লিক করুন।
সার্কেল তৈরি এবং বন্ধুদের যুক্ত করা: সার্কেলকে বিভাগ বা ফেসবুকের তালিকার মতো বলা যায়। সার্কেল তৈরি করতে Circles-এ ক্লিক করে দেখা যাবে নিচে কতগুলো সার্কেল রয়েছে। এখানে বাঁয়ে Drop here to create a new circle-এ ক্লিক করে সার্কেল তৈরি করা যাবে। এখন বন্ধুদের সার্কেলের ওপর টেনে আনলেই হবে। এ ছাড়া কোনো বন্ধু বা প্রোফাইল সার্কেলে যুক্ত করা না থাকলে Add to circles-এ ক্লিক করে পছন্দের সার্কেলে যুক্ত করা যাবে।
জিমেইল থেকে: জিমেইল থেকে গুগল প্লাসে পোস্ট করতে চাইলে জিমেইলের ওপর ডানে Share-এ ক্লিক করে লিখে Share বাটনে ক্লিক করলেই হবে।
জিমেইল নোটিফিকেশন: গুগল প্লাসে কোনো হালনাগাদ (আপডেট) এলে তা জিমেইলের ওপর ডানে Notifications-এ সংখ্যা দেখা যাবে। এখানে ক্লিক করে নোটিফিকেশনগুলো পাওয়া যাবে এবং নোটিফিকেশনটিতে ক্লিক করলে গুগল প্লাস পেজ খুলবে। এ ছাড়া ওপরে বাঁ পাশে গুগল প্লাসের একটি ট্যাবও থাকবে। এখানে ক্লিক করে গুগল প্লাসে যাওয়া যাবে।
জিমেইলে গুগল প্লাসের মেইল: গুগল প্লাসে কোনো হালনাগাদ এলে বা মন্তব্য করলে তা জিমেইলে ই-মেইল হিসেবে আসবে, যেমনটা গুগল বাজের ক্ষেত্রে আসে। তবে চাইলে গুগল প্লাসের সেটিংস থেকে এই মেইল আসা বন্ধ করা যাবে।
গুগল পিকাসা: গুগল পিকাসাতে থাকা ‘পাবলিক’ ছবির অ্যালবামগুলো গুগল প্লাসের ফটো ট্যাবে দেখা যাবে। আর গুগল প্লাস থেকে কোনো ছবি যুক্ত করলে তা গুগল পিকাসার স্ক্র্যাপবুক ফটোস অ্যালবামে যুক্ত হবে।
গুগল প্লাস থেকে মেইল করা: গুগল প্লাস থেকে কোনো বন্ধুকে সরাসরি মেইল করা যাবে, যা তার জিমেইলে পৌঁছে যাবে। এ জন্য বন্ধুর প্রোফাইলে বাঁ পাশে থাকা ছবির নিচে Send an Mail বাটনে ক্লিক করে মেইলের বিষয় এবং মেইল লিখে Send Mail বাটনে ক্লিক করলেই হবে। কোনো বন্ধুকে মেইল পাঠালে তা জিমেইলের ইনবক্সে এবং সেন্টে চলে আসবে।
মুঠোফোনে গুগল প্লাস: মুঠোফোনে গুগল প্লাস ব্যবহার করা যাবে m.google.com/plus ঠিকানার সাইট থেকে।
চ্যাট করা: গুগল প্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে অনলাইন চ্যাট করা যাবে বাঁ পাশের Chat-এ ক্লিক করে।
হ্যাংআউটস: হ্যাংআউটস হচ্ছে বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও এবং ভয়েস চ্যাট করার ব্যবস্থা। ডানের প্যানেলে Start a Hangout-এ ক্লিক করলে নতুন একটি উইন্ডোতে হ্যাংআউটস চালু হবে। এ জন্য অবশ্য গুগল ভয়েস প্লাগইন ইনস্টল থাকতে হবে।
স্পার্কস: স্পার্কস হচ্ছে কোনো ওয়েবসাইটে ফিড থেকে তথ্য দেখার ব্যবস্থা। বাঁ পাশের Sparks-এ ক্লিক করলে কিছু ডিফল্ট স্পার্কস আসবে, এখানে কোনোটির ওপর ক্লিক করলে বা সার্চ বক্সে কোনো বিষয় বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে সার্চ করলে ফলাফল আসবে। স্পার্কটিকে সেভ করে রাখতে চাইলে অফ interest বাটনে ক্লিক করলে বাঁ পাশের প্যানেলে তা যুক্ত হবে।
সাজেশন: ফেসবুকের মতো Suggestions দেখা যাবে ডানের প্যানেলে।
গুগল প্লাস সেটিংস: গুগল প্লাস সেটিংস থেকে দরকারি কিছু পরিবর্তন করা যাবে, এ জন্য ওপরের ডানে Options বাটনে ক্লিক করে Google+ Settings-এ ক্লিক করে বিভিন্ন সেটিং পরিবর্তন করা যাবে। যেমন, মেইল হিসেবে আসা নোটিফিকেশন বন্ধ করা, প্রাইভেসি পরিবর্তন করা, ভাষা সেট করা, ডাটা ডাউনলোড করা, অন্য অ্যাকাউন্ট যুক্ত করা এবং গুগল প্লাস অ্যাকাউন্ট ডিলিট করা ইত্যাদি।
ফেসবুক বনাম গুগল+
ফেসবুক এবং গুগল প্লাসের মধ্যে মিল অনেক। তবে কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে দুই সাইটেই।
গুগল+ এবং ফেসবুকের সাদৃশ্য
গুগল+ এ রয়েছে Stream, যা ফেসবুকে Status. যাতে লেখার পাশাপাশি ছবি, ভিডিও, ওয়েব ঠিকানা ভাগাভাগি করা যায়।
ছবিতে ট্যাগ এবং মন্তব্য করা যায় দুটিতেই।
নোটিফিকেশন ব্যবস্থা।
চ্যাট করার ব্যবস্থা।
দুটি সাইটেই বন্ধু খোঁজার ব্যবস্থা রয়েছে
ফেসবুকে লাইক আর গুগল প্লাসে +১
গুগল প্লাসে সার্কেল আর ফেসবুকে লিস্ট
গুগল প্লাসের বাড়তি সুবিধা
গুগল+ এ লোকেশন শেয়ার করা যায়।
গ্রুপ ভিডিও চ্যাটিং (হ্যাংআউটস) করা যায়।
গোপনীয়তার বিষয়টি যেভাবে গুগল প্লাসে দেখা হয়েছে, ততটা হয়নি ফেসবুকে।
গুগল প্লাস এখনো ফেসবুকের মতো অসংখ্য প্রোগ্রাম থেকে মুক্ত।
গুগল প্লাসে যা নেই
ফেসবুকে গ্রুপ, নোট, প্রচুর প্রোগ্রাম রয়েছে, যা গুগল+ এ নেই।

kazi-music