CRICKET LIVE STREAMING
Tuesday, August 31, 2010
Wednesday, August 25, 2010
বিউটি কুইন শাবানা -কিংবদন্তি
ঢাকার ছবিতে প্রায় ৩০ বছর ধরে শাবানা ছিলেন জনপ্রিয় নায়িকা। শাবানা নাম শুনতেই দর্শক উন্মনা হয়ে উঠত। যদি শুনত ছবিঘরে শাবানার ছবি চলছে, দর্শক হুমড়ি খেয়ে ছুটে যেত শুধুই তার ছবি দেখার জন্য। শাবানার নামেই ১৯৬৬ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত ছবি চলত। দেশজুড়ে তার ছিল লাখ লাখ ভক্ত। সেই শাবানা প্রায় ১৫ বছর ধরে ছবির জগত থেকে বিদায় নিয়েও সেদিন-এদিনের দর্শকের মনে এখনও রেখাপাত করে আছেন। শাবানা যখন নায়িকা ছিলেন তখন সবশ্রেণীর লোকজন ছবি দেখত। কী ছাত্র, কী চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার, গৃহিণী, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার সব পেশার লোকজন তার ছবি দেখার জন্য ছবিঘরে ভিড় করত। আর এ জন্যই শাবানা জীবদ্দশায় হয়েছেন কিংবদন্তির নায়িকা।
সেই শাবানা এখন থাকেন আমেরিকার নিউইয়র্কে। ছেলেমেয়ে বিয়ে দিয়ে তিনি আজ অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। সিনেমার সেই গৌরবময় দিনগুলো তাকে আজও পিছু টানে।
গেল বছর শাবানা ঢাকায় এসেছিলেন। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, কত স্মৃতি মুছে গেছে, কত স্মৃতি চাপা পড়ে গেছে। কত ঘটনা আমাকে ভেঙেছে, গড়েছে; তবুও এক সময় মনে হয়, সব কিছুই কি ভুলে গেছি? সব স্মৃতি ভুলে থাকা, সে তো নয় ভোলা। পুরনো দিনগুলোয় ফিরে গিয়ে শাবানা বারবার কেমন যেন হয়ে গিয়েছিলেন। ১৯৬১ সালে ‘নতুন সুর’ ছবিতে প্রথম শিশু শিল্পী হিসেবে অভিনয় শুরু করি। যদিও ছবিটা রিলিজ হয়েছিল ১৯৬২ সালে। তখন আমার বয়স ১১ কি ১২ বছর। বাবার উত্সাহে ফিল্মে এসেছিলাম। বাবা আমাকে নিয়ে যেতেন শুটিংয়ে। এহতেশাম চাচাই আমাকে প্রথম অভিনয়ের সুযোগ দিলেন। আবার এহতেশাম চাচার উর্দু ছবি চকোরিতে প্রথম নায়িকা হয়েও এসেছিলাম। এ ছবি থেকেই রত্না থেকে হয়ে গেলাম শাবানা।
শাবানার পৈতৃক বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ডাবুয়া গ্রামে। তার বাবা ফয়েজ চৌধুরী এক সময় চিত্র পরিচালক ছিলেন। এরও আগে তার আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় মেয়েকে ফিল্মে দিয়ে এবং নিজে চলচ্চিত্রে জড়িয়ে ভাগ্য গড়ার চেষ্টা চালাতে থাকেন। একদিন তার সে আশা পূরণ হয়েছিল। শাবানা তখন রত্না নামে ‘নতুন সুর’ ছবিতে অভিনয়ের পরে তালাশ, সাগর, ভাইয়াসহ আরও কয়েকটি ছবিতে অভিনয় করলেন।
১৯৬৬ সাল থেকে তার উত্থান ঘটতে শুরু হয়। সে বছরই ‘আবার বনবাসে রূপবান’-এ সুলতানা জামানের কন্যা সোনাভানের চরিত্রে অভিনয় করে নায়িকা হিসেবে রত্না প্রথম দর্শকের মন কাড়লেন। এরপর ‘জংলী মেয়ে’ এবং ‘চকোরি’ ছবি দুটিতে প্রধান নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করার পর শাবানাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। শাবানা তার অভিনয়ের প্রথম দিককার সম্পর্কে একবার বলেছিলেন, ১৯৬৭ সালে ‘চকোরি’ রিলিজের পর থেকে আমার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ল ঢাকার বাইরে লাহোর ও করাচিতে। ১৯৬৮ সালে নায়িকা হিসেচে চাঁদ আওর চাঁদনী, ভাগ্যচক্র এবং কুলীতে; ১৯৬৯ সালে-দাগ, মুক্তি; ১৯৭০ সালে ‘পায়েল, সমাপ্তি, ছদ্মবেশী, বাবুল, মধু মিলন ও একই অঙ্গে এত রূপ’-এ অভিনয় করলাম। রাজ্জাক-সুচন্দা জুটির অসম্ভব জনপ্রিয়তার সময় কাজী জহিরের ‘মধুমিলন’-এ অভিনয় দেখে দর্শক প্রশংসা শুরু করল আমাকে নিয়ে। দ্বৈত অনুরাগের সংঘাত ও পরিণতির ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এ ছবি দর্শকের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন তোলে। আমার তো মনে হয়, ‘মধু মিলন’ ছবিতে সম্ভবত প্রথম হৃদয়স্পর্শী অভিনয় দেখাতে সক্ষম হয়েছিলাম।
স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে আবার ছবি নির্মাণের হিড়িক পড়ে গেল। শাবানা আগের জনপ্রিয়তা নিয়ে ১৯৭২ সালেই ৮টি ছবির নায়িকা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি ‘ওরা এগারো জন’ আর কাজী জহিরের ‘অবুঝ মন’ করে সারা বাংলাদেশে জানান দিলেন ঢাকার ফিল্মে শাবানার যে তুলনা হয় না। অন্যান্য ছবি যেমন—সমাধান, ছন্দ হারিয়ে গেল, এরাও মানুষ, মুন্না আওর বিজলী, চৌধুরী বাড়ি আর স্বীকৃতিও সফল হয়েছিল।
সামাজিক ছবির পাশাপাশি পোশাকি ছবি নির্মিত হতে থাকলে সেখানেও শাবানা ছিলেন সবার আগে। যেমন—দুই রাজকুমার, রাজরানী, রাজ দুলারী, শাহাজাদা, মালকা বানু, বানজারান প্রভৃতি করেও কম খ্যাতি পাননি। এদিকে ফকির মজনু শাহ, চাষীর মেয়ে, উত্সর্গ, মায়ার বাঁধন, আগুন, সোহাগ, মাটির ঘর, বধূ বিদায়, দুই পয়সার আলতা, লালু ভুলু, ভাত দে, লাল কাজল প্রভৃতি তাকে একজন সত্যিকার অভিনেত্রীর মর্যাদার স্বীকৃতি এনে দিয়েছিল।
প্রথমদিকে শাবানা নাদিম, আজিম, কাশেম, রাজ্জাক এবং পরবর্তী সময়ে ওয়াসিম, আলমগীর, জাভেদ প্রমুখের রোমান্টিক নায়িকা ছিলেন। তার অভিনীত স্মরণীয় ২০টি ছবি হলো—১. চকোরি (১৯৬৬), ২. পায়েল (১৯৬৯), ৩. ওরা এগারোজন (১৯৭২), ৪. অবুঝ মন (১৯৭২), ৫. দস্যুরানী (১৯৭৩), ৬. মালকা বানু (১৯৭৪), ৭. দুই রাজ কুমারী (১৯৭৫), ৮. অনেক প্রেম অনেক জ্বালা (১৯৭৫), ৯. আঁধার পেরিয়ে (১৯৭৫), ১০. জীবন সাথী (১৯৭৬), ১১. কাপুরুষ (১৯৭৮), ১২. আয়না (১৯৭৯), ১৩. চোখের মনি (১৯৭৯), ১৪. বিজয়িনী সোনাভান (১৯৭৯), ১৫. সাথী তুমি কার (১৯৮০), ১৬. দুই পয়সার আলতা (১৯৮২), ১৭. মরণের পরে (১৯৮৯), ১৮. কাজের বেটি রহিমা (১৯৯১), ১৯. স্বামীর আদেশ (১৯৯১) এবং ২০. অন্ধ বিশ্বাস (১৯৯২)—এসব ছবির কথা এখনও সেদিনের দর্শকরা মনে রেখেছে।
১৬ বছর বয়সে কোটিপতি!
লন্ডন, আগস্ট ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)---- মাত্র ১৬ বছর বয়সেই কোটিপতি বনে গেছেন যুক্তরাজ্যের স্কুলে পড়�য়া কিশোর ক্রিশ্চিয়ান ওয়েনস।
কম্পিউটার পটু ক্রিশ্চিয়ান হাতখরচের টাকা দিয়ে প্রথম বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলেন মাত্র ১৪ বছর বয়সে।
এর এক বছর পরই চালু হয় তার 'ম্যাক বক্স বান্ডেল' নামের ফার্ম।
এ প্রতিষ্ঠানটি কমদামে 'অ্যাপলের ম্যাক' কম্পিউটারের বিভিন্ন সফটওয়ার বিক্রি করতো। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেছে ফার্মটি।
২০০৯ সালে ক্রিশ্চিয়ান 'ব্রাংকার' নামে আরেকটি বিজ্ঞাপনী ওয়েবসাইট চালু করেন। এ প্রতিষ্ঠানটি মূলত ওয়েবসাইটের মালিকদের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রচার করে। এ প্রতিষ্ঠানটি প্রথম বছরেই ৫ লাখ পাউন্ড আয় করেছে।
ব্রাংকার কোম্পানির আয় ১০ কোটি পাউন্ডে নিয়ে যাওয়াই তার লক্ষ্য বলে জানান ক্রিশ্চিয়ান।
৭ বছর বয়স থেকে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করা ক্রিশ্চিয়ান স্কুলের পরে এবং ছুটির দিনগুলোতে ব্যবসার কাজ করেন।
এ ব্যবসা শুরুর পেছনে 'অ্যাপল' কম্পিউটারের প্রধান নির্বাহী স্টিভ জবসই অনুপ্রেরণা-- জানিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ান।
বাবা-মা জুলিয়ান ও এলিসনের সঙ্গে ক্রিশ্চিয়ান এখনো বাড়িতেই থাকেন।
ব্যবসায় সাফল্য সম্পর্কে তার মন্তব্য, "এতে কোনো জাদুকরি সূত্র নেই। এর জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতা।"
পেশাগত জীবনে এতো বড় সফল্য ব্যক্তিজীবনে কোন বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি বলে জানিয়েছেন এ কিশোর।
তাছাড়া, ব্যবসার পাশাপাশি ছবিতোলা এবং গিটার বাজানোয় আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
তার কথায়, ব্যবসায় সাফল্য নিয়ে আমি বন্ধুদের সঙ্গে কোনো আলাপচারিতায় যাই না। তাদের কাছে আমি নিতান্তই একজন সাধাসিধে কিশোর। এ অর্জন আমার বন্ধুত্বে ব্যাঘাত ঘটায়নি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/বিবি/এলকিউ/২০৩৩ ঘ.
কম্পিউটার পটু ক্রিশ্চিয়ান হাতখরচের টাকা দিয়ে প্রথম বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খোলেন মাত্র ১৪ বছর বয়সে।
এর এক বছর পরই চালু হয় তার 'ম্যাক বক্স বান্ডেল' নামের ফার্ম।
এ প্রতিষ্ঠানটি কমদামে 'অ্যাপলের ম্যাক' কম্পিউটারের বিভিন্ন সফটওয়ার বিক্রি করতো। ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড আয় করেছে ফার্মটি।
২০০৯ সালে ক্রিশ্চিয়ান 'ব্রাংকার' নামে আরেকটি বিজ্ঞাপনী ওয়েবসাইট চালু করেন। এ প্রতিষ্ঠানটি মূলত ওয়েবসাইটের মালিকদের বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রচার করে। এ প্রতিষ্ঠানটি প্রথম বছরেই ৫ লাখ পাউন্ড আয় করেছে।
ব্রাংকার কোম্পানির আয় ১০ কোটি পাউন্ডে নিয়ে যাওয়াই তার লক্ষ্য বলে জানান ক্রিশ্চিয়ান।
৭ বছর বয়স থেকে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করা ক্রিশ্চিয়ান স্কুলের পরে এবং ছুটির দিনগুলোতে ব্যবসার কাজ করেন।
এ ব্যবসা শুরুর পেছনে 'অ্যাপল' কম্পিউটারের প্রধান নির্বাহী স্টিভ জবসই অনুপ্রেরণা-- জানিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ান।
বাবা-মা জুলিয়ান ও এলিসনের সঙ্গে ক্রিশ্চিয়ান এখনো বাড়িতেই থাকেন।
ব্যবসায় সাফল্য সম্পর্কে তার মন্তব্য, "এতে কোনো জাদুকরি সূত্র নেই। এর জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম ও একাগ্রতা।"
পেশাগত জীবনে এতো বড় সফল্য ব্যক্তিজীবনে কোন বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি বলে জানিয়েছেন এ কিশোর।
তাছাড়া, ব্যবসার পাশাপাশি ছবিতোলা এবং গিটার বাজানোয় আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন তিনি।
তার কথায়, ব্যবসায় সাফল্য নিয়ে আমি বন্ধুদের সঙ্গে কোনো আলাপচারিতায় যাই না। তাদের কাছে আমি নিতান্তই একজন সাধাসিধে কিশোর। এ অর্জন আমার বন্ধুত্বে ব্যাঘাত ঘটায়নি।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/বিবি/এলকিউ/২০৩৩ ঘ.
Monday, August 23, 2010
Thursday, August 19, 2010
Wednesday, August 18, 2010
Tuesday, August 17, 2010
Monday, August 16, 2010
Sunday, August 15, 2010
Saturday, August 14, 2010
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তারাবির নামাজ
পবিত্র রমজান মাসে এশার ফরজ ও সুন্নত নামাজের পরে, বিতরের নামাজের আগে যে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা হয় তা-ই তারাবির নামাজ। এটি সুন্নতে মোয়াক্কাদা। রাসুল (সা.) মাত্র তিন রাত এ নামাজ আদায় করেছিলেন। আবার কোনো কোনো রেওয়ায়েতে এক রাত কিংবা দুই রাতের কথাও উল্লেখ আছে। তবে কোন তিন রাতে রাসুলে পাক (সা.) এ বিশেষ নামাজ আদায় করেছিলেন সে বিষয়ে হজরত আবু যর গিফারি (রা.) বর্ণনা করেন_'আমরা রাসুলে পাক (সা.)-এর সঙ্গে নিয়মিত নামাজ আদায় করতেছিলাম। যখন ২৩ রমজান আসলো, তখন তিনি আমাদের নিয়ে বিশেষ নামাজ পড়লেন। এতে রাতের এক-তৃতীয়াংশ ব্যয় হয়। ২৪ রমজান তিনি হুজরা মোবারক থেকে বের হলেন না, ২৫ রমজান তিনি হুজরা থেকে বের হয়ে আমাদের নিয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত নামাজ পড়লেন। ২৬ রমজান তিনি হুজরা থেকে বের হলেন না। এরপর ২৭ রমজান তিনি আমাদের নিয়ে আবার সারা রাত নামাজ পড়লেন।'
পরবর্তী সময়ে সাহাবিরা মসজিদে নববীতে ওই বিশেষ নামাজ পড়ার জন্য অপেক্ষমাণ থাকলেও রাসুলে পাক (সা.) হুজরা মোবারক থেকে বের হননি। সাহাবায়ে কেরাম এর কারণ জিজ্ঞেস করলে নবীজী (সা.) এরশাদ করেন_'আমি যদি ওই নামাজের জন্য বের হতাম তাহলে তোমাদের ওপর ফরজ হয়ে যেত।' তাই রাসূলে পাক (সা.) এ নামাজ আর আদায় করেননি। শুধু তাই নয়, তারাবিবিহীন অবস্থা চলতে থাকে হজরত ওমর ফারুক (রা.)-এর শাসনকাল পর্যন্ত।
হজরত ওমর (রা.) তাঁর শাসনামলে প্রখ্যাত সাহাবিদের নিয়ে শলাপরামর্শ করে ২০ রাকআত তারাবির নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করার বিধান জারি করেন। এ থেকে বোঝা যায়, তারাবির নামাজ ২০ রাকাত জামাতের সঙ্গে আদায় করা বেদআত। তবে এটি 'বেদআতে হাসানা' বা উত্তম বেদআত যা ফারুকে আযম (রা.) সবাইকে পালন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
যে নামাজ রাসুলে পাক (সা.) জামাতে পালন করলেন না, এমনকি হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর আমলে যে নামাজ পালিত হলো না, ওমর (রা.) কেন তা চালু করলেন?_এ প্রসঙ্গে হজরত আলী (রা.) বলেন, 'হজরত ওমর (রা.) আমার মুখে একটি হাদিস শুনে তারাবির নামাজ আনুষ্ঠানিকভাবে আদায় করার সিদ্ধান্ত নেন।' হাদিসটি সম্পর্কে হজরত আলী (রা.) বলেন, 'আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ পাকের আরশের নিচে একটি নূরের মহল (হাজিরাতুল কুদস) রয়েছে। সেখানে অগণিত ফেরেশতা আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকেন। যখন রমজান মাসের আগমন ঘটে তখন তারা আল্লাহর হুকুমে দুনিয়ার জমিনে অবতরণ করেন এবং মুসলি্লদের সঙ্গে তারাবির নামাজে শরিক হন। উম্মতে মোহাম্মদীর যারা ওই ফেরেশতাদের সঙ্গে মুসাফাহ করবেন অথবা ফেরেশতারা যেসব মুসলি্লর সঙ্গে মুসাফাহ করবেন তাঁরা এমন সৌভাগ্যবান হয়ে যাবেন যে, ভবিষ্যতে আর কখনো ভাগ্যহীন হবেন না।'
বাংলাদেশের মসজিদগুলোতে দুই ধরনের তারাবির নামাজ আদায় হতে দেখা যায়। গ্রামের মসজিদগুলোতে সাধারণত ছোট সুরা দিয়ে তারাবির নামাজ আদায় করা হয় এবং শহরের বেশির ভাগ মসজিদেই খতম তারাবি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পদ্ধতিতেই তারাবির নামাজ আদায় হয়ে যায়। তবে নামাজে পূর্ণ এক খতম কোরআন পড়া সুন্নত। জামাতে লোকের কষ্ট হলে বা জামাতে লোক কমে গেলে ছোট সুরা দিয়ে তারাবি পড়াই ভালো। তারাবির শাব্দিক অর্থ হলো আরাম ও বিশ্রাম লাভ করা। কাজেই এ ক্ষেত্রে প্রতি চার রাকাত নামাজের পর পরই বিশ্রাম নেওয়া হয় এবং বিশেষ দোয়া করা হয়। ২০ রাকাত তারাবির নামাজই শেষ করা হয় এ নিয়মতান্ত্রিক বিরতি প্রক্রিয়ায়। এতে করে এক প্রাণবন্ত ও বরকতময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কিন্তু অতি দ্রুততার সঙ্গে তারাবির নামাজ সম্পন্ন করার প্রবণতা আমাদের দেশে প্রায়ই লক্ষ করা যায়। অথচ মক্কা-মদিনাসহ পৃথিবীর অনেক মুসলিম দেশেই এ নামাজ পড়া হয় ধীরে সুস্থে। খতম তারাবির ক্ষেত্রে নিয়োগকৃত হাফেজরা এত দ্রুত কোরআন তেলাওয়াত করেন যে অনেক সময় কেবল পঠিত আয়াতের শেষাংশই বোধগম্য হয়। এ ক্ষেত্রে কোরআনের বর্ণ ও শব্দের উচ্চারণও বিকৃত হয়ে যায়। এটি বাঞ্ছনীয় নয়।
আমাদের দেশের কোনো কোনো মসজিদে তারাবির খতম অনুষ্ঠিত হয় মাত্র ২০ দিনে বা তারও কম সময়ে, কোথায়ও ২৫ দিনে আবার কোথাও ২৬ দিন তথা লায়লাতুল কদরের রাতে। দেশের মসজিদে-মসজিদে খতম তারাবির এ বিক্ষিপ্ততা অনেককেই কোরআনের ফয়ুজাত ও বরকত লাভে বঞ্চিত করে। কর্মব্যস্ততা, ভ্রমণসহ নানাবিধ কারণে অনেকের পক্ষেই একই মসজিদে তারাবি আদায় করা সম্ভব হয় না। এটি একটি সমস্যা বটে। এর সমাধানে ইসলামী ফাউন্ডেশন বিগত দুই-তিন বছর ধরেই একটি প্রস্তাবনার কথা বলে আসছে যে, প্রথম রমজানে কোরআনের খতম শুরু হবে। প্রতিদিন দেড় পারা করে প্রথম ছয় দিনে পড়া শেষ হবে ৯ পারা। বাকি দিনগুলোতে এক পারা করে পড়লে ২৭তম দিন তথা লায়লাতুল কদরে কোরআনের খতম হবে। এতে মুসলি্ল সাধারণের অসুবিধা যেমনই দূর হতো তেমনি বজায় থাকত মুসলমানদের জাতিগত ঐক্যের বিষয়টি।
মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেন
লেখক : সাবেক কলেজ শিক্ষক
পরবর্তী সময়ে সাহাবিরা মসজিদে নববীতে ওই বিশেষ নামাজ পড়ার জন্য অপেক্ষমাণ থাকলেও রাসুলে পাক (সা.) হুজরা মোবারক থেকে বের হননি। সাহাবায়ে কেরাম এর কারণ জিজ্ঞেস করলে নবীজী (সা.) এরশাদ করেন_'আমি যদি ওই নামাজের জন্য বের হতাম তাহলে তোমাদের ওপর ফরজ হয়ে যেত।' তাই রাসূলে পাক (সা.) এ নামাজ আর আদায় করেননি। শুধু তাই নয়, তারাবিবিহীন অবস্থা চলতে থাকে হজরত ওমর ফারুক (রা.)-এর শাসনকাল পর্যন্ত।
হজরত ওমর (রা.) তাঁর শাসনামলে প্রখ্যাত সাহাবিদের নিয়ে শলাপরামর্শ করে ২০ রাকআত তারাবির নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করার বিধান জারি করেন। এ থেকে বোঝা যায়, তারাবির নামাজ ২০ রাকাত জামাতের সঙ্গে আদায় করা বেদআত। তবে এটি 'বেদআতে হাসানা' বা উত্তম বেদআত যা ফারুকে আযম (রা.) সবাইকে পালন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।
যে নামাজ রাসুলে পাক (সা.) জামাতে পালন করলেন না, এমনকি হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.)-এর আমলে যে নামাজ পালিত হলো না, ওমর (রা.) কেন তা চালু করলেন?_এ প্রসঙ্গে হজরত আলী (রা.) বলেন, 'হজরত ওমর (রা.) আমার মুখে একটি হাদিস শুনে তারাবির নামাজ আনুষ্ঠানিকভাবে আদায় করার সিদ্ধান্ত নেন।' হাদিসটি সম্পর্কে হজরত আলী (রা.) বলেন, 'আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ পাকের আরশের নিচে একটি নূরের মহল (হাজিরাতুল কুদস) রয়েছে। সেখানে অগণিত ফেরেশতা আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকেন। যখন রমজান মাসের আগমন ঘটে তখন তারা আল্লাহর হুকুমে দুনিয়ার জমিনে অবতরণ করেন এবং মুসলি্লদের সঙ্গে তারাবির নামাজে শরিক হন। উম্মতে মোহাম্মদীর যারা ওই ফেরেশতাদের সঙ্গে মুসাফাহ করবেন অথবা ফেরেশতারা যেসব মুসলি্লর সঙ্গে মুসাফাহ করবেন তাঁরা এমন সৌভাগ্যবান হয়ে যাবেন যে, ভবিষ্যতে আর কখনো ভাগ্যহীন হবেন না।'
বাংলাদেশের মসজিদগুলোতে দুই ধরনের তারাবির নামাজ আদায় হতে দেখা যায়। গ্রামের মসজিদগুলোতে সাধারণত ছোট সুরা দিয়ে তারাবির নামাজ আদায় করা হয় এবং শহরের বেশির ভাগ মসজিদেই খতম তারাবি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পদ্ধতিতেই তারাবির নামাজ আদায় হয়ে যায়। তবে নামাজে পূর্ণ এক খতম কোরআন পড়া সুন্নত। জামাতে লোকের কষ্ট হলে বা জামাতে লোক কমে গেলে ছোট সুরা দিয়ে তারাবি পড়াই ভালো। তারাবির শাব্দিক অর্থ হলো আরাম ও বিশ্রাম লাভ করা। কাজেই এ ক্ষেত্রে প্রতি চার রাকাত নামাজের পর পরই বিশ্রাম নেওয়া হয় এবং বিশেষ দোয়া করা হয়। ২০ রাকাত তারাবির নামাজই শেষ করা হয় এ নিয়মতান্ত্রিক বিরতি প্রক্রিয়ায়। এতে করে এক প্রাণবন্ত ও বরকতময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। কিন্তু অতি দ্রুততার সঙ্গে তারাবির নামাজ সম্পন্ন করার প্রবণতা আমাদের দেশে প্রায়ই লক্ষ করা যায়। অথচ মক্কা-মদিনাসহ পৃথিবীর অনেক মুসলিম দেশেই এ নামাজ পড়া হয় ধীরে সুস্থে। খতম তারাবির ক্ষেত্রে নিয়োগকৃত হাফেজরা এত দ্রুত কোরআন তেলাওয়াত করেন যে অনেক সময় কেবল পঠিত আয়াতের শেষাংশই বোধগম্য হয়। এ ক্ষেত্রে কোরআনের বর্ণ ও শব্দের উচ্চারণও বিকৃত হয়ে যায়। এটি বাঞ্ছনীয় নয়।
আমাদের দেশের কোনো কোনো মসজিদে তারাবির খতম অনুষ্ঠিত হয় মাত্র ২০ দিনে বা তারও কম সময়ে, কোথায়ও ২৫ দিনে আবার কোথাও ২৬ দিন তথা লায়লাতুল কদরের রাতে। দেশের মসজিদে-মসজিদে খতম তারাবির এ বিক্ষিপ্ততা অনেককেই কোরআনের ফয়ুজাত ও বরকত লাভে বঞ্চিত করে। কর্মব্যস্ততা, ভ্রমণসহ নানাবিধ কারণে অনেকের পক্ষেই একই মসজিদে তারাবি আদায় করা সম্ভব হয় না। এটি একটি সমস্যা বটে। এর সমাধানে ইসলামী ফাউন্ডেশন বিগত দুই-তিন বছর ধরেই একটি প্রস্তাবনার কথা বলে আসছে যে, প্রথম রমজানে কোরআনের খতম শুরু হবে। প্রতিদিন দেড় পারা করে প্রথম ছয় দিনে পড়া শেষ হবে ৯ পারা। বাকি দিনগুলোতে এক পারা করে পড়লে ২৭তম দিন তথা লায়লাতুল কদরে কোরআনের খতম হবে। এতে মুসলি্ল সাধারণের অসুবিধা যেমনই দূর হতো তেমনি বজায় থাকত মুসলমানদের জাতিগত ঐক্যের বিষয়টি।
মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেন
লেখক : সাবেক কলেজ শিক্ষক
সবচেয়ে বেশি আয়ের টিভি তারকা

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয়ের টেলিভিশন তারকা কে? উত্তরটা একক নয়, অপরাহ উইনফ্রে ও চার্লি শিন টিভি গাইড সাময়িকী প্রকাশিত তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষস্থান দখল করেছেন। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, 'টু অ্যান্ড অ্যা হাফ ম্যান' টিভি ধারাবাহিকে প্রতি পর্বের জন্য ১.২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেন অভিনেতা চার্লি শিন। অন্যদিকে টক শো উপস্থাপন করে অপরাহ উইনফ্রের বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ৩১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
ওবামার মসজিদ নির্মাণের অনুমতি
নিউইয়র্কের গ্রাউন্ড জিরোতে ওবামার মসজিদ নির্মাণের অনুমতি
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে মুসলমানদের সম্মানে দেয়া ইফতার অনুষ্ঠানে মার্কিন প্র্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্কের গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ তৈরিতে বাধা দেয়ার ঘটনাকে একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন তিনি সেখানে মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দিয়েছেন।
এ সময় তিনি বলেন, ধর্মের ব্যাপারে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা আছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতিতে আমরা অবিচল। জঙ্গীরা আসলে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, ইসলাম ধ্বংসের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ৯/১১ এ টুইনটাওয়ারে হামলার পর গ্রান্ড জিরোর পাশে তৈরি ইসলামি কালাচারাল সেন্টারের কয়েকশ’ গজের মধ্যে মসজিদ নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক চলে আসছিলো। নিউইয়র্কের এক ডেভলপার সাবেক ওয়ার্লট্রেড সেন্টারের অদূরেই ১৩তলা একটি ইসলামি কমিউনিটি সেন্টার ও মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেবার পর পরই শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান নেতারা এবং দেশটির ধর্মীয় পণ্ডিতরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক রিপাবলিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সারাহ পলিন গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ তৈরির সিদ্ধান্তকে ১১ সেপ্টেম্বম্বর হামলায় নিহতদের স্মৃতির প্রতি অশ্রদ্ধা বলে মন্তব্য করেন।
শুক্রবার হোয়াইট হাউসে মুসলমানদের সম্মানে দেয়া ইফতার অনুষ্ঠানে মার্কিন প্র্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যুক্তরাষ্ট্রর নিউইয়র্কের গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ তৈরিতে বাধা দেয়ার ঘটনাকে একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন তিনি সেখানে মসজিদ নির্মাণের অনুমতি দিয়েছেন।
এ সময় তিনি বলেন, ধর্মের ব্যাপারে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা আছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতিতে আমরা অবিচল। জঙ্গীরা আসলে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, ইসলাম ধ্বংসের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ৯/১১ এ টুইনটাওয়ারে হামলার পর গ্রান্ড জিরোর পাশে তৈরি ইসলামি কালাচারাল সেন্টারের কয়েকশ’ গজের মধ্যে মসজিদ নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক চলে আসছিলো। নিউইয়র্কের এক ডেভলপার সাবেক ওয়ার্লট্রেড সেন্টারের অদূরেই ১৩তলা একটি ইসলামি কমিউনিটি সেন্টার ও মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেবার পর পরই শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান নেতারা এবং দেশটির ধর্মীয় পণ্ডিতরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক রিপাবলিকান ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সারাহ পলিন গ্রাউন্ড জিরোতে মসজিদ তৈরির সিদ্ধান্তকে ১১ সেপ্টেম্বম্বর হামলায় নিহতদের স্মৃতির প্রতি অশ্রদ্ধা বলে মন্তব্য করেন।
রোজার কাজা ও কাফফারার বিধান

মুফতি এনায়েতুলল্গাহ
অসুস্থ ও অতিবৃদ্ধ এবং অত্যধিক শারীরিক দুর্বলতার কারণে যাদের রোজা পালন কষ্টকর হয়; আর যারা সফরে থাকার কারণে রোজা পালন করতে পারেন না, তাদের জন্য ইসলামী শরিয়ত কাজা ও কাফফারার বিধান রেখেছে। এ প্রসঙ্গে কোরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে, 'তোমাদের মধ্যে কেউ পীড়িত হলে বা সফরে থাকলে অন্য সময় তা পূরণ করে নিতে হবে। এ (রোজা) যাদের অতিশয় কষ্ট দেয়, তাদের কর্তব্য হচ্ছে এর পরিবর্তে ফিদইয়া বা একজন মিসকিনকে অন্নদান করা। যদি কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎ কাজ করে, তবে সেটা তার পক্ষে অধিকতর কল্যাণকর। তোমাদের মধ্যে যারা এ মাস পাবে, তারা যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে। আর কেউ পীড়িত থাকলে অথবা সফরে থাকলে অন্য সময় এ সংখ্যা পূরণ করবে। আলল্গাহ তোমাদের জন্য যেটা সহজ সেটাই চান এবং যা তোমাদের জন্য ক্লেশকর তা চান না এ জন্য যে, তোমরা সংখ্যা পূরণ করবে।' সূরা বাকারা : ১৮৪-১৮৫
যেসব কারণে রোজা ভঙ্গ করা যায়, তবে পরে কাজা করে নিতে হয়, তা হচ্ছে_ ১. মুসাফির অবস্থা, ২. রোগবৃদ্ধির আশঙ্কা, ৩. গর্ভের সন্তানের ক্ষতির সম্ভাবনা, ৪. প্রবল ক্ষুধা বা তৃষ্ণা অনুভূত হয়, যাতে মৃত্যুর আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, ৫. শক্তিহীন বৃদ্ধ হলে, ৬. সাপে দংশন করলে, ৭. ঋতুবতী ও সদ্য প্রসূতি নারী হলে। আর যেসব কারণে রোজার কাজা ও কাফফারা দুটিই ওয়াজিব হয় তা হলো_ ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার, জেনেশুনে স্ত্রী সহবাস করলে রোজা ভেঙে যাবে। এ অবস্থায় কাজা ও কাফফারা দুটিই ওয়াজিব হয়।
মনে রাখা দরকার, শরিয়তে নিষেধ থাকা সত্ত্বেও বিনা কারণে রোজা ভঙ্গ করলে তার ওপর কাজা-কাফফারা উভয়ই আদায় করা ওয়াজিব। যে ক'টি রোজা ভঙ্গ হবে, সে ক'টি রোজা আদায় করতে হবে। কাজা রোজা একটির পরিবর্তে একটি। অর্থাৎ রোজার কাজা হিসেবে শুধু একটি রোজাই যথেষ্ট। কাফফারা আদায় করার তিনটি বিধান রয়েছে_ ১. একেকটি রোজা ভঙ্গের জন্য একাধারে ৬০টি রোজা রাখতে হবে। কাফফারা ধারাবাহিকভাবে ৬০টি রোজা রাখতে হবে, মাঝে কোনো একটি রোজা ভঙ্গ হলে আবার নতুন করে শুরু করতে হবে। ২. যদি কারও জন্য ৬০টি রোজা পালন সম্ভব না হয়, তাহলে সে ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা খানা খাওয়াবে। অন্যদিকে অসুস্থতার কারণে কারও রোজা রাখার ক্ষমতা না থাকলে ৬০ জন ফকির, মিসকিন, গরিব বা অসহায়কে প্রতিদিন দুই বেলা করে পেটভরে খানা খাওয়াবে। ৩. মুসলিম দাস-দাসী মুক্ত করে দেওয়া। বর্তমানে যেহেতু দাসপ্রথা নেই, তাই এটা দিয়ে কাফফারা আদায় করার সুযোগও নেই।
পবিত্র রমজানে নেক আমলের ফজিলত যেমন বেশি, তেমনি এ মাসে গুনাহ করলে এর শাস্তিও বেশি। বিশেষ করে ইচ্ছাকৃত রোজা না রাখলে কঠিন শাস্তির কথা বলা হয়েছে। হজরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুলল্গাহ (সাঃ) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি কোনো শরিয়ত অনুমোদিত ওজর ছাড়া রমজানের একটি রোজাও ছেড়ে দেয়, সে ৯ লাখ বছর জাহান্নামের প্রজ্বলিত আগুনে জ্বলতে থাকবে।'
বিনা কারণে যে ব্যক্তি রমজানের মাত্র একটি রোজা না রাখে এবং পরে যদি ওই রোজার পরিবর্তে সারাবছরও রোজা রাখে, তবু সে ততটুকু সওয়াব পাবে না, যতটুকু রমজানে ওই একটি রোজার কারণে পেত।
daily shamokal
Friday, August 13, 2010
দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?

দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত? সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে কেন প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হবে না, সে মর্মে সরকারের প্রতি রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারে উদ্বেগ প্রকাশ করে হাইকোর্ট বলেছেন, 'এক শিশু, এক পরিবার' ধারণাটি কার্যকরের সময় এসে গেছে। আদালত আরও বলেন, জনসংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আরও আগে এ বিষয়টি আদালতের নজরে আনা উচিত ছিল। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে সরকারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে চার আইনজীবী মনজিল মোরশেদ, সারোয়ার আহাদ চৌধুরী, আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী ও তপন কুমার দাস জনস্বার্থে গত ৮ আগস্ট হাইকোর্টে এই রিট দায়ের করেন।
আদালত গ্রাম ও শহরের অতিরিক্ত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পৃথক ও স্বাধীন মন্ত্রণালয় গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চান। পাশাপাশি জনসংখা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা কী কাজ করেছে তার তথ্য জানাতে বলা হয়। আদালত আরও জানতে চান, দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গত দশ বছরে কত অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শুনানিতে অংশ নিয়ে রিটকারীদের পক্ষের কেঁৗসুলি ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম বলেন, দেশে যত সমস্যা আছে তার মধ্যে মূল সমস্যা হচ্ছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি। এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আমাদের জাতীয় জীবনের কোনো সমস্যাই সমাধান হবে না। এ কারণে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন সবার চিন্তাভাবনা করা দরকার, যে কোনোভাবেই হোক জনসংখ্যা বিস্ফোরণ
প্রতিরোধ করতে হবে। বর্তমান পরিবার পরিকল্পনা নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা অনুযায়ী দুটি সন্তানই যথেষ্ট- এই স্নোগান পরিবর্তন করতে হবে। বর্তমানে করা যায় 'একটি সন্তান যথেষ্ট'। এটা করা না হলে আগামী ৩০/৪০ বছর পরে আমাদের বসবাস করার মতো জায়গা থাকবে না। রাজধানীসহ অন্যান্য শহর পরিত্যক্ত হয়ে যাবে।
শুনানি শেষে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন সচিব ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ ১৫ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিট আবেদনটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আদালত আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মুজিবুর রহমান ফকির সমকালকে বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যাই হচ্ছে জনবিস্ফোরণ। এতে কোনো সন্দেহ নেই। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা ও মোকাবেলা কার্যক্রমে গতি আনতে সরকার পৃথক মন্ত্রণালয় করার কথা ভাবছে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণই মূল কাজ নয়, বর্তমানে যে সংখ্যা আছে, তার ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। তা না হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরা যাবে না।
জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে জনসংখ্যাই এখন প্রধান সমস্যা। আন্তর্জাতিক সংস্থানির্ভর পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম 'ছেলে হোক মেয়ে হোক_ দুটি সন্তানই যথেষ্ট' এ স্লোগান ব্যর্থ হয়েছে। এখন একটি সন্তানের স্নোগান দিতে হবে। মানুষ বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমছে ফসলি জমি। বাড়ছে খাদ্য ঘাটতি। শুধু খাদ্য উৎপাদনে নয়, জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপ পড়ছে বাসস্থান, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানসহ দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে, বর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যা হলো ১৬ কোটি ৪৪ লাখ। যদিও এই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে সংশ্লিষ্ট মহলে। যুক্তরাষ্ট্রভিক্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পপুলেশন কাউন্সিলের সর্বশেষ গবেষণা তথ্য মতে, বছরে ২৫ লাখ করে বাড়তি জনসংখ্যা যোগ হচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩৭ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি। এদিকে সচেতনতা বৃদ্ধি ও মানুষের কাছে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পেঁৗছে দেওয়ার কাজটি গতি হারিয়েছে। এ ছাড়াও পরিবার পরিকল্পনা দফতরের জনবল সংকট, অদূরদর্শী পরিকল্পনা, ক্যাডার-নন-ক্যাডার দ্বন্দ্ব ও দাতা সংস্থার আন্তরিকতার অভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম একপ্রকার ঝিমিয়ে পড়েছে। সরকার এখনই এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে জনসংখ্যা সমস্যা বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনবে বাংলাদেশের জন্য। এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকও দ্বিমত পোষণ করেননি। তিনি সমকালকে বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে সব উন্নয়ন পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট- নিপোর্টের এক গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রদ্ধতিগুলোর মধ্যে শুধু মহিলাদের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুরুষদের এ কার্যক্রমে যুক্ত করা না গেলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব হবে। শিশুমৃত্যুর হার কমে যাওয়া পুত্রসন্তানের প্রতি আগ্রহ ও মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির কারণেও জনসংখ্যা বাড়ছে বলে ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সমস্যাগুলো দূর করা গেলে জনসংখ্যার হার এক ভাগে নামিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের পরিচালক।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ২০০৮ সালের মাঝামাঝি দেশে জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ছয় লাখ এবং বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৪১ শতাংশ। জাতিসংঘ বলছে, বাংলাদেশে জনসংখ্যা আরও বেশি। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) ২০০৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৬০ লাখ এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল দুই শতাংশ। সরকারি হিসাবে প্রতি বছর মোট জনসংখ্যার সঙ্গে ২০ লাখ যুক্ত হচ্ছে। জাতিসংঘের মতে, এ সংখ্যা ৩১ লাখ আর এনজিওদের তথ্য মতে তা ২৫ লাখ। সর্বশেষ জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্য জরিপের তথ্য মতে, সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে সিলেট ও চট্রগ্রাম বিভাগ। সিলেটে একজন নারী গড়ে ৪ দশমিক ২টি এবং চট্টগ্রামে ৩ দশমিক ৭টি সন্তান জন্ম দেন। মানুষ বৃদ্ধির বর্তমান জাতীয় গড় হচ্ছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। জাপানে এ হার শূন্য, থাইল্যান্ডে শূন্য দশমিক ৭, শ্রীলংকায় শূন্য দশমিক ৫, চীনে শূন্য দশমিক ৬। অস্ট্রেলিয়া আয়তনে বাংলাদেশের চেয়ে ৬৫ গুণ বেশি। তাদের জনসংখ্যা হচ্ছে ২ কোটি ২৩ লাখ। আমেরিকার জনসংখ্যা ৩০ কোটি ৯২ লাখ। অথচ পৃথিবীর সব মানুষের ঠাঁই মিলবে আমেরিকার দুই-তৃতীয়াংশ আয়তনে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, দেশে এখন জনসংখ্যা ১৪ কোটি। গত ১৪ জানুয়ারি জাতিসংঘ শিশু তহবিল ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশে জনসংখ্যা হচ্ছে সাড়ে ১৫ কোটি। বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা দিয়ে ছিল ২০২১ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটির মধ্যে রাখা হবে। কিন্তু ইতিমধ্যে তা অতিক্রম করেছে বলে অনেকেই বলছেন। সরকার বলছে, তারা এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। রেটিং দিন :
আদালত গ্রাম ও শহরের অতিরিক্ত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে পৃথক ও স্বাধীন মন্ত্রণালয় গঠন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চান। পাশাপাশি জনসংখা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা কী কাজ করেছে তার তথ্য জানাতে বলা হয়। আদালত আরও জানতে চান, দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গত দশ বছরে কত অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
শুনানিতে অংশ নিয়ে রিটকারীদের পক্ষের কেঁৗসুলি ব্যারিস্টার মোকছেদুল ইসলাম বলেন, দেশে যত সমস্যা আছে তার মধ্যে মূল সমস্যা হচ্ছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি। এই জনসংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আমাদের জাতীয় জীবনের কোনো সমস্যাই সমাধান হবে না। এ কারণে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন সবার চিন্তাভাবনা করা দরকার, যে কোনোভাবেই হোক জনসংখ্যা বিস্ফোরণ
প্রতিরোধ করতে হবে। বর্তমান পরিবার পরিকল্পনা নিয়ন্ত্রণের নীতিমালা অনুযায়ী দুটি সন্তানই যথেষ্ট- এই স্নোগান পরিবর্তন করতে হবে। বর্তমানে করা যায় 'একটি সন্তান যথেষ্ট'। এটা করা না হলে আগামী ৩০/৪০ বছর পরে আমাদের বসবাস করার মতো জায়গা থাকবে না। রাজধানীসহ অন্যান্য শহর পরিত্যক্ত হয়ে যাবে।
শুনানি শেষে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ সচিব, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন সচিব ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ ১৫ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রিট আবেদনটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আদালত আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মুজিবুর রহমান ফকির সমকালকে বলেন, দেশের অন্যতম প্রধান সমস্যাই হচ্ছে জনবিস্ফোরণ। এতে কোনো সন্দেহ নেই। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা ও মোকাবেলা কার্যক্রমে গতি আনতে সরকার পৃথক মন্ত্রণালয় করার কথা ভাবছে বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণই মূল কাজ নয়, বর্তমানে যে সংখ্যা আছে, তার ব্যবস্থাপনা নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে। তা না হলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরা যাবে না।
জনসংখ্যা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে জনসংখ্যাই এখন প্রধান সমস্যা। আন্তর্জাতিক সংস্থানির্ভর পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম 'ছেলে হোক মেয়ে হোক_ দুটি সন্তানই যথেষ্ট' এ স্লোগান ব্যর্থ হয়েছে। এখন একটি সন্তানের স্নোগান দিতে হবে। মানুষ বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমছে ফসলি জমি। বাড়ছে খাদ্য ঘাটতি। শুধু খাদ্য উৎপাদনে নয়, জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপ পড়ছে বাসস্থান, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানসহ দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে, বর্তমানে বাংলাদেশে জনসংখ্যা হলো ১৬ কোটি ৪৪ লাখ। যদিও এই সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক আছে সংশ্লিষ্ট মহলে। যুক্তরাষ্ট্রভিক্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পপুলেশন কাউন্সিলের সর্বশেষ গবেষণা তথ্য মতে, বছরে ২৫ লাখ করে বাড়তি জনসংখ্যা যোগ হচ্ছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩৭ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি। এদিকে সচেতনতা বৃদ্ধি ও মানুষের কাছে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পেঁৗছে দেওয়ার কাজটি গতি হারিয়েছে। এ ছাড়াও পরিবার পরিকল্পনা দফতরের জনবল সংকট, অদূরদর্শী পরিকল্পনা, ক্যাডার-নন-ক্যাডার দ্বন্দ্ব ও দাতা সংস্থার আন্তরিকতার অভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম একপ্রকার ঝিমিয়ে পড়েছে। সরকার এখনই এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ না নিলে জনসংখ্যা সমস্যা বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনবে বাংলাদেশের জন্য। এ বিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকও দ্বিমত পোষণ করেননি। তিনি সমকালকে বলেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা না গেলে সব উন্নয়ন পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে।
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট- নিপোর্টের এক গবেষণায় দেখা গেছে, জন্মনিয়ন্ত্রণ প্রদ্ধতিগুলোর মধ্যে শুধু মহিলাদের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুরুষদের এ কার্যক্রমে যুক্ত করা না গেলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব হবে। শিশুমৃত্যুর হার কমে যাওয়া পুত্রসন্তানের প্রতি আগ্রহ ও মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির কারণেও জনসংখ্যা বাড়ছে বলে ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সমস্যাগুলো দূর করা গেলে জনসংখ্যার হার এক ভাগে নামিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের পরিচালক।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের হিসাবে ২০০৮ সালের মাঝামাঝি দেশে জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ছয় লাখ এবং বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১ দশমিক ৪১ শতাংশ। জাতিসংঘ বলছে, বাংলাদেশে জনসংখ্যা আরও বেশি। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) ২০০৮ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৬০ লাখ এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল দুই শতাংশ। সরকারি হিসাবে প্রতি বছর মোট জনসংখ্যার সঙ্গে ২০ লাখ যুক্ত হচ্ছে। জাতিসংঘের মতে, এ সংখ্যা ৩১ লাখ আর এনজিওদের তথ্য মতে তা ২৫ লাখ। সর্বশেষ জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্য জরিপের তথ্য মতে, সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে সিলেট ও চট্রগ্রাম বিভাগ। সিলেটে একজন নারী গড়ে ৪ দশমিক ২টি এবং চট্টগ্রামে ৩ দশমিক ৭টি সন্তান জন্ম দেন। মানুষ বৃদ্ধির বর্তমান জাতীয় গড় হচ্ছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। জাপানে এ হার শূন্য, থাইল্যান্ডে শূন্য দশমিক ৭, শ্রীলংকায় শূন্য দশমিক ৫, চীনে শূন্য দশমিক ৬। অস্ট্রেলিয়া আয়তনে বাংলাদেশের চেয়ে ৬৫ গুণ বেশি। তাদের জনসংখ্যা হচ্ছে ২ কোটি ২৩ লাখ। আমেরিকার জনসংখ্যা ৩০ কোটি ৯২ লাখ। অথচ পৃথিবীর সব মানুষের ঠাঁই মিলবে আমেরিকার দুই-তৃতীয়াংশ আয়তনে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য মতে, দেশে এখন জনসংখ্যা ১৪ কোটি। গত ১৪ জানুয়ারি জাতিসংঘ শিশু তহবিল ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশে জনসংখ্যা হচ্ছে সাড়ে ১৫ কোটি। বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ তার নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষণা দিয়ে ছিল ২০২১ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটির মধ্যে রাখা হবে। কিন্তু ইতিমধ্যে তা অতিক্রম করেছে বলে অনেকেই বলছেন। সরকার বলছে, তারা এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। রেটিং দিন :
dainik samokal13-08-2010
বেকহাম-অধ্যায়ের এখানেই সমাপ্তি?

১৯৯৬ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে মালদোভার বিপক্ষে অভিষেক। গত ১৪ বছরে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার পেরিয়ে এসে সেটি অপ্রত্যাশিত সমাপ্তির পথে। অপ্রত্যাশিতই, কারণ ডেভিড বেকহাম না চাইলেও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে চিরবিদায় নিতে হচ্ছে। ইংল্যান্ড কোচ ফ্যাবিও ক্যাপেলো জানিয়ে দিয়েছেন, জাতীয় দলের দরজা বন্ধ হয়ে গেল বেকহামের জন্য।
ক্যাপেলো এই বিনা মেঘে বজ্রপাত ঘটিয়েছেন পরশু হাঙ্গেরির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আগে। আইটিভি স্পোর্ট নামের টিভি চ্যালেনকে বলেছেন, তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ‘বুড়ো’ বেকহামের জায়গা নেই। ইংলিশ ফুটবলে বেকহামের অবদানকে সবাই যেন সম্মান জানিয়ে বিদায়ী অভিবাদন জানাতে পারে, এ জন্য এ বছরের শেষ দিকে ওয়েম্বলির কোনো একটা প্রীতি ম্যাচে বেকহামকে দলে রাখবেন বলে জানিয়েছেন ক্যাপেলো। ওই ম্যাচটাই হবে তাঁর বিদায় সংবর্ধনা। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বেকহাম জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই অবসর ঘোষণার কোনো ইচ্ছে তাঁর নেই। এএফপি, রয়টার্স।
গত বিশ্বকাপে না খেললেও বেকহাম কোচিং স্টাফের একজন হয়ে গিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। ‘ওকে আমি বিশ্বকাপে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। কিন্তু ও সম্ভবত একটু বুড়োই হয়ে গেছে। আমি মনে করি, ডেভিড নিজেও জানে জাতীয় দলে ওর কোনো ভবিষ্যৎ নেই। কারণ আমাদের পরিবর্তন আনতে হবে। আমাকে সবকিছু পাল্টে ফেলতেই হবে। ভবিষ্যতের কথা ভেবেই আমার নতুন নতুন খেলোয়াড় দরকার’—বেকহামের জন্য দুঃসংবাদটা এভাবেই দিয়েছেন এই ইতালিয়ান।
কোচ জানিয়েছেন, সংবাদমাধ্যমের আগে তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে বেকহামকে জানাতে চেয়েছিলেন তাঁর পরিকল্পনার কথা, ‘আমরা ওর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ওকে পাইনি। নিশ্চয়ই কেউ না-কেউ ওকে ফোন করবে। আমিও পরে ওর সঙ্গে কথা বলব।’
আগামী বিশ্বকাপে বেকহামের বয়স হয়ে যাবে ৩৯ বছর। বাস্তববাদী হলে বেকহামের নিজেরই আগামী বিশ্বকাপে খেলার আশা করার কথা নয়। তবে তিনি খেলতে চেয়েছিলেন ২০১২ ইউরো। আগামী মাস থেকে শুরু ইউরোর বাছাইপর্বে খেলার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন। বেকহামের সেই ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে না। আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে ইংল্যান্ডের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর। আর ১১টি ম্যাচ খেলতে পারলে সাবেক গোলরক্ষক পিটার শিলটনের ১২৫ ম্যাচ খেলার রেকর্ডটাও ভেঙে দিতে পারতেন। বেকহামের সেই ইচ্ছাও পূরণ হচ্ছে না।
বিষয়টির সঙ্গে গভীর আবেগ জড়িত। ক্যাপেলোও সেটি বোঝেন। কিন্তু বাস্তবতার কাছে, পেশাদারির কাছে আবেগের যে মূল্য নেই। তাই ‘ডেভিড দুর্দান্ত খেলোয়াড়। ও খুব গুরুত্বপূর্ণও’ ক্যাপেলোর এই মন্তব্য অর্থহীন হয়ে যাচ্ছে পরের বাক্যেই, ‘ভবিষ্যতের জন্য নতুন খেলোয়াড়দের ওপর চোখ রাখতেই হবে। বয়স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের জন্যই আমাদের কিছু নতুন খেলোয়াড় দরকার।’
ওয়েম্বলিতে বিদায়ী ম্যাচ খেলার প্রস্তাব বেকহাম গ্রহণ করবেন কিনা কে জানে। তবে পরশুই লস অ্যাঞ্জেলেসে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘আমি বরাবরই বলে এসেছি, আমি অবসর নেব না। আমাকে দলে নেওয়া হোক আর না হোক, আমি আরও দশটা ম্যাচ খেলতে পারি আর না-ই পারি। হ্যাঁ, তরুণ অনেক খেলোয়াড় উঠে আসছে। দেখা যাক কী হয়।’
বেকহাম স্থায়ী ছুটিতে যেতে নারাজ হলেও ধরেই নেওয়া হয়েছে তাঁর ক্যারিয়ার শেষ। ইংলিশ অধিনায়ক স্টিভেন জেরার্ড যেমন এরই মধ্যে বিদায়ী বার্তাও দিয়ে দিয়েছেন, ‘দেশকে ও যা দিয়েছে, এর জন্য ডেভিড অবশ্যই গর্ব করবে। আমি নিশ্চিত, সমর্থকেরাও ওকে একজন কিংবদন্তি হিসেবেই স্মরণ করবে।’ web site
ক্যাপেলো এই বিনা মেঘে বজ্রপাত ঘটিয়েছেন পরশু হাঙ্গেরির বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের আগে। আইটিভি স্পোর্ট নামের টিভি চ্যালেনকে বলেছেন, তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় ‘বুড়ো’ বেকহামের জায়গা নেই। ইংলিশ ফুটবলে বেকহামের অবদানকে সবাই যেন সম্মান জানিয়ে বিদায়ী অভিবাদন জানাতে পারে, এ জন্য এ বছরের শেষ দিকে ওয়েম্বলির কোনো একটা প্রীতি ম্যাচে বেকহামকে দলে রাখবেন বলে জানিয়েছেন ক্যাপেলো। ওই ম্যাচটাই হবে তাঁর বিদায় সংবর্ধনা। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বেকহাম জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই অবসর ঘোষণার কোনো ইচ্ছে তাঁর নেই। এএফপি, রয়টার্স।
গত বিশ্বকাপে না খেললেও বেকহাম কোচিং স্টাফের একজন হয়ে গিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। ‘ওকে আমি বিশ্বকাপে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। কিন্তু ও সম্ভবত একটু বুড়োই হয়ে গেছে। আমি মনে করি, ডেভিড নিজেও জানে জাতীয় দলে ওর কোনো ভবিষ্যৎ নেই। কারণ আমাদের পরিবর্তন আনতে হবে। আমাকে সবকিছু পাল্টে ফেলতেই হবে। ভবিষ্যতের কথা ভেবেই আমার নতুন নতুন খেলোয়াড় দরকার’—বেকহামের জন্য দুঃসংবাদটা এভাবেই দিয়েছেন এই ইতালিয়ান।
কোচ জানিয়েছেন, সংবাদমাধ্যমের আগে তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে বেকহামকে জানাতে চেয়েছিলেন তাঁর পরিকল্পনার কথা, ‘আমরা ওর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু ওকে পাইনি। নিশ্চয়ই কেউ না-কেউ ওকে ফোন করবে। আমিও পরে ওর সঙ্গে কথা বলব।’
আগামী বিশ্বকাপে বেকহামের বয়স হয়ে যাবে ৩৯ বছর। বাস্তববাদী হলে বেকহামের নিজেরই আগামী বিশ্বকাপে খেলার আশা করার কথা নয়। তবে তিনি খেলতে চেয়েছিলেন ২০১২ ইউরো। আগামী মাস থেকে শুরু ইউরোর বাছাইপর্বে খেলার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন। বেকহামের সেই ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে না। আউটফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে ইংল্যান্ডের পক্ষে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর। আর ১১টি ম্যাচ খেলতে পারলে সাবেক গোলরক্ষক পিটার শিলটনের ১২৫ ম্যাচ খেলার রেকর্ডটাও ভেঙে দিতে পারতেন। বেকহামের সেই ইচ্ছাও পূরণ হচ্ছে না।
বিষয়টির সঙ্গে গভীর আবেগ জড়িত। ক্যাপেলোও সেটি বোঝেন। কিন্তু বাস্তবতার কাছে, পেশাদারির কাছে আবেগের যে মূল্য নেই। তাই ‘ডেভিড দুর্দান্ত খেলোয়াড়। ও খুব গুরুত্বপূর্ণও’ ক্যাপেলোর এই মন্তব্য অর্থহীন হয়ে যাচ্ছে পরের বাক্যেই, ‘ভবিষ্যতের জন্য নতুন খেলোয়াড়দের ওপর চোখ রাখতেই হবে। বয়স খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতের জন্যই আমাদের কিছু নতুন খেলোয়াড় দরকার।’
ওয়েম্বলিতে বিদায়ী ম্যাচ খেলার প্রস্তাব বেকহাম গ্রহণ করবেন কিনা কে জানে। তবে পরশুই লস অ্যাঞ্জেলেসে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘আমি বরাবরই বলে এসেছি, আমি অবসর নেব না। আমাকে দলে নেওয়া হোক আর না হোক, আমি আরও দশটা ম্যাচ খেলতে পারি আর না-ই পারি। হ্যাঁ, তরুণ অনেক খেলোয়াড় উঠে আসছে। দেখা যাক কী হয়।’
বেকহাম স্থায়ী ছুটিতে যেতে নারাজ হলেও ধরেই নেওয়া হয়েছে তাঁর ক্যারিয়ার শেষ। ইংলিশ অধিনায়ক স্টিভেন জেরার্ড যেমন এরই মধ্যে বিদায়ী বার্তাও দিয়ে দিয়েছেন, ‘দেশকে ও যা দিয়েছে, এর জন্য ডেভিড অবশ্যই গর্ব করবে। আমি নিশ্চিত, সমর্থকেরাও ওকে একজন কিংবদন্তি হিসেবেই স্মরণ করবে।’ web site
বিদায়ের আগে আরও চারটি চান ফেদেরার

কয়েক বছর আগেও পুরুষদের টেনিস মানেই ছিল রজার ফেদেরারের নাম। সুইজারল্যান্ডের এই তারকার রাজত্ব এখন রাফায়েল নাদালের দখলে। এ পর্যন্ত ১৬টি গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের রেকর্ড গড়েছেন ফেদেরার, তার পরও গ্র্যান্ডস্লামের ক্ষুধা মেটেনি তাঁর। টেনিসকে বিদায় জানানোর আগে আরও অন্তত চারটি, সব মিলিয়ে ২০টি গ্র্যান্ডস্লাম চান তিনি। বিবিসি।
আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ইউএস ওপেন। ফেদেরারের সামনে আরেকটি গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের হাতছানি। ক্যারিয়ারের ১৬টি গ্র্যান্ডস্লামের মধ্যে উইম্বলডনে ছয়টি, আর ইউএস ওপেনে জিতেছেন পাঁচটি। কিন্তু এবার কি পারবেন ফেদেরার? বয়স হয়ে গেছে ২৯। নাদালের রাজত্বে নিজেকে আগের মতো মেলে ধরতে পারছেন না তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০টি গ্র্যান্ডস্লামের দেখা পাবেন তো ফেদেরার?
আত্মবিশ্বাসী ফেদেরার বলছেন, ‘আমার বিশ্বাস, আমি পারব। তিনবার এক মৌসুমে তিনটি করে, অনেকবার বছরে দুটি করে গ্র্যান্ডস্লাম জিতেছি। আরও চারটি গ্র্যান্ডস্লাম পেতে আত্মবিশ্বাসী আমি।’
এ বছরের উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ফেদেরারকে। খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য ফিটনেসের অভাবকে দায়ী করেছিলেন। তবে এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ফিট দাবি করে ফেদেরার বলেন, ‘আমি এখন যথেষ্ট পরিণত। যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ফিট।’website
আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ইউএস ওপেন। ফেদেরারের সামনে আরেকটি গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের হাতছানি। ক্যারিয়ারের ১৬টি গ্র্যান্ডস্লামের মধ্যে উইম্বলডনে ছয়টি, আর ইউএস ওপেনে জিতেছেন পাঁচটি। কিন্তু এবার কি পারবেন ফেদেরার? বয়স হয়ে গেছে ২৯। নাদালের রাজত্বে নিজেকে আগের মতো মেলে ধরতে পারছেন না তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০টি গ্র্যান্ডস্লামের দেখা পাবেন তো ফেদেরার?
আত্মবিশ্বাসী ফেদেরার বলছেন, ‘আমার বিশ্বাস, আমি পারব। তিনবার এক মৌসুমে তিনটি করে, অনেকবার বছরে দুটি করে গ্র্যান্ডস্লাম জিতেছি। আরও চারটি গ্র্যান্ডস্লাম পেতে আত্মবিশ্বাসী আমি।’
এ বছরের উইম্বলডনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল ফেদেরারকে। খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য ফিটনেসের অভাবকে দায়ী করেছিলেন। তবে এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ফিট দাবি করে ফেদেরার বলেন, ‘আমি এখন যথেষ্ট পরিণত। যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ফিট।’website
Thursday, August 12, 2010
সিটিসেল-চ্যানেল আই সংগীত পুরস্কার ডিসেম্বরে বিনোদন প্রতিবেদক | তারিখ: ১২-০৮-২০১০
সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ড এবার দেওয়া হবে ডিসেম্বরে। এরই মধ্যে এ আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। সেই প্রস্তুতির খবর জানাতে গতকাল বুধবার চ্যানেল আইয়ের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলন হলেও শেষ পর্যন্ত তা লোকসংগীত, উচ্চাঙ্গসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, নজরুলসংগীত, আধুনিক গান ও ব্যান্ডসংগীতের শিল্পীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এতে ছিলেন সোহরাব হোসেন, সুধীন দাশ, শেখ সাদী খান, শাম্মী আকতার, রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, শাকিলা জাফর, ফাহমিদা নবী, অদিতি মহসিন, মনির খান, বাপ্পা মজুমদার প্রমুখ। তাঁরা আড্ডা দিলেন, কথা বললেন এবং জানালেন ষষ্ঠবারের এই আয়োজন নিয়ে নিজেদের অনুভূতির কথা।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৬টি বিভাগে সেরাদের নির্বাচন করার জন্য তিন দফায় বিচারকাজ হবে। একজনকে দেওয়া হবে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার। বিচারকদের রায়ের পাশাপাশি থাকবে দর্শকের ভোটের সুযোগ।
সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘোষণা দেন মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সিটিসেলের বিপণন (যোগাযোগ) বিভাগের প্রধান তাসলিম আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, সিটিসেলের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা কাফিল এইচ এস মুঈদ প্রমুখ।
.dainik prothom alo
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৬টি বিভাগে সেরাদের নির্বাচন করার জন্য তিন দফায় বিচারকাজ হবে। একজনকে দেওয়া হবে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার। বিচারকদের রায়ের পাশাপাশি থাকবে দর্শকের ভোটের সুযোগ।
সংবাদ সম্মেলনে এসব ঘোষণা দেন মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান সিটিসেলের বিপণন (যোগাযোগ) বিভাগের প্রধান তাসলিম আহমেদ। আরও উপস্থিত ছিলেন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, সিটিসেলের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা কাফিল এইচ এস মুঈদ প্রমুখ।
.dainik prothom alo
Wednesday, August 11, 2010
রাজধানীর স্কুলে কোচিং নয়
এখন থেকে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত পাঠদানের বাইরে শিক্ষকেরা কোচিং করাতে পারবেন না। তবে ভালো ফল করা বা পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের বিশেষ প্রয়োজনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার আয়োজন করতে পারবে।
সে ক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ে এক ঘণ্টার একটি অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক সম্মানী পাবেন ১৭৫ টাকা। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে অতিরিক্ত ক্লাস করতে বাধ্য করা যাবে না। এ ধরনের ক্লাস নিতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট ক্লাসের আগে বা পরে। অভিভাবক আবেদন করলে একজন শিক্ষার্থীকে এ ধরনের ক্লাসে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
পঞ্চম শ্রেণীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং অষ্টম শ্রেণীর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শ্রেণীকক্ষে কোচিং শুরু করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোচিং বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠায় এই সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় সামগ্রিক বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোচিংয়ের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। তবে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সম্মানীর বিনিময়ে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যাবে। প্রথম পর্যায়ে রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশ থেকে মতামত নিয়ে এ বিষয়টি চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।
জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে দেশের সাড়ে চার হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য গণিত ও ইংরেজির অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া হয়। এক ঘণ্টার একটি অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ১৭৫ টাকা সম্মানী পান। ওই প্রকল্পের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে।
গতকালের বৈঠকে শিক্ষা কর্মকর্তারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোচিং-বাণিজ্যের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভালো ফল করতে বা পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের কথা চিন্তা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যায়। কিন্তু এ বিষয়ে অবশ্যই একটি নীতিমালা থাকা উচিত।
সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয়ের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রয়োজনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ক্লাস নিতে পারবে, কিন্তু প্রচলিত কোচিংয়ের নামে ইচ্ছামতো টাকা আদায় করতে পারবে না। বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে অভিভাবক ও শিক্ষকেরা বসে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেবেন। এ ছাড়া এ বিষয়ে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে স্টাফ কাউন্সিল।
অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার বিনিময়ে সম্মানী নির্ধারণ প্রসঙ্গে শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা ঘিরে এমন বাণিজ্য শুরু হয়ে যাবে, এটা ভাবতে পারিনি।’ তিনি এক ঘণ্টা অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য ১৭৫ টাকা নির্ধারণের বিষয়টি যৌক্তিক মনে করেন। তবে এই টাকা সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের সরাসরি দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ছয়-সাত ঘণ্টা শ্রেণীকক্ষে পড়ার পর শিক্ষার্থী প্রস্তুত হবে না, এ জন্য অতিরিক্ত ক্লাস লাগবে। এর দায়দায়িত্ব শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের নয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিক্ষকদের বেতন কম। তাই তাঁদের বেতন বাড়িয়ে বা সম্মানী দিয়ে বলা যেতে পারে, তাঁরা নিজ বাসায় বা কোচিং সেন্টারে গিয়ে পড়াতে পারবেন না।’
গতকালের সভায় শিক্ষাসচিব সৈয়দ আতাউর রহমান, মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (মাধ্যমিক) খন্দকার রাকিবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নোমান উর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, আশির দশক থেকে প্রাইভেট টিউশনি ও কোচিং-ব্যবস্থার শুরু। রাজধানীসহ সারা দেশে এখন অমুক স্যার, তমুক ম্যাডামদের ছড়াছড়ি। অথচ ‘দি রিকগনাইজড নন-গভর্নমেন্ট সেকেন্ডারি স্কুল টিচার্স (বোর্ড অব ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন, ঢাকা) টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস অব সার্ভিস রেগুলেশনস, ১৯৭৯ অনুযায়ী প্রাইভেট টিউশনি নিষিদ্ধ। ওই আইনে বলা হয়েছে, ‘কোনো পূর্ণকালীন শিক্ষক স্বাভাবিক কাজের বাইরে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো ব্যক্তিগত টিউশনি বা অন্য কোনো নিয়োগ লাভ বা অন্য কোথাও ভাতাসহ বা ভাতা ব্যতীত নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবেন না।’
২০০৮ সালের ৪ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে ওই আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছিল।
এদিকে কোচিং ও প্রাইভেট পড়া অনেকটা বাধ্যতামূলক হওয়ায় অভিভাবকের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে। গণসাক্ষরতা অভিযানের গবেষণায় (বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যয় সংকুলান, এডুকেশন ওয়াচ প্রতিবেদন, প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০০৭) বলা হয়েছে, শিক্ষা-ব্যয়ের বড় অংশ পারিবারিকভাবে মেটানো হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-ব্যয়ের ৫৯ ও ৭১ শতাংশ পরিবার বহন করে। এর মধ্যে বড় খাত প্রাইভেট টিউশনি ও কোচিং। collected from dainik protho alo
সে ক্ষেত্রে প্রতি বিষয়ে এক ঘণ্টার একটি অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক সম্মানী পাবেন ১৭৫ টাকা। তবে কোনো শিক্ষার্থীকে অতিরিক্ত ক্লাস করতে বাধ্য করা যাবে না। এ ধরনের ক্লাস নিতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট ক্লাসের আগে বা পরে। অভিভাবক আবেদন করলে একজন শিক্ষার্থীকে এ ধরনের ক্লাসে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে।
পঞ্চম শ্রেণীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী এবং অষ্টম শ্রেণীর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শ্রেণীকক্ষে কোচিং শুরু করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে গতকাল মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কোচিং বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠায় এই সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় সামগ্রিক বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোচিংয়ের পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। তবে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সম্মানীর বিনিময়ে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যাবে। প্রথম পর্যায়ে রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এ সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য হবে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশ থেকে মতামত নিয়ে এ বিষয়টি চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি হবে।
জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে দেশের সাড়ে চার হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য গণিত ও ইংরেজির অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া হয়। এক ঘণ্টার একটি অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ১৭৫ টাকা সম্মানী পান। ওই প্রকল্পের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে।
গতকালের বৈঠকে শিক্ষা কর্মকর্তারা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোচিং-বাণিজ্যের বিষয়টি তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ভালো ফল করতে বা পিছিয়ে পড়া ছাত্রছাত্রীদের কথা চিন্তা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়া যায়। কিন্তু এ বিষয়ে অবশ্যই একটি নীতিমালা থাকা উচিত।
সূত্র জানায়, মন্ত্রণালয়ের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বিশেষ প্রয়োজনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত ক্লাস নিতে পারবে, কিন্তু প্রচলিত কোচিংয়ের নামে ইচ্ছামতো টাকা আদায় করতে পারবে না। বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে অভিভাবক ও শিক্ষকেরা বসে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নেবেন। এ ছাড়া এ বিষয়ে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করবে। সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে স্টাফ কাউন্সিল।
অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার বিনিময়ে সম্মানী নির্ধারণ প্রসঙ্গে শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা ঘিরে এমন বাণিজ্য শুরু হয়ে যাবে, এটা ভাবতে পারিনি।’ তিনি এক ঘণ্টা অতিরিক্ত ক্লাসের জন্য ১৭৫ টাকা নির্ধারণের বিষয়টি যৌক্তিক মনে করেন। তবে এই টাকা সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের সরাসরি দেওয়ার প্রস্তাব করেন তিনি। সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ছয়-সাত ঘণ্টা শ্রেণীকক্ষে পড়ার পর শিক্ষার্থী প্রস্তুত হবে না, এ জন্য অতিরিক্ত ক্লাস লাগবে। এর দায়দায়িত্ব শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের নয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের শিক্ষকদের বেতন কম। তাই তাঁদের বেতন বাড়িয়ে বা সম্মানী দিয়ে বলা যেতে পারে, তাঁরা নিজ বাসায় বা কোচিং সেন্টারে গিয়ে পড়াতে পারবেন না।’
গতকালের সভায় শিক্ষাসচিব সৈয়দ আতাউর রহমান, মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (মাধ্যমিক) খন্দকার রাকিবুর রহমান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নোমান উর রশীদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, আশির দশক থেকে প্রাইভেট টিউশনি ও কোচিং-ব্যবস্থার শুরু। রাজধানীসহ সারা দেশে এখন অমুক স্যার, তমুক ম্যাডামদের ছড়াছড়ি। অথচ ‘দি রিকগনাইজড নন-গভর্নমেন্ট সেকেন্ডারি স্কুল টিচার্স (বোর্ড অব ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন, ঢাকা) টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনস অব সার্ভিস রেগুলেশনস, ১৯৭৯ অনুযায়ী প্রাইভেট টিউশনি নিষিদ্ধ। ওই আইনে বলা হয়েছে, ‘কোনো পূর্ণকালীন শিক্ষক স্বাভাবিক কাজের বাইরে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে কোনো ব্যক্তিগত টিউশনি বা অন্য কোনো নিয়োগ লাভ বা অন্য কোথাও ভাতাসহ বা ভাতা ব্যতীত নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবেন না।’
২০০৮ সালের ৪ মার্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে ওই আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয়েছিল।
এদিকে কোচিং ও প্রাইভেট পড়া অনেকটা বাধ্যতামূলক হওয়ায় অভিভাবকের ওপর বাড়তি চাপ পড়ছে। গণসাক্ষরতা অভিযানের গবেষণায় (বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার ব্যয় সংকুলান, এডুকেশন ওয়াচ প্রতিবেদন, প্রকাশ: ২৭ ডিসেম্বর ২০০৭) বলা হয়েছে, শিক্ষা-ব্যয়ের বড় অংশ পারিবারিকভাবে মেটানো হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সরকারি সহায়তাপ্রাপ্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-ব্যয়ের ৫৯ ও ৭১ শতাংশ পরিবার বহন করে। এর মধ্যে বড় খাত প্রাইভেট টিউশনি ও কোচিং। collected from dainik protho alo
facebook news


সম্প্রতি প্রায় ৫০ কোটি ব্যবহারকারী তৈরি করা সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুকের গ্রাহকদের বড় একটি অংশ যুক্তরাজ্যের। প্রতি মুহূর্তে ফেসবুকে ব্যয় করা সময়ের মধ্যে যুক্তরাজ্যের গ্রাহকেরা এগিয়ে। সম্প্রতি ওয়েবসাইট গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিটউইস পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। শীর্ষে থাকা জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলের পরই জনপ্রিয়তার তালিকায় ফেসবুকের স্থান।
হিটউইসের গবেষণা পরিচালক রবিন গোড বলেন, ফেসবুক ব্যবহারের এ সংখ্যা চমকপ্রদ হলেও সত্য। যুক্তরাজ্যের দুই কোটি ৫০ লাখ ব্রিটিশের মধ্যে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের ফেসবুকে ঠিকানা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর ফেসবুকের সবচেয়ে বেশি গ্রাহক যুক্তরাজ্যের, যা ধীরে ধীরে বেড়েই চলছে। এর মধ্যে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের সংখ্যাই বেশি। এ ছাড়া ৩৫ বছরের বেশি বয়স্কদের সংখ্যা শতকরা ৩৮ দশমিক ২ ভাগ। এর মধ্যে পুরুষের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীও রয়েছে। তবে এত সংখ্যক ব্যবহারকারীর ফলে বছরে ক্ষতি হচ্ছে বিপুল অঙ্কের টাকা। এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক কর্মচারীদের শতকরা ৫৫ ভাগ সামাজিক যোগাযোগের সাইটে বন্ধু খোঁজা, বার্তা প্রেরণ, ছবি ও ভিডিওচিত্র আপলোড করার কাজ করে অনেক সময় নষ্ট করেন। ফলে কর্মরত প্রতিষ্ঠানে পণ্য উৎপাদন-প্রক্রিয়াও কমে যাচ্ছে। —ডেইলি টেলিগ্রাফ অবলম্বনে নুরুন্নবী চৌধুরী
হিটউইসের গবেষণা পরিচালক রবিন গোড বলেন, ফেসবুক ব্যবহারের এ সংখ্যা চমকপ্রদ হলেও সত্য। যুক্তরাজ্যের দুই কোটি ৫০ লাখ ব্রিটিশের মধ্যে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের ফেসবুকে ঠিকানা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পর ফেসবুকের সবচেয়ে বেশি গ্রাহক যুক্তরাজ্যের, যা ধীরে ধীরে বেড়েই চলছে। এর মধ্যে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের সংখ্যাই বেশি। এ ছাড়া ৩৫ বছরের বেশি বয়স্কদের সংখ্যা শতকরা ৩৮ দশমিক ২ ভাগ। এর মধ্যে পুরুষের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারীও রয়েছে। তবে এত সংখ্যক ব্যবহারকারীর ফলে বছরে ক্ষতি হচ্ছে বিপুল অঙ্কের টাকা। এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক কর্মচারীদের শতকরা ৫৫ ভাগ সামাজিক যোগাযোগের সাইটে বন্ধু খোঁজা, বার্তা প্রেরণ, ছবি ও ভিডিওচিত্র আপলোড করার কাজ করে অনেক সময় নষ্ট করেন। ফলে কর্মরত প্রতিষ্ঠানে পণ্য উৎপাদন-প্রক্রিয়াও কমে যাচ্ছে। —ডেইলি টেলিগ্রাফ অবলম্বনে নুরুন্নবী চৌধুরী
নিউজিল্যান্ডের ২০০ রানে joy

টেস্ট সিরিজ আর ওয়ানডে টুর্নামেন্টের মাঝে মাত্র দুদিন বিরতি। ডাম্বুলায় কোনো বিমানবন্দর নেই, বাসই একমাত্র ভরসা। কলম্বো থেকে পাঁচ ঘণ্টার সেই ভ্রমণ-ক্লান্তি এড়াতে বিশেষ ব্যবস্থায় হেলিকপ্টারে করে ডাম্বুলায় এসেছিল ভারতীয় দল। তার পরও বোলিং-ফিল্ডিংয়ে ব্যর্থতার জন্য ক্লান্তিকে দায় দেওয়া যায়। কিন্তু ব্যাটিং?
টেন্ডুলকার-গম্ভীরকে ছাড়াও ভারতের ব্যাটিং লাইনআপকে টুর্নামেন্টের সেরা বলা যায়। কাল কিউই পেসারদের সামনে সেই ব্যাটিং লাইনআপই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল। ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বর দল গুটিয়ে গেল মাত্র ৮৮ রানে, হারল ২০০ রানে। ফেবারিটদের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে উড়ন্ত সূচনা করল টুর্নামেন্টের আন্ডারডগ নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই প্রথম একশর নিচে অলআউট হলো ভারত। ডাম্বুলার রনগিরি স্টেডিয়ামের সর্বনিম্ন স্কোর এটি, অবশ্য এখানে একবার ৮৮ রান করেছিল ইংল্যান্ডও।
নিউজিল্যান্ড ২৮৮ রান করার পরই তাই ম্যাচের ভাগ্য ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা। ডাম্বুলার ফ্লাডলাইট ক্রিকেট উপযোগী কি না এ নিয়ে প্রশ্ন আছে। কৃত্রিম আলোয় বোলাররা এখানে একটু বেশিই সাহায্য পায়। খেলা শুরুর আগে টেন স্পোর্টসে রাসেল আরনল্ড বলেছিলেন প্রথমে ব্যাট করে ২৪০ করতে পারলেই নিশ্চিন্ত। টস জেতার পর ২৫০-২৬০ কেই নিরাপদ বলেছিলেন রস টেলর। ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের কথা ভেবে তবু ‘ম্যাচ শেষ’ বলা যাচ্ছিল না। টেন্ডুলকারকে ছাড়াই গত জুনের এশিয়া কাপে এই উইকেটে পাকিস্তানের ২৭১ রান তাড়া করেছে ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো বিশেষজ্ঞদের কথাই।
ভারতের শুরুটা খারাপ হয়নি। ঝোড়ো সূচনা না হলেও প্রথম উইকেটে ৩৯ রান তুলেছিলেন বীরেন্দর শেবাগ ও দিনেশ কার্তিক। সপ্তম ওভারের শেষ বলে শেবাগের আউট দিয়ে মহামারির শুরু। কিউই পেসারদের সুইং আর বাউন্সে নাকাল হয়ে আত্মসমর্পণ একের পর এক ভারতীয় ব্যাটসম্যানের। দুই ওপেনার ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন আর কেবল রবীন্দ্র জাদেজা।
নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ছিল ভারতের ঠিক উল্টো। নেহরা-প্রাভিনের সুইংয়ে ২৮ রানেই নেই ৩ উইকেট। কিউই অধিনায়ক রস টেলর আর দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকা স্কট স্টাইরিস মিলে শুরু করলেন ইনিংস মেরামতের কাজ। আক্রমণাত্মক দুই ব্যাটসম্যান শুরুতে খেলেছেন দেখেশুনে, বিপর্যয় সামলে ওঠার পর হাত খুলেছেন দুজনই। চতুর্থ উইকেটে গড়েছেন ১৯০ রানের রেকর্ড জুটি। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচে ৭০ করেছিলেন টেলর, দ্বিতীয় ম্যাচে কাল করলেন ৯৫। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি চারটি ক্যাচ নিয়ে ম্যাচ-সেরাও হয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। স্টাইরিস ওয়ানডেতে ফিফটি পেলেন ২৫ মাস পর। ডাম্বুলায় খেলা সর্বশেষ ম্যাচে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন নেহরা, পেলেন কালও। দারুণ বোলিং করেছেন প্রাভিন কুমারও। তবে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার আড়ালে চাপা পড়ে গেছে তাঁদের কীর্তি। টেন স্পোর্টস।
টেন্ডুলকার-গম্ভীরকে ছাড়াও ভারতের ব্যাটিং লাইনআপকে টুর্নামেন্টের সেরা বলা যায়। কাল কিউই পেসারদের সামনে সেই ব্যাটিং লাইনআপই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল। ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বর দল গুটিয়ে গেল মাত্র ৮৮ রানে, হারল ২০০ রানে। ফেবারিটদের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে উড়ন্ত সূচনা করল টুর্নামেন্টের আন্ডারডগ নিউজিল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এই প্রথম একশর নিচে অলআউট হলো ভারত। ডাম্বুলার রনগিরি স্টেডিয়ামের সর্বনিম্ন স্কোর এটি, অবশ্য এখানে একবার ৮৮ রান করেছিল ইংল্যান্ডও।
নিউজিল্যান্ড ২৮৮ রান করার পরই তাই ম্যাচের ভাগ্য ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা। ডাম্বুলার ফ্লাডলাইট ক্রিকেট উপযোগী কি না এ নিয়ে প্রশ্ন আছে। কৃত্রিম আলোয় বোলাররা এখানে একটু বেশিই সাহায্য পায়। খেলা শুরুর আগে টেন স্পোর্টসে রাসেল আরনল্ড বলেছিলেন প্রথমে ব্যাট করে ২৪০ করতে পারলেই নিশ্চিন্ত। টস জেতার পর ২৫০-২৬০ কেই নিরাপদ বলেছিলেন রস টেলর। ভারতের ব্যাটিং লাইনআপের কথা ভেবে তবু ‘ম্যাচ শেষ’ বলা যাচ্ছিল না। টেন্ডুলকারকে ছাড়াই গত জুনের এশিয়া কাপে এই উইকেটে পাকিস্তানের ২৭১ রান তাড়া করেছে ভারত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্যি হলো বিশেষজ্ঞদের কথাই।
ভারতের শুরুটা খারাপ হয়নি। ঝোড়ো সূচনা না হলেও প্রথম উইকেটে ৩৯ রান তুলেছিলেন বীরেন্দর শেবাগ ও দিনেশ কার্তিক। সপ্তম ওভারের শেষ বলে শেবাগের আউট দিয়ে মহামারির শুরু। কিউই পেসারদের সুইং আর বাউন্সে নাকাল হয়ে আত্মসমর্পণ একের পর এক ভারতীয় ব্যাটসম্যানের। দুই ওপেনার ছাড়া দুই অঙ্ক ছুঁতে পেরেছেন আর কেবল রবীন্দ্র জাদেজা।
নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ছিল ভারতের ঠিক উল্টো। নেহরা-প্রাভিনের সুইংয়ে ২৮ রানেই নেই ৩ উইকেট। কিউই অধিনায়ক রস টেলর আর দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ তারকা স্কট স্টাইরিস মিলে শুরু করলেন ইনিংস মেরামতের কাজ। আক্রমণাত্মক দুই ব্যাটসম্যান শুরুতে খেলেছেন দেখেশুনে, বিপর্যয় সামলে ওঠার পর হাত খুলেছেন দুজনই। চতুর্থ উইকেটে গড়েছেন ১৯০ রানের রেকর্ড জুটি। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম ম্যাচে ৭০ করেছিলেন টেলর, দ্বিতীয় ম্যাচে কাল করলেন ৯৫। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি চারটি ক্যাচ নিয়ে ম্যাচ-সেরাও হয়েছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। স্টাইরিস ওয়ানডেতে ফিফটি পেলেন ২৫ মাস পর। ডাম্বুলায় খেলা সর্বশেষ ম্যাচে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন নেহরা, পেলেন কালও। দারুণ বোলিং করেছেন প্রাভিন কুমারও। তবে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার আড়ালে চাপা পড়ে গেছে তাঁদের কীর্তি। টেন স্পোর্টস।
Tuesday, August 10, 2010
এখন শুধু চুক্তির অপেক্ষা

শুধু চুক্তি করাটাই বাকি এখন। নইলে ২০১১ বিশ্বকাপ পর্যন্ত জাতীয় দলের বোলিং কোচ হিসেবে ল্যান্স ক্লুজনার ও ফিল্ডিং কোচ হিসেবে জুলিয়েন ফাউন্টেনের নাম একরকম চূড়ান্ত। এ ছাড়া বিশ্বকাপের আগে স্বল্প সময়ের জন্য আনা হবে ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং উপদেষ্টাও। কাল বিসিবির টেকনিক্যাল কমিটির সভা শেষে এসব তথ্য জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস।
কাল রাতে টেলিফোনে জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘ল্যান্স ক্লুজনার ও জুলিয়েন ফাউন্টেন দুজনই মৌখিকভাবে আমাদের প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন। তবে এখনো তাদের সঙ্গে চুক্তি হয়নি। আশা করি, সপ্তাহখানেকের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।’ মিডিয়া কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, ফিল্ডিং কোচ হিসেবে ইংল্যান্ডের সাবেক বেসবল খেলোয়াড় ফাউন্টেনকে নেওয়ার কথা জানেন বর্তমানে ছুটিতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা বাংলাদেশ কোচ জেমি সিডন্স। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার ক্লুজনারকে বোলিং কোচ নিয়োগের ব্যাপারটি একটু দেরিতে নিশ্চিত হওয়ায় এ বিষয়ে কোচের সঙ্গে আলোচনা করা সম্ভব হয়নি।
ফিল্ডিং কোচ ফাউন্টেন এর আগে কাজ করেছেন ইংল্যান্ড, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সঙ্গে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বোলিং কোচ হলে কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলে কোচ হিসেবে এটাই হবে ক্লুজনারের প্রথম চাকরি। এর আগে সম্ভাব্য বোলিং কোচ হিসেবে শোনা গিয়েছিল ইংল্যান্ডের সাবেক ফাস্ট বোলার গ্রাহাম ডিলির নামও।
বোলিং-ফিল্ডিং কোচই শুধু নয়, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে স্বল্প সময়ের জন্য ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং উপদেষ্টা আনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। ‘জন্টি রোডস, জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে স্বল্প সময়ের জন্য বাংলাদেশ দলের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন তাঁরা’—বলেছেন জালাল ইউনুস। কোচিং স্টাফে পরিবর্তন এবং সহকারী কোচ খালেদ মাহমুদকে আবার ম্যানেজার করার ব্যাপারে তিনি বলেছেন, ‘খালেদ মাহমুদ বিসিবির বেতনভুক্ত স্টাফ। তাঁকে প্রয়োজনে যেকোনো জায়গায় ব্যবহার করতে পারে বোর্ড।’
৩০ সদস্যের দল বানিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু করতে চায় বিসিবি। সিডন্স অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরলে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্বকাপের জন্য আবাসিক ক্যাম্প শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন জালাল ইউনুস।
কাল রাতে টেলিফোনে জালাল ইউনুস বলেছেন, ‘ল্যান্স ক্লুজনার ও জুলিয়েন ফাউন্টেন দুজনই মৌখিকভাবে আমাদের প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন। তবে এখনো তাদের সঙ্গে চুক্তি হয়নি। আশা করি, সপ্তাহখানেকের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।’ মিডিয়া কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, ফিল্ডিং কোচ হিসেবে ইংল্যান্ডের সাবেক বেসবল খেলোয়াড় ফাউন্টেনকে নেওয়ার কথা জানেন বর্তমানে ছুটিতে অস্ট্রেলিয়ায় থাকা বাংলাদেশ কোচ জেমি সিডন্স। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার ক্লুজনারকে বোলিং কোচ নিয়োগের ব্যাপারটি একটু দেরিতে নিশ্চিত হওয়ায় এ বিষয়ে কোচের সঙ্গে আলোচনা করা সম্ভব হয়নি।
ফিল্ডিং কোচ ফাউন্টেন এর আগে কাজ করেছেন ইংল্যান্ড, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সঙ্গে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বোলিং কোচ হলে কোনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলে কোচ হিসেবে এটাই হবে ক্লুজনারের প্রথম চাকরি। এর আগে সম্ভাব্য বোলিং কোচ হিসেবে শোনা গিয়েছিল ইংল্যান্ডের সাবেক ফাস্ট বোলার গ্রাহাম ডিলির নামও।
বোলিং-ফিল্ডিং কোচই শুধু নয়, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে স্বল্প সময়ের জন্য ব্যাটিং-বোলিং-ফিল্ডিং উপদেষ্টা আনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। ‘জন্টি রোডস, জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও সৌরভ গাঙ্গুলীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। বিশ্বকাপের আগে স্বল্প সময়ের জন্য বাংলাদেশ দলের উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করার প্রস্তাবে সম্মত হয়েছেন তাঁরা’—বলেছেন জালাল ইউনুস। কোচিং স্টাফে পরিবর্তন এবং সহকারী কোচ খালেদ মাহমুদকে আবার ম্যানেজার করার ব্যাপারে তিনি বলেছেন, ‘খালেদ মাহমুদ বিসিবির বেতনভুক্ত স্টাফ। তাঁকে প্রয়োজনে যেকোনো জায়গায় ব্যবহার করতে পারে বোর্ড।’
৩০ সদস্যের দল বানিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বিশ্বকাপ প্রস্তুতি শুরু করতে চায় বিসিবি। সিডন্স অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরলে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে বিশ্বকাপের জন্য আবাসিক ক্যাম্প শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন জালাল ইউনুস।
বিএনপি ভারতের সঙ্গে আরও বেশি সুদে ঋণচুক্তি করেছিল
ভারতের সঙ্গে সাত হাজার কোটি টাকার ঋণসহায়তা চুক্তি নিয়ে বিএনপির সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি সরকার এর চেয়ে বেশি হারে সুদের বিনিময়ে ভারতের সঙ্গে ঋণচুক্তি করেছিল। গতকাল মঙ্গলবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত কার্যকরী সংসদের প্রতিনিধিদল তাঁর কার্যালয়ের দেখা করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। বাসস।
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার দেশের অর্থনীতির বিকাশ ও জনগণের কল্যাণে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশের কম সুদে ঋণচুক্তি করেছে। আর বিএনপি ৫ শতাংশ সুদে ভারতের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি ঋণচুক্তি করেছিল। তিনি বলেন, এই অর্থ দিয়ে রেল ও যোগাযোগ খাতের অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঋণের অর্থ দিয়ে পানিসম্পদ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য ছয়টি ড্রেজার ক্রয়, আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ কনটেইনার নৌবন্দর স্থাপন, বাংলাদেশ রেলওয়ের ১০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ, ১২৫টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ, জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য ৬০টি ট্যাংক ওয়াগন ও দুটি ব্রেক ভ্যান সংগ্রহ এবং কনটেইনার পরিবহনের জন্য ৫০টি মিটারগেজ ফাট ওয়াগন ও পাঁচটি ব্রেক ভ্যান সংগ্রহ, রেলওয়ে অ্যাপ্রোচসহ দ্বিতীয় ভৈরব ও দ্বিতীয় তিতাস সেতুর নির্মাণ, বিআরটিসির জন্য ৩০০টি ডবল ডেকার এসি-নন এসি বাস ও ৫০টি আর্কিকুলেটেড বাস সংগ্রহ, সরাইল-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-সুলতানপুর-চিনইর-আখাউড়া-সেনারবাদী স্থলবন্দর সড়ক জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্প, জুরাইন রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস ও মালিবাগ রেলক্রসিংয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্প, রামগড়-সাবরুম স্থলবন্দর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশের ভেড়ামারা ও ভারতের বহরমপুরের মধ্যে ৪০০ কেভি গ্রিড আন্তঃসংযোগ প্রতিষ্ঠা এবং বিএসটিআইর চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জোট আমলে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কয়লা উত্তোলনের ব্যাপারে চীনের সঙ্গে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে ঋণচুক্তির কথা উল্লেখ করেন। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ ব্যাপারে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সরকারের আলোচনা চলছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি ভারতের সঙ্গে পুশব্যাক চুক্তি করেছিল। বিএনপির নেত্রী নিজেই বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে আলোচনাকালে গঙ্গার পানি নিয়ে কথা বলতে তিনি ভুলে গিয়েছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, দেশকে মেধাশূন্য করতে জোট সরকার দলীয়করণ এবং সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার জন্য শিক্ষকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধিদলে সমিতির সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আনন্দ কুমারের নেতৃত্বে আরও ছিলেন এম আনসার উদ্দীন, মো. সুলতান-উল-ইসলাম প্রমুখ।
প্রথম আলো ডেস্ক তারিখ: ১১-০৮-২০১০
শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার দেশের অর্থনীতির বিকাশ ও জনগণের কল্যাণে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশের কম সুদে ঋণচুক্তি করেছে। আর বিএনপি ৫ শতাংশ সুদে ভারতের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি ঋণচুক্তি করেছিল। তিনি বলেন, এই অর্থ দিয়ে রেল ও যোগাযোগ খাতের অবকাঠামো এবং বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঋণের অর্থ দিয়ে পানিসম্পদ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জন্য ছয়টি ড্রেজার ক্রয়, আশুগঞ্জ অভ্যন্তরীণ কনটেইনার নৌবন্দর স্থাপন, বাংলাদেশ রেলওয়ের ১০টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ, ১২৫টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ, জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য ৬০টি ট্যাংক ওয়াগন ও দুটি ব্রেক ভ্যান সংগ্রহ এবং কনটেইনার পরিবহনের জন্য ৫০টি মিটারগেজ ফাট ওয়াগন ও পাঁচটি ব্রেক ভ্যান সংগ্রহ, রেলওয়ে অ্যাপ্রোচসহ দ্বিতীয় ভৈরব ও দ্বিতীয় তিতাস সেতুর নির্মাণ, বিআরটিসির জন্য ৩০০টি ডবল ডেকার এসি-নন এসি বাস ও ৫০টি আর্কিকুলেটেড বাস সংগ্রহ, সরাইল-ব্রাহ্মণবাড়িয়া-সুলতানপুর-চিনইর-আখাউড়া-সেনারবাদী স্থলবন্দর সড়ক জাতীয় মহাসড়কে উন্নীতকরণ প্রকল্প, জুরাইন রেলক্রসিংয়ে ওভারপাস ও মালিবাগ রেলক্রসিংয়ে ফ্লাইওভার নির্মাণ প্রকল্প, রামগড়-সাবরুম স্থলবন্দর সংযোগ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প, বাংলাদেশের ভেড়ামারা ও ভারতের বহরমপুরের মধ্যে ৪০০ কেভি গ্রিড আন্তঃসংযোগ প্রতিষ্ঠা এবং বিএসটিআইর চারটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জোট আমলে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি কয়লা উত্তোলনের ব্যাপারে চীনের সঙ্গে ৪ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে ঋণচুক্তির কথা উল্লেখ করেন। ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের বিষয়টি জাতিসংঘে উত্থাপনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ ব্যাপারে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সরকারের আলোচনা চলছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি ভারতের সঙ্গে পুশব্যাক চুক্তি করেছিল। বিএনপির নেত্রী নিজেই বলেছিলেন, ভারতের সঙ্গে আলোচনাকালে গঙ্গার পানি নিয়ে কথা বলতে তিনি ভুলে গিয়েছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, দেশকে মেধাশূন্য করতে জোট সরকার দলীয়করণ এবং সন্ত্রাসের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না। শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখার জন্য শিক্ষকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধিদলে সমিতির সভাপতি মো. আজিজুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আনন্দ কুমারের নেতৃত্বে আরও ছিলেন এম আনসার উদ্দীন, মো. সুলতান-উল-ইসলাম প্রমুখ।
প্রথম আলো ডেস্ক তারিখ: ১১-০৮-২০১০
real madrid
বড়লোকের বখে যাওয়া ছেলের মতোই উদার হস্তে টাকা খরচ করে রিয়াল মাদ্রিদ। এটা কার না জানা! তাই বলে এতটা? মাঠে আর পাঁচটা প্রতিদ্বন্দ্বী থাকতে পারে; কিন্তু দলবদলের বাজারে টাকা ঢালায় রিয়ালের একচ্ছত্র আধিপত্য!
মোটা অঙ্কের চুক্তিতে খেলোয়াড় কেনায় প্রতি মৌসুমেই শিরোনামে থাকা রিয়াল গত দশকে দলবদলের বাজারে বিনিয়োগ করেছে ৮৩ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড (১০০ কোটি ইউরো)! এই গ্রহে আর একটি ক্লাবও নেই, যারা খরচে রিয়ালের কাছাকাছি! তবে সামনে হয়তো এখানেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে যাচ্ছে রিয়াল। রোমান আব্রামোভিচের চেলসি এবং ম্যানচেস্টার সিটি টাকার বস্তা নিয়েই মাঠে নামছে দুই-তিন বছর ধরে।
দুই দফা দায়িত্ব পালনে প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজই রিয়ালকে শিখিয়েছেন টাকা খরচের উদারতা। যদিও এবার নামের প্রতি সুবিচার করছে না রিয়াল। সামি খেদিরা, সার্জিও ক্যানালেস, পেদ্রো লিওন ও অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়াকে কিনে এ মৌসুমে খরচ ৪ কোটি ১৫ লাখ পাউন্ড! গত দশকে ৪৮ জন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছে রিয়াল, যার তিনটি চুক্তি ছিল মোটা অঙ্কের—ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (৮ কোটি পাউন্ড), জিনেদিন জিদান (৫ কোটি পাউন্ড) ও কাকা (৫ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড)।
প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। তবে তালিকা যেহেতু, দ্বিতীয়-তৃতীয় তো থাকবেই। মার্কা জানিয়েছে, গত দশকে খরচের দিক দিয়ে রিয়ালের পরই বার্সেলোনা, তাদের বিনিয়োগ ৫৯ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড। তৃতীয় চেলসির খরচ ৫৪ কোটি পাউন্ড। আর ম্যানচেস্টার সিটি গত তিন বছরেই ঢেলেছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ড। ওয়েবসাইট।
মোটা অঙ্কের চুক্তিতে খেলোয়াড় কেনায় প্রতি মৌসুমেই শিরোনামে থাকা রিয়াল গত দশকে দলবদলের বাজারে বিনিয়োগ করেছে ৮৩ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড (১০০ কোটি ইউরো)! এই গ্রহে আর একটি ক্লাবও নেই, যারা খরচে রিয়ালের কাছাকাছি! তবে সামনে হয়তো এখানেও প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে যাচ্ছে রিয়াল। রোমান আব্রামোভিচের চেলসি এবং ম্যানচেস্টার সিটি টাকার বস্তা নিয়েই মাঠে নামছে দুই-তিন বছর ধরে।
দুই দফা দায়িত্ব পালনে প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজই রিয়ালকে শিখিয়েছেন টাকা খরচের উদারতা। যদিও এবার নামের প্রতি সুবিচার করছে না রিয়াল। সামি খেদিরা, সার্জিও ক্যানালেস, পেদ্রো লিওন ও অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়াকে কিনে এ মৌসুমে খরচ ৪ কোটি ১৫ লাখ পাউন্ড! গত দশকে ৪৮ জন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেছে রিয়াল, যার তিনটি চুক্তি ছিল মোটা অঙ্কের—ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো (৮ কোটি পাউন্ড), জিনেদিন জিদান (৫ কোটি পাউন্ড) ও কাকা (৫ কোটি ৬০ লাখ পাউন্ড)।
প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। তবে তালিকা যেহেতু, দ্বিতীয়-তৃতীয় তো থাকবেই। মার্কা জানিয়েছে, গত দশকে খরচের দিক দিয়ে রিয়ালের পরই বার্সেলোনা, তাদের বিনিয়োগ ৫৯ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড। তৃতীয় চেলসির খরচ ৫৪ কোটি পাউন্ড। আর ম্যানচেস্টার সিটি গত তিন বছরেই ঢেলেছে ৩১ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ড। ওয়েবসাইট।
বিগ বাজেটের ছবিতে রজনীকান্ত-ঐশ্বরিয়া

১৯৬০ সালে মুক্তি পেয়েছিল দিলীপ কুমার-মধুবালার ছবি মোঘল-এ আজম। এ বছর ছবিটি তার ৫০ বছর পার করেছে। ওই ছবির মোট বাজেট শুনে সে সময় সবার চোখ কপালে উঠে গিয়েছিল। শীশ মহল, দরবারের সেট সব মিলিয়ে খরচ হয়েছিল মোট ১২ কোটি রুপি। সে বছর বলিউডি সিনেমার সবচেয়ে বড় বাজেটের ছবি ছিল এটি।
৫০ বছর পর সব রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে তমিল ও হিন্দি ছবির নায়ক রজনীকান্ত ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের দ্বিভাষিক দ্য রোবট। তামিল ভাষায় ছবিটির নাম ইন্ধিরান। জানা গেছে, এ ছবির মোট বাজেট ১৫০ কোটি রুপি।
বিষয়টি অনেককেই ভাবনায় ফেলে দিয়েছে। অভিষেক-ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের ছবি রাবন-এর বাজেট ছিল ১২০ কোটি রুপি। তাকে টপকে গেছে দ্য রোবট।
৫০ বছর পর সব রেকর্ড ভাঙতে যাচ্ছে তমিল ও হিন্দি ছবির নায়ক রজনীকান্ত ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের দ্বিভাষিক দ্য রোবট। তামিল ভাষায় ছবিটির নাম ইন্ধিরান। জানা গেছে, এ ছবির মোট বাজেট ১৫০ কোটি রুপি।
বিষয়টি অনেককেই ভাবনায় ফেলে দিয়েছে। অভিষেক-ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের ছবি রাবন-এর বাজেট ছিল ১২০ কোটি রুপি। তাকে টপকে গেছে দ্য রোবট।
Friday, August 6, 2010
zero run
৩২ বলে ০ আজহার আলী, ২৪ বলে ০ ইমরান ফারহাত। এজবাস্টনে কাল দুই পাকিস্তানির কীর্তিতে নিশ্চয়ই কৌতূহল জাগছে, টেস্টে সবচেয়ে বেশি বল খেলে ০ রানের রেকর্ডটি কার! এক পাকিস্তানিরই আছে এর চেয়ে বেশি বলে শূন্য। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০০ সালে ৪২ বলে ০ করেছিলেন শোয়েব আখতার, সাবেক অস্ট্রেলিয়া পেসার মাইক হুইটনিরও আছে ৪২ বলে ০। ৫১ বলে ০ আছে সাবেক ইংলিশ স্পিনার পিটার সাচের, আরেক ইংলিশ রিচার্ড উইলসন করেছিলেন ৫২ বলে ০। তবে রেকর্ডটি নিউজিল্যান্ডের জিওফ অ্যালটের, ১৯৯৯ সালে অকল্যান্ডে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৭৭ বল খেলে ০ রানে আউট হয়েছিলেন তিনি। ১০১ মিনিট উইকেটে ছিলেন নিউজিল্যান্ডের সাবেক বাঁহাতি পেসার, সময়ের হিসেবেও যেটি রেকর্ড। ৭২ মিনিট সময় নিয়ে সাচের ইনিংসটি আছে দুইয়ে। তবে দুইয়ে সাচ একা নন, আছেন এক বাংলাদেশিও। বাঁহাতি পেসার মঞ্জুরুল ইসলাম শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২০০০ সালে ৪১ বলে ০ করতে উইকেটে ছিলেন ৭২ মিনিট।
mosharof karim

বাড়ি তাঁর বরিশালের গৌরনদীতে। ঢাকায় নাটক করেন বিভিন্ন ভাষায়। কখনো পুরান ঢাকার ভাষায়, কখনো ময়মনসিংহের ভাষায়, আবার কখনো কুমিল্লার ভাষায়। এবার তিনি নিজের জন্মস্থান বরিশালের ভাষায় নাটকে কাজ করলেন। মন খুলে জন্মস্থানের ভাষা আওড়ালেন নাটকে। বললেন, ‘সাধারণত নিজের এলাকার ভাষাটা ব্যবহার করা হয় না। কারণ, এ ভাষায় সবাই অভ্যস্ত নয়। কিন্তু এবার নাটকে বরিশালের ভাষা পেয়ে ভালোভাবেই তা ব্যবহার করলাম।’
তিনি মোশাররফ করিম। নাটকের নাম মীরাকেল। মাইনুল হাসানের পরিচালনায় সম্প্রতি তিনি এ নাটকে অভিনয় করেছেন।
তিনি মোশাররফ করিম। নাটকের নাম মীরাকেল। মাইনুল হাসানের পরিচালনায় সম্প্রতি তিনি এ নাটকে অভিনয় করেছেন।
Wednesday, August 4, 2010
দুনিয়াটা যেন বদলে গেছে’

বাংলাদেশের গলফের ইতিহাস নতুন করে লিখেছেন তিনি। ব্রুনাই ওপেন জয়ের পর সেলানগর মাস্টার্স টুর্নামেন্ট খেলতে সিদ্দিকুর রহমান এখন মালয়েশিয়ায়। কুয়ালালামপুর থেকে ফোনে নিজের অনুভূতি আর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশের এই গলফার
অভিনন্দন সিদ্দিক। কেমন আছেন?
সিদ্দিকুর রহমান: অনেক ধন্যবাদ। আসলে নিজেই বুঝতে পারছি না, কেমন আছি। সবকিছু কেমন যেন অন্য রকম লাগছে, বলে বোঝাতে পারছি না।
ব্রুনাই ওপেনজয়ী হিসেবে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন। বাড়তি কোনো গুরুত্ব পাচ্ছেন?
সিদ্দিকুর: প্রচুর। বলা যায়, সব রাতারাতি বদলে গেছে। গত বছরও এই টুর্নামেন্টটা খেলতে এসেছিলাম। তখন কেউ চিনত না। আর কাল (পরশু) এখানে পৌঁছানোর পর থেকে কর্মকর্তা-খেলোয়াড়দের অভিনন্দন পাচ্ছি। সাংবাদিকেরা তো ছাড়তেই চাচ্ছেন না।
সাংবাদিকেরা মূলত কী জানতে চাচ্ছেন?
সিদ্দিকুর: আজই (কাল) সকালে একটা সংবাদ সম্মেলন ছিল। সবাই আমাদের দেশের গলফের কী অবস্থা, সেটা নিয়ে প্রশ্ন করলেন। বেশি করে জানতে চাচ্ছেন, আমার উঠে আসার গল্পটা। বাংলাদেশের গলফের অবস্থা নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন ছিল।
কী বললেন? আসলে কী অবস্থা বাংলাদেশের গলফের?
সিদ্দিকুর: আমি তো মনে করি ভালোই। শুধু আমি সাফল্য পেয়েছি বলে বলছি না। অনেক তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে। ওরা কিন্তু আমার মতোই খেলে। শুধু যদি বেশি বেশি খেলতে পারে, তাহলে দেখবেন আমাদের গলফ বিশ্বে খুব দ্রুত একটা জায়গা করে নিয়েছে।
বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে?
সিদ্দিকুর: হ্যাঁ। ওনারা তো খুবই আনন্দিত। দেশের সাংবাদিকেরা নাকি ওনাদের খুব ফোন করছেন। বাড়িতেও অনেকে গেছেন।
দেশ থেকে ফোন-টোন...
সিদ্দিকুর: ফোন নম্বর তো এখনো সবাই জানে না। তবে প্রচুর মেইল আসছে। সব খুলেও দেখতে পারছি না। আমার দুনিয়াটাই যেন বদলে গেছে!
এই একটা টুর্নামেন্টেই জীবন বদলে যাবে, কল্পনা করেছিলেন?
সিদ্দিকুর: জেতার আশা তো থাকেই। কিন্তু এখনই এই ওপেন জিতে ফেলব, এটা কল্পনা করিনি। আরও সময় লাগবে বলে মনে করেছিলাম।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
সিদ্দিকুর: এখন তো পরিকল্পনা একটু বদল করে ফেলতে হচ্ছে। ব্রুনাই ওপেন জেতায় ইউরোপ-আমেরিকার ওপেনগুলোর সঙ্গে সংযুক্তি আছে, এমন সব টুর্নামেন্টে আগামী দুই বছর খেলতে পারব। এরই মধ্যে সুইজারল্যান্ড থেকে একটা আমন্ত্রণ পেয়েছি। আগামী ২৭ তারিখ ওখানে যাব। এর মধ্যে জাপানেও একটা টুর্নামেন্ট খেলব। এখন ভারতীয় টুর্নামেন্টগুলো কম খেলে মূলত এ ধরনের টুর্নামেন্টই খেলতে চাই। তাহলে আমি লক্ষ্যের দিকে যেতে পারব।
সেই লক্ষ্যটা কী?
সিদ্দিকুর: চূড়ান্ত লক্ষ্য তো ইউরোপিয়ান সার্কিটে খেলা, ইউএস ট্যুরে খেলা। সে জন্য আগে সংযুক্ত বিভিন্ন টুর্নামেন্টে ভালো করতে হবে। ওসব টুর্নামেন্টে ভালো করলে সরাসরি ইউরোপ-আমেরিকার মেজর টুর্নামেন্টে খেলতে পারব।
সুইজারল্যান্ডের টুর্নামেন্টটার মান কেমন?
সিদ্দিকুর: অনেকটা ইউরোপিয়ান ট্যুরের মানের খেলাই হবে ওখানে। ইউএস পিজিএ, মাস্টার্স টুর্নামেন্ট বা অন্য মেজর টুর্নামেন্টে খেলে এমন অনেকেই খেলবে। এশিয়া থেকে মাত্র ১০ জন খেলোয়াড় খেলার সুযোগ পাচ্ছে ওখানে।
সেখানে ভালো করার ব্যাপারে কতটা আত্মবিশ্বাসী?
সিদ্দিকুর: আমি ভয় পাই না। আমি কম লম্বা, কালো, গায়ে শক্তি কম, গরিব। আর ওরা লম্বা, সাদা, শক্তি বেশি, ধনী—এসব ভেবে বসে থাকলে চলবে না। আমি বুঝেছি, এসব আসলে কোনো ব্যাপারই নয়। দক্ষতা থাকলে যেকোনো ফলাফল করা সম্ভব।
অভিনন্দন সিদ্দিক। কেমন আছেন?
সিদ্দিকুর রহমান: অনেক ধন্যবাদ। আসলে নিজেই বুঝতে পারছি না, কেমন আছি। সবকিছু কেমন যেন অন্য রকম লাগছে, বলে বোঝাতে পারছি না।
ব্রুনাই ওপেনজয়ী হিসেবে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন। বাড়তি কোনো গুরুত্ব পাচ্ছেন?
সিদ্দিকুর: প্রচুর। বলা যায়, সব রাতারাতি বদলে গেছে। গত বছরও এই টুর্নামেন্টটা খেলতে এসেছিলাম। তখন কেউ চিনত না। আর কাল (পরশু) এখানে পৌঁছানোর পর থেকে কর্মকর্তা-খেলোয়াড়দের অভিনন্দন পাচ্ছি। সাংবাদিকেরা তো ছাড়তেই চাচ্ছেন না।
সাংবাদিকেরা মূলত কী জানতে চাচ্ছেন?
সিদ্দিকুর: আজই (কাল) সকালে একটা সংবাদ সম্মেলন ছিল। সবাই আমাদের দেশের গলফের কী অবস্থা, সেটা নিয়ে প্রশ্ন করলেন। বেশি করে জানতে চাচ্ছেন, আমার উঠে আসার গল্পটা। বাংলাদেশের গলফের অবস্থা নিয়ে প্রচুর প্রশ্ন ছিল।
কী বললেন? আসলে কী অবস্থা বাংলাদেশের গলফের?
সিদ্দিকুর: আমি তো মনে করি ভালোই। শুধু আমি সাফল্য পেয়েছি বলে বলছি না। অনেক তরুণ খেলোয়াড় উঠে আসছে। ওরা কিন্তু আমার মতোই খেলে। শুধু যদি বেশি বেশি খেলতে পারে, তাহলে দেখবেন আমাদের গলফ বিশ্বে খুব দ্রুত একটা জায়গা করে নিয়েছে।
বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে?
সিদ্দিকুর: হ্যাঁ। ওনারা তো খুবই আনন্দিত। দেশের সাংবাদিকেরা নাকি ওনাদের খুব ফোন করছেন। বাড়িতেও অনেকে গেছেন।
দেশ থেকে ফোন-টোন...
সিদ্দিকুর: ফোন নম্বর তো এখনো সবাই জানে না। তবে প্রচুর মেইল আসছে। সব খুলেও দেখতে পারছি না। আমার দুনিয়াটাই যেন বদলে গেছে!
এই একটা টুর্নামেন্টেই জীবন বদলে যাবে, কল্পনা করেছিলেন?
সিদ্দিকুর: জেতার আশা তো থাকেই। কিন্তু এখনই এই ওপেন জিতে ফেলব, এটা কল্পনা করিনি। আরও সময় লাগবে বলে মনে করেছিলাম।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
সিদ্দিকুর: এখন তো পরিকল্পনা একটু বদল করে ফেলতে হচ্ছে। ব্রুনাই ওপেন জেতায় ইউরোপ-আমেরিকার ওপেনগুলোর সঙ্গে সংযুক্তি আছে, এমন সব টুর্নামেন্টে আগামী দুই বছর খেলতে পারব। এরই মধ্যে সুইজারল্যান্ড থেকে একটা আমন্ত্রণ পেয়েছি। আগামী ২৭ তারিখ ওখানে যাব। এর মধ্যে জাপানেও একটা টুর্নামেন্ট খেলব। এখন ভারতীয় টুর্নামেন্টগুলো কম খেলে মূলত এ ধরনের টুর্নামেন্টই খেলতে চাই। তাহলে আমি লক্ষ্যের দিকে যেতে পারব।
সেই লক্ষ্যটা কী?
সিদ্দিকুর: চূড়ান্ত লক্ষ্য তো ইউরোপিয়ান সার্কিটে খেলা, ইউএস ট্যুরে খেলা। সে জন্য আগে সংযুক্ত বিভিন্ন টুর্নামেন্টে ভালো করতে হবে। ওসব টুর্নামেন্টে ভালো করলে সরাসরি ইউরোপ-আমেরিকার মেজর টুর্নামেন্টে খেলতে পারব।
সুইজারল্যান্ডের টুর্নামেন্টটার মান কেমন?
সিদ্দিকুর: অনেকটা ইউরোপিয়ান ট্যুরের মানের খেলাই হবে ওখানে। ইউএস পিজিএ, মাস্টার্স টুর্নামেন্ট বা অন্য মেজর টুর্নামেন্টে খেলে এমন অনেকেই খেলবে। এশিয়া থেকে মাত্র ১০ জন খেলোয়াড় খেলার সুযোগ পাচ্ছে ওখানে।
সেখানে ভালো করার ব্যাপারে কতটা আত্মবিশ্বাসী?
সিদ্দিকুর: আমি ভয় পাই না। আমি কম লম্বা, কালো, গায়ে শক্তি কম, গরিব। আর ওরা লম্বা, সাদা, শক্তি বেশি, ধনী—এসব ভেবে বসে থাকলে চলবে না। আমি বুঝেছি, এসব আসলে কোনো ব্যাপারই নয়। দক্ষতা থাকলে যেকোনো ফলাফল করা সম্ভব।

তারকারা যখন নির্মাণে ব্যস্ত

ঈদের মৌসুমে তারকারা অভিনয়ে ব্যস্ত থাকবেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন তাঁদের দেখা যাচ্ছে নাটক নির্মাণে ব্যস্ত থাকতে। কেউ নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের জন্য নাটক লিখছেন, কেউ পরিচালনা করছেন, কেউ বা প্রযোজনা করে সেসব নাটক বাজারজাত করার জন্য ছুটছেন টিভি চ্যানেলগুলোতে অথবা বিজ্ঞাপনী সংস্থায়।
নাটক নির্মাণে ব্যস্ত আছেন সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, শহীদুজ্জামান সেলিম, আফসানা মিমি, তৌকীর আহমেদ, জাহিদ হাসান, মাহফুজ আহমেদ, বিপাশা হায়াত, শমী কায়সার, সাদিয়া ইসলাম মৌ প্রমুখ।
জানা গেছে, তাঁদের কেউ কেউ তিন-চারটি করে নাটক নির্মাণ করছেন। বেশির ভাগ তারকা কাজ করছেন বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের জন্য। আর নাটক লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিপাশা হায়াত। একাধিক পরিচালকের নাটকে অভিনয়ের আহ্বান উপেক্ষা করেছেন তিনি। ঈদের জন্য তিনি লিখেছেন চারটি নাটক। এর মধ্যে দুটি পরিচালনা করবেন তৌকীর আহমেদ। অন্য একটি পরিচালনা করছেন বিপাশা নিজেই। আরেকটি নাটক অন্য একটি প্রতিষ্ঠান থেকে নির্মিত হচ্ছে।
তাহলে কি তাঁরা অভিনয় করছেন না? ‘করছি। এই যেমন নিজের প্রযোজনার বাইরে এবারের ঈদে তিনটি নাটকে অভিনয় করলাম। নেপালে যাচ্ছি। সেখান থেকে এসে নিজের প্রযোজনায় আর একটি নাটক নির্মাণ করব।’ বলেছেন মাহফুজ আহমেদ।-
নাটক নির্মাণে ব্যস্ত আছেন সুবর্ণা মুস্তাফা, আজিজুল হাকিম, শহীদুজ্জামান সেলিম, আফসানা মিমি, তৌকীর আহমেদ, জাহিদ হাসান, মাহফুজ আহমেদ, বিপাশা হায়াত, শমী কায়সার, সাদিয়া ইসলাম মৌ প্রমুখ।
জানা গেছে, তাঁদের কেউ কেউ তিন-চারটি করে নাটক নির্মাণ করছেন। বেশির ভাগ তারকা কাজ করছেন বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের জন্য। আর নাটক লেখালেখি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিপাশা হায়াত। একাধিক পরিচালকের নাটকে অভিনয়ের আহ্বান উপেক্ষা করেছেন তিনি। ঈদের জন্য তিনি লিখেছেন চারটি নাটক। এর মধ্যে দুটি পরিচালনা করবেন তৌকীর আহমেদ। অন্য একটি পরিচালনা করছেন বিপাশা নিজেই। আরেকটি নাটক অন্য একটি প্রতিষ্ঠান থেকে নির্মিত হচ্ছে।
তাহলে কি তাঁরা অভিনয় করছেন না? ‘করছি। এই যেমন নিজের প্রযোজনার বাইরে এবারের ঈদে তিনটি নাটকে অভিনয় করলাম। নেপালে যাচ্ছি। সেখান থেকে এসে নিজের প্রযোজনায় আর একটি নাটক নির্মাণ করব।’ বলেছেন মাহফুজ আহমেদ।-
colleceted from
১৬৯ ম্যাচের পথে টেন্ডুলকারের যত অর্জন

স্টিভ ওয়াহর ১৬৮ ম্যাচকে পেছনে ফেলে টেস্টের চূড়ায় উঠেছেন শচীন টেন্ডুলকার। টেস্ট ক্যারিয়ারের ২০ বছরে ১৬৯ ম্যাচের পথে টেন্ডুলকারের উল্লেখযোগ্য সব অর্জন একবার দেখা যাক—
* টেস্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৭৪২ রান।
* প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১২ হাজার ও ১৩ হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম।
* সুনীল গাভাস্কারের পর ১০ হাজার রান অতিক্রম করা ভারতের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান।
* টেস্টে সর্বোচ্চ ৪৮ সেঞ্চুরি।
* দ্বিতীয় কম বয়সী ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৯৯০ সালে অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি।
* ২০ বছরে পা দেওয়ার আগেই রেকর্ড পাঁচটি সেঞ্চুরি।
* সব কটি টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড। টেন্ডুলকার ছাড়া এ রেকর্ড রয়েছে স্টিভ ওয়াহ ও গ্যারি কারস্টেনের।
* সবচেয়ে বেশিবার ৫০-এর বেশি রান সংগ্রহের রেকর্ড (১০৩ বার, ৪৮ সেঞ্চুরি, ৫৫ হাফ সেঞ্চুরি)।
* ৪ নম্বরে ব্যাটিং করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ (২২৩ ইনিংস, ১১ হাজার ৫৩৪ রান)।
* সবচেয়ে বেশি শত রানের জুটি গড়ার বিশ্ব রেকর্ড (রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে ১৮টি)।
* সবচেয়ে বেশি ডাবল সেঞ্চুরির জুটি গড়ার বিশ্ব রেকর্ড (১৭টি)।
* প্রথম ৩২টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা ভিন্ন ভিন্ন ভেন্যুতে।
* ভারতের হয়ে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট জয় (৫৬) ও হারের (৪৫) অভিজ্ঞতা।
* একবারও আউট না হয়ে ভারতের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ৩০০ রান সংগ্রহ।
* সব কটি টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে অন্তত দুটি সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটসম্যান।
—ওয়েবসাইট
* টেস্টের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৭৪২ রান।
* প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১২ হাজার ও ১৩ হাজার রানের মাইলফলক অতিক্রম।
* সুনীল গাভাস্কারের পর ১০ হাজার রান অতিক্রম করা ভারতের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান।
* টেস্টে সর্বোচ্চ ৪৮ সেঞ্চুরি।
* দ্বিতীয় কম বয়সী ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৯৯০ সালে অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরি।
* ২০ বছরে পা দেওয়ার আগেই রেকর্ড পাঁচটি সেঞ্চুরি।
* সব কটি টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড। টেন্ডুলকার ছাড়া এ রেকর্ড রয়েছে স্টিভ ওয়াহ ও গ্যারি কারস্টেনের।
* সবচেয়ে বেশিবার ৫০-এর বেশি রান সংগ্রহের রেকর্ড (১০৩ বার, ৪৮ সেঞ্চুরি, ৫৫ হাফ সেঞ্চুরি)।
* ৪ নম্বরে ব্যাটিং করে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহ (২২৩ ইনিংস, ১১ হাজার ৫৩৪ রান)।
* সবচেয়ে বেশি শত রানের জুটি গড়ার বিশ্ব রেকর্ড (রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে ১৮টি)।
* সবচেয়ে বেশি ডাবল সেঞ্চুরির জুটি গড়ার বিশ্ব রেকর্ড (১৭টি)।
* প্রথম ৩২টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা ভিন্ন ভিন্ন ভেন্যুতে।
* ভারতের হয়ে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট জয় (৫৬) ও হারের (৪৫) অভিজ্ঞতা।
* একবারও আউট না হয়ে ভারতের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ৩০০ রান সংগ্রহ।
* সব কটি টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে অন্তত দুটি সেঞ্চুরি করা একমাত্র ব্যাটসম্যান।
—ওয়েবসাইট
Tuesday, August 3, 2010
Sunday, August 1, 2010
সিডি লিখুন সহজে
উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেমে সফটওয়্যার ছাড়াই সিডি লেখা (রাইট করা) যায়। এ জন্য আপনার সিডি রাইটার থাকতে হবে। যে ফাইলগুলো সিডিতে রাইট করতে চান সেগুলো সিডি রাইট ড্রাইভে কপি করুন। এরপর বাঁ দিকের Write these files to CD অপশনে ক্লিক করলেই সিডি রাইটিংয়ের কাজ শুরু হবে।
খালেদ মাহমুদ খান
খালেদ মাহমুদ খান
Subscribe to:
Posts (Atom)








